দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা [সঙ্গে PDF]

শহুরে ব্যাস্ত জীবনের অবসরে গ্রামের শান্ত পরিবেশ কার না ভালো লাগে। মাটির রাস্তা, শস্যে ভরা সবুজ মাঠ, মাটির বাড়ি গ্রামের রূপকে এক অন্য মাত্রা দেয়। এমনই এক গ্রামে ঘুরতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাদের আজকের উপস্থাপন একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা।

একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা

ভূমিকা:

“কোন্ দেশেতে তরুলতা
সকল দেশের চাইতে শ্যামল?
কোন্ দেশেতে চলতে গেলেই
দলতে হয় রে দুর্বা কোমল?”

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রকৃতির প্রকৃত রূপ হলো মনমোহিনী। এই দেশকে সৃষ্টিকর্তা সাজিয়েছেন তার শ্রেষ্ঠতম রূপ-রস-গন্ধ দিয়ে। কিন্তু বর্তমান ব্যাপক আধুনিকায়নের যুগে উপমহাদেশের সেই মনমুগ্ধকর রূপ চোখে পড়া দায়। চারিদিকে শহুরে সভ্যতার এই ব্যাপক বিস্তারের কালে প্রকৃতির মাধুর্য তুলনামূলকভাবে অনেকখানি কমে এসেছে।

তবে এখনো ভারতবর্ষের সেই সাবেকি প্রকৃতির চালকে ধরে রেখেছে উপমহাদেশের গ্রামগুলি। আধুনিকায়নের দামামার আওয়াজ এখনো সেইসব গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছায়নি। তার অনিবার্য ফল হিসেবে গ্রামগুলি বাকি বিশ্বের তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছে একথা সত্য, তবে এর সুফল হিসেবে উপমহাদেশীয় প্রাকৃতিক ঐতিহ্যকে এখানকার গ্রামগুলি সগৌরবে লালন করে চলেছে।

গ্রামের মানুষরা এখনো উপমহাদেশের সেই সাবেকি ঐতিহ্যকে বুকে নিয়ে বাঁচে এবং বাঁচিয়ে রাখে। অতি সম্প্রতি আমার এমনই একটি গ্রাম ভ্রমণের সৌভাগ্য হয়েছিল। মনকে দোলা দিয়ে যাওয়া সেই মধুর অভিজ্ঞতার কথাই এই প্রতিবেদনে ব্যক্ত করব। 

একটি শহুরে মনে গ্রাম:

আমরা যারা শহুরে মানুষ, যারা নিজেদের সভ্যতার প্রকৃত প্রতিভূ বলে দাবি করে থাকি, আমাদেরও মন এক এক সময় শহরের এই নিরস ব্যস্ততার মাঝখানে পড়ে হাঁপিয়ে ওঠে। আমাদের মনও এক এক সময়ে এই আধুনিকতার মূর্তিমান প্রতীক শহরের জীবনযাত্রা থেকে কিছুদিনের ছুটি চায়।

যেসব মানুষ গ্রামে বাস করেন তাদের কাছে আলাদা করে গ্রামের গুরুত্ব অতি ক্ষীণ। কিন্তু শহরের মানুষের কাছে এই নিয়ত ব্যস্ত জীবনের মাঝে গ্রাম হল এক স্বপ্নের শান্তির আশ্রয়। আমার মতন মানুষ এরা নিজের কল্পনাতেও গ্রামকে চিন্তা করে শান্তি লাভ করে। আমার কাছে গ্রাম হলো জীবনের জটিলতাহীন, বাতাসে দূষণহীন পরম প্রকৃতির নিভৃত ছায়াতলে গড়ে ওঠা পবিত্র আবাস। 

গ্রাম ভ্রমণের পরিকল্পনা:

আমি খাস কোলকাতা শহরের একজন বাসিন্দা। শহরের এই ব্যস্ত জীবন থেকে একটু মুক্তির স্বাদ গ্রহণ করার জন্যে আমি মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন গ্রামের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাই। কখনো সে গ্রাম ভারতের প্রত্যন্ত দক্ষিণ অংশের ধনুষ্কোডি, কখনো আবার তা ভারতের উত্তরতম ভূ-স্বর্গ নামে সুপরিচিত কাশ্মীরের প্রান্তবর্তী কোনো গ্রাম।

এতদিন ভ্রমণের ফলে এটুকু বুঝতে পেরেছি, প্রতিটি জায়গার গ্রামের নিজস্ব স্বকীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারা থাকলেও একটি ক্ষেত্রে গ্রামগুলি অনন্য এবং অদ্বিতীয়। তা হল জটিলতাহীন মানসিকতা এবং প্রকৃতির অকৃত্রিম উদারতা। প্রসঙ্গত একটি বিষয় উল্লেখ্য তা হলো কলকাতার অন্যান্য বহু মানুষের মতন আমারও বংশের শিকড় প্রোথিত রয়েছে গ্রামে। সেই গ্রাম হল অবিভক্ত ভারতবর্ষে পূর্ববঙ্গের অন্তর্গত কুমারডিহি।

দেশভাগের সময় আমার পিতামহ সপরিবারে এদেশে চলে আসেন। অতিসম্প্রতি নিজের সেই শিকড়ের টানে আমি ছুটে গিয়েছিলাম অধুনা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত সেই ছোট্ট গ্রামে। আমার সেই গ্রামে এখনো অবশিষ্ট আত্মীয়দের কাছ থেকে ইতিপূর্বেই আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। মনটাও শহুরে জীবনের ঝঞ্ঝাটে খুব হাঁপিয়ে উঠেছিল। তাই গত পূজার ছুটিতে সেই ছোট্ট গ্রাম কুমারডিহির উদ্দেশ্যেই যাত্রা স্থির করলাম।

যাত্রাপথ:

কলকাতা থেকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরার দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। কলকাতার শহুরে রেল ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র শিয়ালদহ স্টেশন থেকে একটি মাত্র ট্রেনে করে ভারতবর্ষের প্রান্তবর্তী ছোট্ট শহরতলী বসিরহাট খানিকটা গেলেই ভারত বাংলাদেশ সীমানা। পাসপোর্ট ও ভিসার বন্দোবস্ত করা ছিল আগে থেকেই।

সীমানা থেকে দুইদেশের কাগজপত্র সংক্রান্ত কাজকর্ম মিটিয়ে সেখান থেকে সাতক্ষীরাগামী মোটরগাড়িতে চেপে বসলাম। গাড়ি সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকেই দুপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য ক্রমশ বদলে যেতে শুরু করল। চেনা শহুরে চিহ্ন ক্রমশ কমতে কমতে একসময় তা সম্পূর্ণ মুছে গিয়ে চোখে ধরা দিল সবুজ প্রকৃতি।

গাড়িতে যেতে যেতে কানে আসছিল পাখিদের কলকাকলি, গাড়ির জানালা দিয়ে বয়ে আসা বিশুদ্ধ বাতাসে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেলাম বহুদিন পর। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা সদরে পৌঁছে সেখান থেকে ভ্যানে করে পৌঁছলাম আমার প্রাণের গ্রাম কুমারদিহি।

গ্রামের বাড়িতে প্রথম দিন:

গ্রামে পৌঁছানো মাত্রই লক্ষ্য করলাম এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য আরো বেশী মনোরম। এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত। আর তার কিছুটা দূর থেকেই চোখে পড়ছে ঘন জঙ্গল। ভ্যানের চালকের কাছেই শুনলাম ওই জঙ্গল গিয়ে শেষ হয়েছে আমার দেশ ভারতবর্ষের সীমানায়। প্রকৃতির এমন মাধুর্যকে উপভোগ করতে করতে খানিকক্ষণের মধ্যেই আমার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে গেলাম।

সেখানে উপস্থিত হওয়া মাত্রই পরিচয় পেলাম গ্রাম্য আতিথেয়তার। প্রথমবারের জন্য গ্রামের বাড়িতে প্রবেশ করার পূর্বে আমাকে পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী বরণ করে নিল সেই বাড়ির আত্মীয়রা। সেই পরম আতিথিয়তায় আমি সত্যিই অনুভব করলাম তাদের সাথে আমার আত্মার টানকে। এখনও ওখানকার মানুষ খড় দিয়ে ছাওয়া মাটির ঘরে বসবাস করে।

বিদ্যুৎ এখানে পৌঁছেছে বটে, তবে তা স্থায়ীভাবে নয়। আমাকে তেমনই একটি ঘরে থাকতে দেওয়া হলো। একান্নবর্তী পরিবারের এই বাড়িটিকে চারপাশে ঘিরে আছে ঘন বাঁশবন আর দুটি পুকুর। এমন মনমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে আমার গ্রাম ভ্রমণের প্রথম দিন শুরু হলো।

ক্ষেতের আলপথ ধরে:

গ্রামে পৌঁছাবার দ্বিতীয় দিন আমার এক মামাতো ভাইকে সঙ্গী করে সকালবেলার খাবার খেয়ে গ্রাম ভ্রমণে বার হলাম। বাঁশবাগানের মাঝখান দিয়ে সরু রাস্তা ধরে একটু এগোতেই বাঁদিকে চোখে পড়ল ধানক্ষেত। সেই ক্ষেতের মাঝখানে আলপথ ধরে নাক বরাবর এগিয়ে গেলে দেখতে পেলাম একটি ছবি এঁকেবেঁকে চলেছে। লোক মুখে শুনলাম এটি বিখ্যাত কপোতাক্ষ নদ। বর্ষাকালে দু’কূল ছাপিয়ে জল কখনো কখনো ধান ক্ষেতের মধ্যেও ঢুকে পড়ে।

কখনও সেই নদের পাড় দিয়ে, কখনো বা আলপথ ধরে হাটতে হাটতে খানিক দূর গিয়ে চোখে পড়ল পানের বরজ। ভাইয়ের কাছে শুনলাম এই বরজগুলির মধ্যে আমাদের পরিবারেরও বেশ কয়েকটি রয়েছে। পানের সেই বরজ পেরিয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর আবার বাড়ি ঘর দেখা গেল। এটি একটি অন্য পাড়া। রাস্তাঘাট কিংবা বাড়িঘরের চেহারা অন্যান্য জায়গার মতই একই রকম। আকাশের দিকে চেয়ে দেখি সূর্য তখন প্রায় মধ্যগগনে। অতঃপর আবার ক্ষেতের আলপথ ধরে নদীর পাড় দিয়ে বাড়ি ফিরে আসা।

মাছ ধরার অভিজ্ঞতা:

আমরা যারা শহরে বাস করি মাছ ধরার অভিজ্ঞতা তাদের প্রায় হয় না বললেই চলে। গ্রামে থাকাকালীন আমাদের বাড়ির পুকুরে একদিন ছিপ দিয়ে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমার। পূর্বে কোনরূপ অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে আমার ছিপে মাছ ওঠেনি ঠিকই, তবে আমার পাশে অন্যান্যদের মাছ ধরতে দেখে মাছ ধরার সেই আনন্দ পুরোদমে উপভোগ করেছিলাম।

আমি কিছু না পেলেও অন্যান্য কয়েকজন তাদের বড়শিতে কয়েকটি ছোট পোনা মাছ, তেলাপিয়া আর পুঁটিমাছ গেঁথে ফেলল। তারপর সেই দিন দুপুরে রান্না হল ছিপে ধরা নিজেদের পুকুরের সেই মাছ। সে যে কি পরম আনন্দময় অনুভূতি তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না।

নদীবক্ষে একটি বিকেল:

নদীর বুকে জলপথে ভ্রমণের ইচ্ছা কার না হয়! একদিন বিকেল বেলায় কপোতাক্ষ নদের বুকে একটি ডিঙি নৌকায় চেপে এমনই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমার হয়েছিল। আজকে কোন দিন ডিঙ্গি নৌকায় চাপার অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে প্রথম দিকে বেশ ভয় ভয় করছিল। তার ওপর আমি সাঁতার জানিনা। তবে সেই ভয় অতি অল্পক্ষণের মধ্যেই চারপাশের প্রকৃতির শোভা দেখে দূর হয়ে গেল।

কপোতাক্ষ নদীর বুকে নৌকায় চেপে খানিক এগোনোর পরেই আমাদের ডিঙি ঘন জঙ্গলকে দুপাশে রেখে যেন প্রবেশ করল অন্য আরেক দুনিয়ায়। সেখানে দুপাশে জঙ্গলের গাছে গাছে কত রকমের নাম না জানা পাখি। ঘন বনের ভিতর থেকে মাঝেমধ্যে শেয়াল ডেকে উঠছে। অবশেষে আকাশী পাখিদের ঘরে ফেরার দৃশ্য দেখে সম্বিত ফিরল সন্ধ্যা নামছে। কিছুক্ষণ পর যে পথে গিয়েছিলাম সে পথ দিয়েই ফিরে এলাম। 

গ্রামের দুর্গাপূজা:

শারদীয়ার সময় যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের গ্রামের দুর্গাপুজো দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। ওখানকার কিছু কিছু বারোয়ারি পুজো প্রায় এখানকার মতই। যদিও গ্রামীণ পুজোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো একচালা প্রতিমা, আর মণ্ডপে মণ্ডপে যাত্রা কিম্বা পালাগানের আয়োজন। কখনো কখনো গোটা রাত জুড়ে পালাগানের আসর বসে।

গ্রামের বাইরে থেকে শিল্পীরা আসেন। কখনো আবার গ্রামের স্থানীয় মানুষের একতারা বাজিয়ে গান গেয়ে যান। একদিকে ঝিঝি পোকার আওয়াজ শোনা যায়, অন্যদিকে জমে ওঠে যাত্রা কিংবা গানের আসর। এই অনুভূতি এককথায় মনকে পূর্ণ করে দেয়। 

গ্রাম্য রসনাপূর্তি:

গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বর্ণনায় সেখানকার খাওয়া-দাওয়ার কথা উল্লেখ না করলে বর্ণনা একরকম অসমাপ্ত থেকে যায়। সাধারণভাবে গ্রামের খাবার শহুরে বাঙ্গালীদের মতন হলেও, স্বাদে ও গন্ধে গ্রাম্য বৈশিষ্ট্য বিশেষভাবে চোখে পড়ে। এই বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে গ্রামীণ জল-হাওয়া ও মাটির বিশুদ্ধতার গুণে।

এখানকার ভেজালহীন শাকসবজি খাবারের স্বাদে এক আলাদা মাত্রা এনে দেয়। তাছাড়া শহরে যে ধরনের খাবার আমাদের সবসময় খাওয়া হয়না তেমন কিছু খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগও আমার হয়েছিল। যেমন বাড়ির পুকুরের কাঁকড়া, ধানক্ষেত থেকে ধরা চিংড়ি, বন মোরগের মাংস ইত্যাদি। ওখানকার গ্রামের হাতে তৈরি করা বাতাসার স্বাদ হয়তো কখনো ভুলতে পারবো না। 

উপসংহার:

মুক্ত প্রকৃতির বুকে পরম-সুন্দর এমন পরিবেশে বেশ কিছু দিন কাটিয়ে আমি আবার আমার অতি পরিচিত শহর জীবনে ফিরে এসেছিলাম। সাথে করে নিয়ে এসেছিলাম সারা জীবনের মতন একরাশ স্মৃতি, আর ফেলে এসেছিলাম আমার শহুরে জীবনের সকল অহংকার আর বুকভরা ভালোবাসা।

ফেরার পরে কিছুদিন শহরের ব্যস্ত জীবনের সাথে মানিয়ে নিতে কিছুটা অস্বস্তিও হয়েছিল। ঠিক করেছি অতি শীঘ্র আরো একবার ফিরে যাব আমার প্রিয় সেই গ্রামে প্রকৃতির বুকের কাছে মাটির গন্ধ নিতে। ততদিন আমার স্মৃতিপটে বাংলাদেশের গ্রাম ভ্রমণের এই অভিজ্ঞতার কথা অক্ষুন্ন হয়ে থাক।


একটি গ্রাম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান। আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার। এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম আমাদের কমেন্ট করে জানান। দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো। সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট