মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদান প্রবন্ধ রচনা [PDF]

লিখেছেন: Rakesh Routh

"মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা!" যেকোনো মানুষের কাছেই তার মাতৃ ভাষা গর্বের বিষয়।কিন্তু বর্তমান সময়ে অভিভাবকরা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইংরেজি ভাষার প্রতি বেশি জোর দিচ্ছে।সহযোগী ভাষা হিসেবে ইংরেজি বা অন্য কোনো ভাষা পড়া ও শেখার প্রয়োজন রয়েছে।কিন্তু শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল ভাষা মাতৃভাষা হওয়ায় উচিত। এ নিয়ে আজকের প্রবন্ধ রচনা মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদান।

মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদান প্রবন্ধ রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

মাতৃভাষা শব্দটি কোনও ব্যক্তির মায়ের ভাষাকে বোঝায়। একজন শিশু জন্মের পর থেকেই তার মাকে সব থেকে কাছে পায়। মায়ের কাছ থেকেই শুরু হয় তার শিক্ষার হাতেখড়ি। জন্মের পর থেকে তার মায়ের বলা ভাষাই সে প্রথম রপ্ত করতে শেখে।

তাই মাতৃভাষা বলতে শুরুতেই আমরা বুঝি একজন মানুষের নিজের ভাষা, যে ভাষায় মানুষ প্রথম কথা বলতে শেখে। মাতৃভাষা একজন শিশুকে তার পরিচয় এবং ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করতে শেখায়। মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের গুরুত্ব অনেক। 

যেহেতু জন্মের পর থেকে একজন মানুষ মাতৃভাষায় কথা বলা শেখে, যার কারণে এই ভাষার ব্যবহার, বচনশৈলী, ব্যকরণ ইত্যাদি রপ্ত করা তার জন্য খুব সহজ ও দ্রুত হয়। ফলে মাতৃভাষায় শোনা গান, গল্প কিংবা পড়াশোনা একজন মানুষের জন্য সহজেই বোধগম্য হয়ে উঠে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘শিক্ষায় মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধ স্বরুপ।‘ অর্থাৎ একজন সন্তানের জন্য মাতৃদুগ্ধ যেমন সব থেকে উৎকৃষ্ট খাবার তেমনি মাতৃভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম। 

মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের ব্যবস্থাঃ

মাতৃভাষায় শিক্ষাদান যে একান্ত প্রয়োজনীয় সে বিষয়ে কারো কোনো দ্বিমত নেই। বর্তমান শিক্ষাব্যবিস্থায় আমাদের দেশে প্রাথমিক শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সর্বস্তরেই মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অফিস-আদালতেও ইংরেজির পাশাপাশি বর্তমানে মাতৃভাষাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে উচ্চতর শিক্ষাতেও বিদেশি ভাষার পাশাপাশি মাতৃভাষাকে প্রাধাণ্য দিতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। 

মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের গুরুত্ব:

‘শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড‘। মানুষের মেরুদন্ডের মতো শিক্ষাকেও একটি জাতির অন্যতম একটি  অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ একটি জাতির উন্নতির শীর্ষে আরোহণের পেছনে একমাত্র শিক্ষাই সব থেকে বেশী অবদান রাখতে পারে।

কিন্তু আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এরকম সন্তোষজনক কোনো চিত্র আমরা দেখতে পাইনা। তার অন্যতম একটি কারন হচ্ছে বিদেশি ভাষায় শিক্ষাদান। বিদেশি ভাষা সম্পর্কে জানা নির্দ্বিধায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কিন্তু, গবেষকদের মতে, মাতৃভাষায় শিক্ষাদান শিশুদের একাডেমিক কর্মক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। কারণ যে কোনো মানুষের জন্য তার নিজের ভাষা অত্যন্ত সহজ এবং বোধগম্য। একজন মানুষ তার নিজের ভাষায় কথা বলতে সব থেকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

ফলে যখন সে তার নিজের ভাষায় কোনো কিছু শোনেন কিংবা পড়েন সেটি আয়ত্ত করা কিংবা তার মর্ম বোঝা তার জন্য বেশি সহজ ও দ্রুত হয়। মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের কিছু গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলোঃ 

ক। শিখার্থীদের সাথে শিক্ষকের যোগাযোগ সহজ হয়। একজন শিক্ষার্থী যখন তার শিক্ষকের কাছ থেকে নিজের ভাষায় কোনো বিষয়ে শিক্ষাগ্রহণ করে তখন সেটি তার জন্য অধিক বোধগম্য হয়। সে খুব সহজেই তার শিক্ষকের কথা বুঝতে পারে। 

খ। মাতৃভাষায় শিক্ষা প্রদান করলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অধিক মনোযোগী হয়ে ওঠে এবং ক্লাসে তাদের সাড়া দেওয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়। 

গ। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন এবং বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষামূলক কাজে অভিভাবকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়। 

ঘ। মাতৃভাষা শিক্ষা দান করলে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। তাদের মধ্যে শিক্ষাগ্রহনের স্পৃহা সৃষ্টি হয়। যা তাদের ফলাফল উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

ঙ। মাতৃভাষা ভিন্ন অন্য ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করতে গেলে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিষয়ের প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। যা একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাক্ষেত্রে বেশ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

চ। মাতৃভাষা মানুষের মনোভাব প্রকাশের সব থেকে উৎকৃষ্ট একটি মাধ্যম। ফলে বিদেশি ভাষা শিক্ষাদানে কখনোই মাতৃভাষার থেকে উপযোগী হতে পারেনা। 

ছ। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাতৃভাষা একজন মানুষের নিজের ভাষা, তার মায়ের ভাষা- এই ভাষার চেয়ে সহজ আর কোনো ভাষা হতে পারেনা। সুতরাং কোনো ক্ষেত্রেই এই ভাষায় বিকল্প কিছু হতে পারেনা কখনোই।  

বিদেশি ভাষায় শিক্ষাদানের অসুবিধা:

যেকোনো বিদেশি ভাষা শেখা একজন মানুষের জন্য শ্রমসাধ্য একটি বিষয়। হাজার হাজার নতুন শব্দভাণ্ডার সম্পর্কে জানাও সহজ নয়। একজন শিক্ষক যখন বিদেশি ভাষায় শিক্ষা প্রদান করেন, তখন অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের একটি বিরাট অংশ শিক্ষকের লেকচারগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেনা।

যেহেতু বিদেশি ভাষা রপ্ত করা তুলনামূলকভাবে কিছুটা কঠিন তাই অনেক শিক্ষার্থীদের মাঝেই বিদেশি ভাষার জ্ঞানের স্বল্পতা থাকে। ফলে বিদেশি ভাষায় দেওয়া লেকচার বোঝা তাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, একজন শিক্ষকও অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি ভাষায় নিজের পারদর্শিতার অভাবে তাঁর পাঠদানে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হন।

বিদেশি ভাষায় মনের ভাব কখনোই সহজে প্রকাশ করা যায়না। কারণ মানুষের কাছে তার নিজের ভাষাই সব থেকে বেশি আপন ও প্রিয়। একজন মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনে মাতৃভাষাকে যতটা বেশি প্রাধাণ্য দিতে পারে, বিদেশি ভাষাকে কখনো সেরকম গুরুত্ব দিতে পারেনা।

ফলে বিদেশি ভাষায় শিক্ষাদান কখনোই একজন শিক্ষার্থীর জন্য খুব বেশি আশির্বাদ বয়ে আনতে পারে না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কোনও শিক্ষার্থী যদি তার মাতৃভাষায় শিক্ষিত হয় তবে তার শিক্ষাগত সাফল্যের হার তার মাতৃভাষা ব্যতীত অন্য কোনও মাধ্যমে পড়া ব্যক্তির চেয়ে বেশি।  

মাতৃভাষায় শিক্ষা দানের উপযোগিতা:

মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের ফলে একজন শিশুর মধ্যে বেশকিছু গুণাবলী সৃষ্টি হয়। যেমন, সে তার নিজের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত হতে শেখে এবং তার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নিজের মধ্যে লালন করার মানসিকতাও সৃষ্টি হয়।

যা একজন শিক্ষার্থীর বৌদ্ধিক বিকাশের পাশাপাশি তার জ্ঞানের পরিধিকে আরো বