দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

করুণাময় যীশু খ্রীষ্ট রচনা [সঙ্গে PDF]

 

বাংলা রচনা নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ই-বুক। একান্ত নির্ভরযোগ্য প্রবন্ধ রচনার উত্তরসহ সাজেশন। অতি সামান্য মূল্যে এই বইটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

যুগ যুগ ধরে পৃথিবীতে মানবসমাজ কে মুক্তির আলো দেখাতে বহু মহামানব আবির্ভূত হয়েছেন, যিশুখ্রিস্ট তাঁদের মধ্যে অন্যতম। যখন মানুষ ছিল দিশাহীন,ছিল শক্তিমানেদের নিষ্ঠুর সীমাহীন ঔদ্ধত্য , তখন করুণাময় যিশু এসেছিলেন প্রেম ও শান্তির বার্তা নিয়ে। আজ তাঁকে নিয়ে আমাদের উপস্থাপন করুণাময় যীশু খ্রীষ্ট রচনা।

যীশু খ্রীষ্ট রচনা

ভূমিকা:

“অন্ধকারের উৎস হতে , উৎসারিত আলো”।

ঘন পুঞ্জিভূত অন্ধকারে আলোর উৎসের মতই খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দে আবির্ভাব হয় এক এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের, যিনি যীশু খ্রীষ্ট নামে পরিচিত। প্রথম শতাব্দীতে তিনি ছিলেন একজন ইহুদি ধর্ম প্রচারক। ক্রমশ তিনি ধর্মীয় নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ছিলেন অপার জ্ঞানের পূজারী।

ধর্মকে কুসংস্কারের বন্ধন থেকে বার করে যতটা সম্ভব উজাড় করে তিনি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তার অনুগামীদের মধ্যে। তিনি এই বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি ধর্মবিশ্বাস খ্রিস্টধর্মের মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সকল মানুষ বিশ্বাস করেন তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং ঈশ্বরের দূত। তার জন্ম হয়েছিল আনুমানিক ৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ইহুদি রোমান সাম্রাজ্যের বেথেলহেমে।

অনেকে যীশুখ্রীষ্টকে এক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে ও সম্বন্ধিত করেছেন; আবার অনেকে করেননি। তবে ইতিহাস যাই হোক না কেন চিরাচরিত ধর্মবিশ্বাসের প্রতি যীশুর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল কিছুটা অন্যরকম। সেই  দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি অনেক মানুষকে জীবন মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। আজও প্রতিটি খ্রিষ্টধর্মের অনুগামীরা তার দেখানো পথ অনুসরণ করে চলেছে পরম নিষ্ঠাভরে।

 

বাংলা রচনা নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ই-বুক। একান্ত নির্ভরযোগ্য প্রবন্ধ রচনার উত্তরসহ সাজেশন। অতি সামান্য মূল্যে এই বইটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

যীশু খ্রীষ্টের ইতিহাস:

আগেই বলা হয়েছে যে যীশুখ্রীষ্ট ছিলেন এক অন্যতম ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। কিন্তু ধর্মের যীশু খ্রীষ্ট এবং ঐতিহাসিক যিশুখ্রিস্টের মধ্যে কতটা তফাৎ, তা শুধু খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেল পড়লেই অনুধাবন করা যায়। তিনি ছিলেন এক ইহুদি ধর্মপ্রচারক। তিনি তার প্রচার শুরু করেছিলেন প্রথমে মৌখিকভাবে। শিশুরা প্রায়শই তার কাছে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা ধর্মের কাহিনী তথা মনুষ্যত্বের কাহিনী শুনতেন।

