বিজ্ঞানের জয়যাত্রা প্রবন্ধ রচনা [PDF]

প্রথম যেদিন মানুষ পাথরে পাথরে ঠোকা লাগিয়ে আগুন জ্বালাতে শিখেছিল, সেদিন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল বিজ্ঞানের জয় যাত্রা।তার পর আর ক্ষণিকের জন্যও থামেনি বিজ্ঞান।কঠিন রোগ জীবাণু থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে এক বিশেষ শক্তি হয়ে মানবজাতিকে আগলে রেখেছে বিজ্ঞানের অবদান।জটিল সব সমস্যার সহজ সমাধান করতে পেরেছে বিজ্ঞান।সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উন্নত হচ্ছে বিজ্ঞান। এ নিয়ে আজকের বিষয় বিজ্ঞানের জয়যাত্রা প্রবন্ধ রচনা।

বিজ্ঞানের জয়যাত্রা প্রবন্ধ রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

মানবজীবনে সৃষ্টির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উপহার কোনটি! অনিবার্যভাবে এই প্রশ্নের নিঃসন্দেহ উত্তর আসে মানুষের প্রখর বুদ্ধিমত্তা। এই বুদ্ধিমত্তায় মানুষকে পৃথিবীর অন্যান্য প্রাণীকুল থেকে পৃথক সত্তা দান করেছে। সেই অতীত যুগের এই বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়েই মানুষ কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করতে শিখেছে, কোন কিছুকে নেহাতই অপার্থিব বলে উড়িয়ে না দিয়ে সেখানে শিখেছে যুক্তির প্রয়োগ করতে।

এই যুক্তিই সময়ের সাথে সাথে পরিণত রূপ নিয়েছে বিজ্ঞান চিন্তায়। বর্তমান যুগে মানব সভ্যতা উন্নতির যে শিখরে দাঁড়িয়ে আছে, তার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান এই বিজ্ঞান চিন্তারই। বিজ্ঞান সেই অতীতকাল থেকে মানুষের মনকে প্রভাবিত করতে করতে বর্তমানে অপ্রতিরোধ্য গতিময় হয়ে উঠেছে। বর্তমান পৃথিবীতে এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যেখানে বিজ্ঞানের জয়যাত্রা থেমে যাবার অর্থ হলো সমগ্র মানব সভ্যতার অগ্রগতি স্তব্ধ হয়ে যাওয়া।

বিজ্ঞান কি?

বিজ্ঞানের জয়যাত্রা সম্পর্কিত আলোচনায় খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে এই বিজ্ঞানের প্রকৃত চরিত্র আসলে কি! এক কথায় বলতে গেলে বিজ্ঞান হল মানুষের প্রখর বুদ্ধিমত্তার ফলে মনের অন্তঃস্থলে উদ্ভাসিত বিশেষ জ্ঞান। এই জ্ঞান মানুষকে কোন ঘটনার অন্ধ বিশ্লেষণ থেকে বিরত করে যুক্তিসম্মত পর্যালোচনা করতে শেখায়। সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে মানুষ যে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে উপনীত হয়, তাকেই পরম সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়।

তবে মানুষের বুদ্ধির চরিত্র বহুমুখী, তাই বিজ্ঞানের প্রকৃতিও সীমাবদ্ধ নয়। বরং বলা যায়, এই পৃথিবীর সবচেয়ে প্রগতিশীল বিষয় হলো বিজ্ঞান। সে কারণেই সমকালীন বুদ্ধি দিয়ে বিজ্ঞানের যে সিদ্ধান্তকে একদিন সঠিক বলে মনে করা হয়, পরবর্তীকালে নতুন কোন পর্যবেক্ষণে পূর্ব সিদ্ধান্ত ভ্রান্ত বলে বাতিল হয়ে যায়। এখানেই বিজ্ঞানের চরিত্রগত অভিনবত্ব। 

বিজ্ঞানের যাত্রা পথের সূচনা:

পৃথিবীতে বিজ্ঞান বলতে যেহেতু বিশ্বের বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে মানুষের মনের বিশেষ জ্ঞানকে বোঝানো হয়ে থাকে, তাই যেদিন থেকে বিশ্ব প্রকৃতির এই সকল উপাদান সম্পর্কে মানুষের মনে এই প্রকার আভাস দেখা গিয়েছে, সেই সেই সময়কেই বিজ্ঞানের যাত্রাপথের সূচনা লগ্ন বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে।

এইভাবে ভাবতে গেলে পৃথিবীতে বিজ্ঞানের সূচনা সেই অতি প্রাচীন যুগে যখন মানুষ ভোঁতা পাথর কিম্বা গাছের ডালকে আপন বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে শিকারের জন্য উপযোগী করে তোলার উপায় আবিষ্কার করেছিল। তারপর ইতিহাসের বুকে সময় যত এগিয়েছে, মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা কে কাজে লাগিয়ে প্রকৃতির নানা উপাদানকে নিজের প্রয়োজনে অভিনব উপায়ে ব্যবহার করতে শিখেছে।

এরপর সেই বিশেষ জ্ঞানের মাধ্যমে আগুন জ্বালানোর কৌশল আবিষ্কারের পর থেকেই মানব সভ্যতার মূলগত চরিত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। তাই একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় মানব সভ্যতা বর্তমানে যে ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে তার উৎসও হল মানুষের বিশেষ জ্ঞান বা বিজ্ঞান।

ইতিহাসে বিজ্ঞান:

আদিম প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের বৈজ্ঞানিক চিন্তার নিদর্শন আমরা পাই নানা প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমানের মাধ্যমে। তবে মানুষ যখন ঐতিহাসিক যুগে প্রবেশ করেছে, তখন তারা শিখেছে নিজেদের বৈজ্ঞানিক চিন্তাকে জাতির প্রয়োজনে লিপিবদ্ধ করে রাখতে। মানুষের এই যুগান্তকারী উদ্যোগের একান্ত ফল হিসেবে আমরা জানতে পেরেছি প্রাচীন যুগে আমাদের পূর্বপুরুষের বিজ্ঞানচিন্তার কথা।

এ প্রসঙ্গে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের বিজ্ঞান চিন্তা সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন। প্রাচীন যুগে এই ভারত ভূমি জন্ম দিয়েছে একের পর এক পৃথিবীর সব মহান বৈজ্ঞানিকদের।

আর্যভট্ট থেকে শুরু করে কণাদ, কিংবা বরাহমিহির থেকে শুরু করে ধন্বন্তরি; কে নেই এই উচ্চমানের বৈজ্ঞানিক তালিকায়! এই সকল মহান বৈজ্ঞানিকদের হাত ধরেই আবিষ্কৃত হয়েছে বর্তমান পৃথিবীর আধুনিক বিজ্ঞান গবেষণার বিভিন্ন সব সূত্র। আর্যভট্ট পৃথিবী কে দান করেছেন শূন্যের ধারণা। 

বিজ্ঞানের বিবর্তন:

পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞান হল মানুষের মনের বিশেষ যুক্তিসম্মত ধারণা। তাই মানুষের মন যেমন প্রগতিশীল, বিজ্ঞানও তেমন সদা পরিবর্তনশীল। সে কারণে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পরিবর্তিত সময়ে বিজ্ঞানের রূপও বিবর্তিত হয়েছে। অসংখ্য ধারণা যেগুলিকে ইতিপূর্বে যুক্তিসম্মত ভাবে সঠিক বলে মনে করা হতো, সেগুলি বাতিল হয়ে তার জায়গায় নতুন প্রমাণসহ নতুন নতুন ধারণা উদ্ভূত হয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটা সময় পর্যন্ত মধ্যযুগীয় ইউরোপে মনে করা হতো পৃথিবীর আকৃতি আসলে চ্যাপ্টা; যুগের পরিবর্তনের ফলে মানুষের বৈজ্ঞানিক চিন্তায় পরিবর্তন আসলে এই ধারণাও পরিবর্তিত হয়েছে। এছাড়া বিশ্বে সুপ্রচলিত পৃথিবী কেন্দ্রিক কক্ষপথের ধারণা ও কোপার্নিকাস কিংবা গ্যালিলিওর হাত ধরে সেই ধারণা নাকচ হয়ে যাওয়ার কথা তো সর্বজনবিদিত।

আধুনিক বিজ্ঞানের যুগ:

আধুনিক বিজ্ঞানের ধারণা সাধারণভাবে ইউরোপীয় বৈজ্ঞানিক মানসিকতা প্রসূত একটি ব্যাখ্যা। মধ্যযুগের ইউরোপে প্রচলিত প্রাচীন সাবেকি ধ্যান ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে যুক্তি দ্বারা জীবনের তথা পৃথিবীর বিভিন্ন উপাদানকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ-এর মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট প্রগতিশীল সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াকেই আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে পদার্পণ বলে মনে করা হয়।

পৃথিবীতে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলে ধরা হয় বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলিকে। তিনি তার বিচক্ষণ বৈজ্ঞানিক মানসিকতা দ্বারা জ্যোতির্বিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, প্রযুক্তিবিদ্যা, গণিত ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গিয়েছেন। তবে আধুনিক বিজ্ঞান গ্যালিলিওর সাথেই থেমে নেই, সে তার আপন প্রগতিশীল চরিত্রে দিনের পর দিন উন্নতি করে চলেছে। 

বর্তমানে বিজ্ঞান:

বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের রূপ অত্যন্ত ব্যাপক। মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আপাদমস্তক ঘিরে রেখেছে আজ বিজ্ঞানের বিভিন্ন অভিনব আবিষ্কার। বর্তমান যুগে বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে পৃথিবীর সীমা পেরিয়ে মানুষ পৌঁছে গিয়েছে গ্রহে গ্রহান্তরে। বিজ্ঞানের দানে বর্তমানে দূর হয়েছে নিকট, পৃথিবী চলে এসেছে হাতের মুঠোর মধ্যে।

বিজ্ঞানের প্রভাব পড়েছে পৃথিবীর প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে; সে চিকিৎসা হোক কিংবা গবেষণা, যোগাযোগ হোক কিংবা পরিবহন সকল ক্ষেত্র আজ বিজ্ঞানের অবদানে অভূতপূর্ব উন্নতি মুখ দেখেছে। বিজ্ঞানের প্রগতিশীল চরিত্রের ওপর ভর করে প্রতিদিন পৃথিবীর সার্বিক চরিত্রেও বদল ঘটে চলেছে।

আধুনিক বিজ্ঞানের রূপ আজ শুধুমাত্র জীবনের সাধারণ চাহিদা মেটানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিজ্ঞান আজ ব্যবহৃত হচ্ছে মানুষের সকল আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য। সাধারণ প্রয়োজনের বাইরে ও বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে মানুষের কাছে নতুন নতুন প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি হচ্ছে। আর সেই সকল প্রয়োজনীয়তাকে প্রতিদিন বিজ্ঞান তার ঐন্দ্রজালিক মহিমায় মেটানোর চেষ্টা করে চলেছে।

মানব জীবনে বিজ্ঞানের অবদান:

মানব জীবনে বিজ্ঞানের অবদান সর্বাত্মক। মানব সভ্যতা বিজ্ঞানের কাঁধে ভর করেই উন্নত উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে। সামান্য ছুঁচ থেকে শুরু করে মহাকাশযান পর্যন্ত সবকিছুই বিজ্ঞানের দান। মানুষ তাই যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিনোদন সবকিছুর জন্যই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের উপর সার্বিকভাবে বর্তমান যুগে নির্ভর করে।

এছাড়া অতিসম্প্রতি চিকিৎসা এবং শিক্ষাক্ষেত্রেও বৈজ্ঞানিক অবদানের জয়জয়কার। উল্লেখযোগ্যভাবে বৈজ্ঞানিক জয়যাত্রা যেখানে একবার শুরু হয় অনন্ত কাল পর্যন্ত সেই জয়যাত্রা তার আপন প্রগতিশীল চারিত্রিক মহিমায় অক্ষুন্ন থাকে।

বিজ্ঞান: আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ!

বিশ্বজুড়ে সর্বক্ষেত্রে বিজ্ঞানের এই জয়যাত্রাকে কেন্দ্র করেও নানা মুনির নানা মত।তবে বর্তমানে পৃথিবীর একটি অতি প্রাসঙ্গিক বিতর্ক হল মানব জীবনে তথা সভ্যতা ও পৃথিবীর কাছে বিজ্ঞান কি সত্যিই আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ! এই বিতরকের উদ্ভবের সংগত কারণটি হলো বিজ্ঞানের এমন অসংখ্য আবিষ্কার যেগুলি মানব কল্যাণ তো দূর, বিভিন্ন অমানবিক ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে।

পৃথিবীর নানা সমাজবিজ্ঞানীরা এ প্রসঙ্গে বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হওয়া নানা বিধ্বংসী যুদ্ধাস্ত্রের কথা বলেছেন। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় বিংশ শতকের মধ্যভাগে ফলিত পদার্থবিদ্যা কে ব্যবহার করে তৈরি হওয়া পরমাণু বোমার কথা; যে বোমার আঘাতে মুহুর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে একটি শহর তথা একটি সভ্যতাও।

তাছাড়া এই বিতর্কের স্বপক্ষে বিজ্ঞান এর সাহায্য নিয়ে তৈরি হওয়া নানা রাসায়নিক মাদকদ্রব্যের কথাও উল্লেখ করতে হয়। এই সকল মাদকদ্রব্য মানুষকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। 

উপসংহার

মানব সভ্যতা, সমাজ তথা পৃথিবীর উপর বিজ্ঞানের যত কুপ্রভাবই থাকুক না কেন, বর্তমানে মানব সভ্যতার এই অভাবনীয় উন্নতিতে বিজ্ঞানের অবদান কোনদিন অস্বীকার করা যায় না। পূর্বোক্ত ওই বিতর্ক অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হলেও, যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে তা হল বিজ্ঞান আসলে মানুষের মনেরই বিশেষ জ্ঞান।

তাই এই জ্ঞান মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত বাসনাগুলিকেই পরিণতি দেয়। সেকারণে কোন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রয়োগ যদি সভ্যতার ধ্বংস ডেকে আনে, তাহলে মনে করতে হবে সেই ধ্বংসের পেছনে লুকিয়ে আছে প্রয়োগকারীর অসৎ মানসিক প্রবৃত্তি, বিজ্ঞান নয়। তাই সমগ্র পৃথিবীকে বিজ্ঞান থেকে নয়, বরং এই অসাধু মানসিক প্রবৃত্তি থেকে মুক্তি পেতে হবে। তবেই বিজ্ঞান প্রকৃত মানব কল্যাণে সার্থকভাবে ব্যবহৃত হতে পারবে।


বিজ্ঞানের জয়যাত্রা প্রবন্ধ রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো আপনার ব্যাক্তিগত মতামত কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান। আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার। এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম কমেন্ট করে জানান।দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো।সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট