সময়ের মূল্য রচনা [Somoyer Mullo Essay in Bengali] With PDF

লিখেছেন: Rakesh Routh

নদীর স্রোতের মতো প্রবাহমান সময় বয়ে চলেছে প্রতিমুহূর্তে। কারো জন্য সে থেমে থাকেনা। জীবনে সাফল্যের মূলমন্ত্রই হল সময়ের সঠিক ব্যবহার।মহামূল্য সময়কে যে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে জানে,সেই পারে সাফল্য অর্জন করে নিতে।

আর যারা সময়ের মূল্য বোঝেনা তারা জীবনে কখনও সুখী হতে পারে না।তাই সময় থাকতে সময়ের সঠিক ব্যবহার করে সাফল্য অর্জন করা আমাদের জীবনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। এ নিয়ে আজকের বিষয় সময়ের মূল্য রচনা

সময়ের মূল্য রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

বলিছে সোনার ঘড়ি, “টিক্ টিক্ টিক্,
যা কিছু করিতে আছে, করে ফেল ঠিক।
সময় চলিয়া যায়-
নদীর স্রোতের প্রায়,
যে জন না বুঝে, তারে ধিক্ শত ধিক।”
বলিছে সোনার ঘড়ি, “টিক্ টিক্ টিক্।”

_যোগেন্দ্রনাথ সরকার

নদী প্রবাহমান।সময়ও প্রবাহমান। ঠিক যেমন নদীর স্রোত ফিরে আসে না তেমনি সময় কখনও পিছন ফিরে তাকায় না।এগিয়ে চলাই তার কাজ।তার নিরন্তর এগিয়ে চলার লক্ষ্যই বুঝি – ‘ হেথা নয়,অন্য কোথা, অন্য কোথা,অন্য কোনো খানে।’ 

যা আমরা দ্বিতীয়বার ফিরে পাইনা তার সদ্ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।তার যে মুহূর্ত এখন নাগালের মধ্যে,চোখের পলক ফেলার আগেই তা চলে যায় আমাদের ধরা ছোয়ার বাইরে চিরতরে।কারোর জন্য সময় থমকে থাকেনা। কোনো শর্তেই তাকে আটকে রাখা যায় না। তাই সময় মহার্ঘ, এবং ভীষণ মূল্যবান।মানুষের আয়ুষ্কাল অন্তহীন নয়।

দীর্ঘায়ু বা স্বল্পায়ু —সকলেরই জীবন প্রদীপ নিভে যাবে। বিপুলা পৃথিবীর জ্ঞানভান্ডার অসীম, কর্মযজ্ঞও অপরিসীম। কোন ব্যক্তি এই জ্ঞানভান্ডার নিঃশেষ করতে পারেনা অথবা কর্মযজ্ঞও সমাপ্ত করতে পারে না। ঠিক এই কারণে সকলেরই সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন হওয়া উচিত।

সময়ের সদ্ব্যবহার করে জ্ঞান ও কর্মের পারদর্শিতা অর্জনের চেষ্টা করা উচিত। কুবেরের ধন ভান্ডারের বিনিময়েও হারিয়ে যাওয়া সময় ফিরে পাওয়া যায় না। তাই সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন না হলে জীবনের ব্যর্থতা অনিবার্য।।

সময়ানুবর্তিতা:

যারা সময়ের সঠিক মূল্য বোঝে তারা সময়কে সঠিক কাজে লাগায়। বিভিন্ন সময়ে বিদ্বজনেদের থেকে আমরা সময়কে সঠিক ভাবে ব্যাবহার করবার উপদেশ পেয়ে থাকি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজ করা প্রয়োজন।

কারণ সময় মেনে কাজ করার অভ্যেস হল সময়ানুবর্তিতা। যারা জীবনে সফল হয়েছেন,খ্যাতিমান হয়েছেন তাদের বিশেষ গুণ হলো, তারা প্রত্যেকেই সময়ানুবর্তী। অলসতায় সময় নষ্ট করা তাদের স্বভাব বিরুদ্ধ। সময়ের সঠিক মূল্য নিরুপন করতে না পারলে কখনও সাফল্য অর্জন করা যায়না। সময় থাকতে সময়ের যথাযথ ব্যবহারই সাফল্য প্রধান চাবিকাঠি।

সময় এবং কর্তব্য:

আমাদের জীবনের তিনটি অবস্থা খুব সুস্পষ্ট। শৈশব, বাল্য ও কৈশোর আমাদের দেহে মনে সফল হয়ে ওঠার সময়। এই সময় আমাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরা আমাদের সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন করে তোলেন। কেননা এই কালই সময়ের মূল্য সম্বন্ধে নিজেদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলবার আদর্শ সময়।

যৌবন থেকে প্রৌঢ়ত্ব পর্যন্ত আমাদের কর্মজীবন। এই কাল সংসার ধর্ম পালনের এবং এরপর বার্ধক্য যাপনের। মানুষের বার্ধক্যকাল প্রকৃতপক্ষে অবসর যাপনের সময়রূপে পরিচিত। এই অবসরযাপনকে নির্ঝঞ্ঝাট করে তোলার জন্যে সমগ্র জীবন জুড়ে সময়কে যথাযথভাবে প্রয়োগ করে কর্মের পালন এক অবশ্য কর্তব্য।

সেই কর্ম আধ্যাত্ম বিষয়ক অথবা সমাজসেবামূলক অথবা জ্ঞান সাধনা মূলকও হতে পারে। শৈশব থেকে বিদ্যার্জন এবং অন্যান্য অনুশীলন দ্বারা আমরা নিজেদের কর্মজীবনের জন্য উপযোগী করে তুলতে পারি। সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন না হলে আমরা কর্মজীবনের উপযোগী হয়ে উঠতে পারি না এবং পারবো না।

অনুরূপভাবে জীবনে সংসার ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে আমরা যদি সময়ের মূল্য না বুঝি অর্থাৎ সময়ের সদ্ব্যবহার না করি তবে আমাদের সংসার জীবনও ব্যর্থ হয়। ফলে বার্ধক্যের জীবন সুখের হয় না। বার্ধক্যের অবসরকেও যদি আমরা উপযুক্ত কর্মে নিযুক্ত না রাখি তাহলে বার্ধক্যের জীবনের পীড়াদায়ক হয়ে ওঠে। নিজেকে নানা কর্মে নিযুক্ত রাখতে হলেও সময়ের মূল্য সম্বন্ধে আরো বেশি সচেতনতা প্রয়োজন।

সময় এবং কর্ম: সুখের চাবিকাঠি

শুধু বেশিদিন বেঁচে থাকাই জীবন নয়; বরং মানুষের কর্মসমষ্টিই হলো তার আসল জীবন। এবং এই কর্মের পর্বত আরোহনের প্রধান শেরপা হলো সময়ের যথাযথ প্রয়োগ। সংসারের প্রত্যেকের একটি নির্দিষ্ট কাজ আছে। নির্দিষ্ট সময়ে সেই কাজ না করলে অথবা অবহেলা করলে আমাদের কর্মবিমুখতা আসে।

সময়ের মূল্য সম্বন্ধে এই ঔদাসীন্যই জীবনকে কর্মবিমুখ করে তোলে। কর্মবিমুখ হলে ব্যক্তিজীবনে অথবা সমাজ জীবনে ব্যর্থতা অনিবার্য। তাছাড়া এমন কর্মবিমুখ জীবনে মানুষের মস্তিস্ক তার প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়ে হয়ে ওঠে অলস।

আর জীবনে ক্ষমতাহীন অলস মস্তিষ্কের ব্যবহারিক প্রয়োগ জীবনকে করে তোলে দুর্বিষহ। তাই একথা বলাই বাহুল্য যে ভবিষ্যৎ তথা বর্তমানের সুখের একমাত্র চাবিকাঠি হলো সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে জীবনের প্রয়োগ।

সময় মূল্যবান হওয়ার কারণ:

অন্তহীন সময়ের কাছে আমাদের মানবজীবন নিতান্ত সীমাবদ্ধ। অনন্ত মহাকালের বুকে মানুষ তার জীবনে পায় অতি সামান্য কিছু দুর্লভ সময়। জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে সীমিত এই সামান্য কিছু সময় যা দেখতে দেখতে পেরিয়ে যায়।

সময় সদা ধাবমান , কারো কোনো অনুরোধ বা অর্থ দিয়ে সময়কে আটকে রাখা যায় না। সেজন্যেই এর এত বেশি গুরুত্ব; এত কদর। সময়ের প্রত্যেক মুহূর্তকে জীবনে সঠিক ভাবে কাজে লাগানোর এত প্রচেষ্টা তো সেজন্যেই।

সময় সচেতনতার গুরুত্ব:

ইংরেজিতে একটি প্রবাদ রয়েছে time is money . কথাটির বিশেষ গুরত্ব আছে।সময়ের সঠিক ব্যবহার জীবনে এনে দিতে পারে আর্থিক সমৃদ্ধি। আক্ষরিক অর্থে সময় অর্থের প্রাপ্তি না ঘটালেও সময় নিঃসন্দেহে এক মূল্যবান সম্পদ।

অর্থ বা সম্পত্তি হারিয়ে গেলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়, হারানো স্বাস্থ্যও ফিরে পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু পেরিয়ে যাওয়া সময় কোনো মূল্যেই আর ফিরে পাওয়া যায়না। পৃথিবীর সমগ্র ধনরাশির বিনিময়েও অমূল্য সময়কে কেনা যায় না। তাই সময়ের মূল্য না বুঝলে সমগ্র সমাজের ক্ষতি হয়।

সময় অমূল্য:

 সময়ের নিয়ত অবহেলায় ঘটে চলা সামাজিক ক্ষতিকে আমাদের নিত্যদিনের অভিজ্ঞতায় আমরা প্রত্যক্ষ করতে পারি। ট্রেন বাস তথা যানবাহন সময় মতো না চললে স্কুল-কলেজ ও কর্মস্থলে সময়মতো পৌঁছানো যায় না। হাসপাতালে সময়মতো চিকিৎসক আসেন না। রোগীরা অসহায় ভাবে কপাল ঠোকেন।

মুমূর্ষু রোগীদের বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হয়। বহু অফিসে কর্মকর্তা ও করনিকেরা সময়মতো হাজির হতে পারেন না। ফলে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের উপভোক্তাদের সমূহ অসুবিধার মুখে পড়তে হয়। অর্থাৎ সময় সম্পর্কে সামান্য ঔদাসীন্য সমাজ তথা সমগ্র জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে।

এমন বহু দৃষ্টান্ত আমাদের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। তাই নির্ধারিত সময়ে সঠিক কাজের অভ্যেস করা উচিত। ছাত্রজীবনে শিক্ষা গ্রহণ,তারপর কর্মজীবনে দায়িত্ব কর্তব্য সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে পালন করা উচিত।এ প্রসঙ্গে পবিত্র বাইবেলে বলা হয়েছে,‘এই পৃথিবীতে প্রত্যেক কাজের একটা উদ্দেশ্য, একটা কাল ও একটা সময় আছে।’জীবনের এই ক্ষুদ্র পরিসরে সময়ের সঠিক ব্যবহার ভীষণ প্রয়োজন।

সময়ের অপচয় করার কুফল:

প্রবাহমান সময় এক অমূল্য সম্পদ।অথচ সময় সম্পর্কে প্রতি সচেতন না হওয়ার কারণে আমরা নানা ভাগ্য বিপর্জয়ের সম্মুখীন হই।আমরা জেনে না জেনে নানাভাবে সময় অপচয় করে থাকি। অনেক অলস ব্যক্তি ও সময়ের অভাবের কথা বলেন। ভবিষ্যতে করা হবে বলে যারা বর্তমানের কাজ তুলে রেখে দেন তারাই সময়ের অভাবের কথা বলেন।

রবীন্দ্রনাথ সময়ের মূল্য সম্বন্ধে খুব সচেতন ছিলেন বলে এক মুহূর্ত সময় অপব্যবহার করতেন না। হলে সংস্কৃতির সকল ক্ষেত্রে পদচারণা করেও তিনি বিশ্বভারতীর মত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছেন। সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন হলে জীবনে একটা কর্মসূচি গড়ে ওঠে।এই কর্মসূচির কল্যাণেই কর্মব্যস্ত মানুষের আয় সময় পান, অথচ অলস ব্যক্তিরা সময় পান না।

নোবেলবিজয়ী বৈজ্ঞানিক সি.ভি রমন পিয়ানো বাজানোর সময় পেতেন। সত্যেন্দ্রনাথ বোস এর মত কর্মব্যস্ত বৈজ্ঞানিক বেহালা বাজানোর সময় পেতেন।রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র বসু ,সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রমুখের নিজেদের মতো করে কর্মসূচি রচনা করেছিলেন এজন্য তারা সময় পেতেন। আমাদের জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লক্ষ্য অপেক্ষা উপলক্ষ্য বেশি প্রাধান্য পায়। উপলক্ষ্য নিয়ে মাতামাতি করে সময়কে নষ্ট করি।

যা আমাদের সাফল্যের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।সময় যথাযথ কাজে না লাগানোর জন্য আমাদের কাঙ্ক্ষিত ইচ্ছা পূরণ হয় না।উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বিফলে যায়।সময় অপচয়ের কুফল সারাজীবন ধরে ভোগ করতে হয়।সময়ের মূল্য যারা বোঝে না তাদের জীবনে হতাশা ব্যর্থতার গ্লানি অবশ্যম্ভাবী।

উপসংহার:

সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতনতার অর্থ সর্বদা কাজ করা নয়। জীবনে অবকাশ তথা আমোদ-প্রমোদেরও বিশেষ প্রয়োজনীয়তা আছে। অবকাশ ও আমোদপ্রমোদ ক্লান্তি দূর করে আমাদের শরীর ও মনকে সতেজ করে তোলে। তাই অবসর যাপন এবং আমোদপ্রমোদ কে সর্বক্ষেত্রে সময়ের মূল্য সম্বন্ধে ঔদাসীন্যের প্রকাশ বলে অভিহিত করা উচিত নয়

তবে কর্মসূচিহীন জীবনে শুধুমাত্র অবকাশ ও বিনোদন নিয়ে মেতে থাকার প্রবণতা অবশ্যই নিন্দনীয় এবং তা জীবনে সময়ের মূল্য সম্বন্ধে ঔদাসীন্যের পরিচায়ক। কালস্রোতে জীবন যৌবন ধন মান সবকিছুই ভেসে যায়। কালস্রোত দুর্নিবার। একে রোধ করার ক্ষমতা মানুষের নেই। কেবলমাত্র মানুষের কর্ম বা কীর্তিই কালের বুকে নিজের শুভ্র সমুজ্জ্বল চিহ্ন রেখে যায়।

ঠিক যেমন বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের চিহ্নমাত্র আজ অবশিষ্ট নেই। কিন্তু বহু শতাব্দী পরেও কালের বুকে শুভ্র সমুজ্জ্বল তাজমহল সম্রাটের অমর কীর্তির কথা সগৌরবে ঘোষণা করছে আজও। সেজন্য মানবজীনকে স্বার্থক করতে আমাদের প্রত্যেকের মূলমন্ত্র হওয়া উচিত-‘Work while you work, play while you play, And that is the way to be happy and gay. 


সময়ের মূল্য রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো আপনার ব্যাক্তিগত মতামত কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান।আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার।

এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম কমেন্ট করে জানান।দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো।সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আর পড়ুন

শ্রমের মর্যাদা

উল্লেখ: https://en.wikipedia.org/wiki/Value_of_time

Print Friendly, PDF & Email
লেখক পরিচিতি
Rakesh Routh
রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

পরবর্তী পড়ুন

একটি রাজপথের আত্মকথা রচনা [সঙ্গে PDF]

আমাদের প্রতিদিনের যাওয়া আসার ব্যাস্ত পথ তার অন্তরে ইতিহাসের কত স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে তা শুধু সে একাই জানে। মাটির […]

স্বেচ্ছায় রক্তদান রচনা [সঙ্গে PDF]

কোনো মানুষের বিপদে তার পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া একজন আদর্শ মানুষের পরিচয়। প্রতি মুহূর্তে একবিন্দু রক্তের জন্য […]

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা [সঙ্গে PDF]

যে কোনো জাতির শিক্ষা ও সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হল সেই জাতির কবি ও সাহিত্যিক। বাঙালি কবি, লেখক, বা সাহিত্যিক বললেই […]

বিশ্ব পরিবেশ দিবস রচনা [সঙ্গে PDF]

দিন দিন দূষণ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমাদের পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। সমস্ত প্রাণী জগৎ বিভিন্ন মারণ রোগের শিকার […]

পিতামাতার প্রতি কর্তব্য রচনা [সঙ্গে PDF]

যারা আমাদের এই পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে, যথাযথ লালন পালনের মধ্য দিয়ে বড়ো করেছেন, যাদের স্নেহ, ভালোবাসা, শাসন আমাদের জীবনকে সঠিক […]

আমার প্রিয় শিক্ষক রচনা [সঙ্গে PDF]

আমাদের প্রত্যেকের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষক থাকেন, তাঁরা প্রত্যেকেই আমাদের শিক্ষাদানের মধ্য দিয়ে জীবনের সঠিক পথ প্রদর্শনে সহয়তা করেন। তাঁরা প্রত্যেকেই […]

2 comments on “সময়ের মূল্য রচনা [Somoyer Mullo Essay in Bengali] With PDF”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Proudly Owned and Operated by Let Us Help You Grow Online ©️