আস্তে আস্তে তার প্রচার সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তার এই মানবতার আদর্শের কারণে শুধুমাত্র খ্রিস্টানরা নয় আজ বিশ্বের প্রতিটি কোনায় মানুষরা জীবনের কোনো না কোনো ক্ষেত্রে যীশু কে অনুসরণ করে। শিশুদের সাথে তার ছিল বন্ধুর মতো আচরণ। কখনও কখনও তিনি নানা বিষয় নিয়ে তাঁর শিষ্যদের সাথে তর্ক বিতর্কে করতেন এবং তার শিষ্যরা তার কাছে খোলা মনে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করতেন।

যীশু খ্রীষ্ট শুধুই একজন ধর্মপ্রচারক নন, তিনি ছিলেন একজন সার্থক শিক্ষক। তাছাড়া একথাও কথিত আছে যে তিনি অনেক অসুস্থ মানুষকে তার অলৌকিক ক্ষমতা দ্বারা আরোগ্য দান করেছেন।

যিশুখ্রিস্টের জন্ম:

খ্রিস্টান লোকগাথা অনুসারে প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে ২৫শে ডিসেম্বরের এক শীতল রাতে দেবদূত যিশুখ্রিস্টের জন্ম হয় জেরুজালেমের কাছে বেথলেহেম নামক স্থানে। যিশুখ্রিস্টের পিতা জোসেফ ছিলেন অতি দরিদ্র্য এক মেষপালক।

এই দারিদ্রতার কারণে গর্ভবতী স্ত্রী মা মেরী কে নিয়ে আস্তাবলে আশ্রয় নেন। এই আস্তাবলেই মহাপ্রাণ যীশুর জন্ম গ্রহণ হয়। দারিদ্র্যের জন্য কোন দিনই যীশু তথাকথিত পড়াশোনা করার সুযোগ পাননি। তিনি ঘুরে ঘুরে নানান জায়গায় বিভিন্ন ধর্মপ্রচারকের কাছে গিয়ে তার জ্ঞান অর্জন করেন এবং পরবর্তীকালে অনেক অল্প বয়সে নিজে একজন ধর্ম প্রচারক এবং ধর্মীয় নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

যিশুখ্রিস্টের ধর্ম মত:

যীশু ছিলেন দিব্যজ্যোতি দ্বারা আলোকিত একজন পুরুষ। সেই কারণে অপর মানুষের কাছে তিনি ছিলেন আলোর পথের দিশারী। তিনি তার প্রখর বুদ্ধি দিয়ে প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের মধ্যে নানা ভ্রান্তি চিহ্নিত করেন এবং সেই অসাড়তা গুলিকে দূরীভূত করার দিকে জোর দেন। যীশু খ্রীষ্ট তার সমকালীন নানা ধর্মগ্রন্থ আয়ত্ত করেন সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায়।

তার পড়াশোনা এবং চিন্তার ফলে লব্ধ জ্ঞান তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দিতে থাকেন অকাতরে। মানব প্রেমের মূর্ত প্রতীক ও মৃদু স্বভাবের কারণে দিনের পর দিন তার অনুগামী ও শিষ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তার শিশুদের কাছে তিনি বলেন ঈশ্বরই সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা এবং ঈশ্বরই আমাদের পিতা।

ঈশ্বর হলেন স্বয়ং ক্ষমার আধার। সেই পরম সৃষ্টিকর্তার কাছে জীবনের সমস্ত কিছু উজার করে দেওয়াই জীবনের পরম ধর্ম হওয়া উচিত। যীশু বলেছিলেন নিজের কর্মে একান্তমনে আত্মনিয়োগ করাই প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরকে আরাধনা করার রূপ। 

যীশুর মৃত্যু:

যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত আছে। তবে প্রচলিত মতগুলির মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় সেটি হল যীশুর ক্রুশ বিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হওয়ার কাহিনীটি। এই কাহিনী অনুসারে প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসের থেকে তুলনামূলকভাবে পৃথক বিশ্বাস পোষণ করার কারণে একসময় ইহুদীদের সাথে তার মতের ফারাক তৈরি হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন। ইহুদি শাসক কতৃপক্ষের বিচারে তাকে মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা দেওয়া হয়।

এরপর কিছুদিন যীশুকে সমকালীন রোমান সরকারের অধীনে জেলে বন্দি করে রাখা হয়। বন্দিদশায় অকথ্য শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার, দমন-পীড়ন ও লাঞ্ছনার মাধ্যমে তাকে মানসিক ভাবে তাকে দুর্বল করে দেবার চেষ্টা করা হয়। বেশ কিছুদিন এই অত্যাচারের পর একদিন এক রোমান গভর্নর পন্টিয়াস পিলাতের আদেশে তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়।

আবার ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী যীশু খ্রীষ্ট প্রকৃতপক্ষে ক্রুশবিদ্ধ হননি। তিনি সশরীরে স্বর্গারোহণ করেছিলেন। তার জায়গায় রোমান শাসকবর্গের ভ্রান্তিবশত ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিল যীশুর একজন ক্রুশবাহক। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যীশু ক্রুশবিদ্ধ হবার পর পুনরায় বেঁচে ওঠার কাহিনীটিও প্রচলিত আছে।

যিশুখ্রিস্ট সংক্রান্ত লৌকিক বিশ্বাস:

যীশু খ্রীষ্ট সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন লোকগাথা প্রচলিত রয়েছে। এগুলির মধ্যে অধিকাংশই অলৌকিক হলেও বর্তমানে এগুলিকে যীশু খ্রীষ্ট তথা খ্রিস্টধর্মের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ রূপে গণ্য করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য খ্রিষ্টধর্মের অন্তর্ভুক্ত কিছু উল্লেখযোগ্য বাণী প্রচারিত আছে যেমন মা মেরীর সতী অবস্থায় তার গর্ভে ঈশ্বর-জাত যীশুর স্থাপনা হয়। তারমধ্যে জন্মকাল থেকেই এক অলৌকিক প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।

তিনি নানারকম কার্য সাধন করতে পারতেন যা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। মনুষ্যত্বের পাপ স্খলনের জন্য তাকে ক্রুশবিদ্ধ ও হতে হয়। তার অনুগামী বাসির সুরা বিশ্বাস করতেন যে একমাত্র যীশুই পারেন ঈশ্বরের সাথে মানবজাতির পুনর্মিলন ঘটাতে। মৃত্যুর আগে তিনি সকলকে পাপ মুক্ত করে যেতে চেয়েছিলেন। সকলের বিশ্বাস মৃত্যুর আগে ঈশ্বর তাদের পাপ এবং পুণ্যের বিচার করবেন।

আবার খ্রিস্ট ধর্মের অপর একটি বিশ্বাস অনুযায়ী যিশুখ্রিস্টের পুনর্জন্ম হবে। তখন তিনি সকলের অন্যায়ের বিচার করবেন। প্রতিবছর পৌষ ২৫ শে ডিসেম্বরের দিনটি বড়দিন হিসেবে উদযাপন করা হয়। তার ক্রুষ আরোহণের সম্মানে গুড ফ্রাইডে ও পুনরুত্থানের সম্মানে ইস্টার পালন করা হয়। বিশ্বজুড়ে তারিখ নির্ধারণের প্রমাণ সময় ‘খ্রিস্টাব্দ’ যিশুখ্রিস্টের জন্মের তারিখকে মাথায় রেখেই প্রচলিত হয়।

যীশু খ্রীষ্টের বাণী:

প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে যীশু একজন অলৌকিক শক্তির অধিকারী ছিলেন। এই বিশ্বাসের কথা দেশ থেকে বিদেশে অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে তাঁর জনপ্রিয়তা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে বাড়তে থাকে। তিনি নানা ধর্মগ্রন্থ পাঠ করে নিজের কিছু বানী অনুগামীদের এবং শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দেন। এরমধ্যে তার প্রথম ও প্রধান বাণী হল : অকারণে নিজেদের মধ্যে বিদ্বেষ যেন না তৈরি হয়।

কেউ ভুল করলে তাকে যেন আমরা মুক্তমনে তার সকল ভুল সংশোধন করার সুযোগ করে দি। অন্য মানুষের যে ব্যবহার আমাদের কষ্ট দেয় তাকে যেন আমরা ক্ষমা করে দিই। নিজেকে সবসময় ঈশ্বরের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। নিজের নিত্যদিনের কাজ নিষ্ঠাভরে সম্পন্ন করা উচিত কোন ফলের আশা ছাড়াই।

যীশুখ্রীষ্ট সবসময় বলতেন চোখ মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান অংশ আমরা যা দেখি, তাই শুনি এবং সেটাই শিখি। তাই আমাদের সকলের দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যেকের প্রতি ন্যায্য ও যথাযথ হওয়া উচিত। আমাদের ভেতরে যে দীপ্তি আছে তা যেন আমরা সবসময় সকলের সাথে ভাগ করে নিতে পারি। 

খ্রিস্ট জন্ম উদযাপন:

 যিশুখ্রিস্টের জন্ম তিথি উপলক্ষে প্রতিবছর ২৫শে ডিসেম্বর তারিখটিকে ক্রিসমাস হিসেবে পালন করা হয়। যীশু খ্রীষ্ট মূলত খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু হলেও ক্রিসমাস শুধু খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের উৎসব নয়। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি ধর্মের মানুষই দুঃখ ভুলে এই দিনে আনন্দে মেতে ওঠেন। প্রত্যেকের ঘরে ঈশ্বর পুত্র যীশুর দীপ্তি সঞ্চারিত হয়।

কেক, মিষ্টি, ফল নানারকম আহারের মাধ্যমে ভাগ করে নেওয়া হয় আনন্দ। এইসময় পথঘাট সাজিয়ে তোলা হয় আলোকসজ্জার দ্বারা। বাড়ির ছোটরা এই দিনে সান্তাক্লজের থেকে উপহার পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। বাড়ির সামনে ক্রিসমাস ট্রি দ্বারা সাজানো হয়। গির্জায় গির্জায় গান এবং প্রার্থনার মাধ্যমে যিশুখ্রিস্টের পবিত্র জন্মকে উদযাপন করা হয়।

উপসংহার:

শুধুই খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের মানুষের মধ্যেই যিশুখ্রিস্টের বিশ্বাস প্রচলিত আছে এমনটা নয়। মহামানব যিশুখ্রিস্টের আদর্শ রয়েছে আমাদের সকলের মধ্যে। তার নির্ভীক চরিত্র, ঈশ্বরের প্রতি পরম ভালোবাসা, ক্ষমাপরায়ন মানসিকতা সমগ্র মনুষ্য জাতিকে এক প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে।

সেই কারণেই যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যুর দুই সহস্রাব্দ অতিক্রান্ত হলেও ঠিক একইভাবে আজও আমরা যিশুখ্রিস্টের অস্তিত্বকে নিজেদের মনে অনুভব করি। যে মানুষ মৃত্যুর আগে তার ঘাতকদের ক্ষমা করে যেতে পারেন, তিনি স্বয়ং সর্বশিক্ষা এবং সর্বশক্তির আধার। এমন মহামানবকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না; যীশু খ্রীষ্টের মৃত্যু নেই। তার প্রচারিত বাণী এবং বিশ্বাসকে মনের মনিকোঠায় নিয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি আমাদের জীবনের পথে।


করুণাময় যীশু খ্রীষ্ট রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান। আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার। এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম আমাদের কমেন্ট করে জানান। দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো। সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

 

বাংলা রচনা নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ই-বুক। একান্ত নির্ভরযোগ্য প্রবন্ধ রচনার উত্তরসহ সাজেশন। অতি সামান্য মূল্যে এই বইটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট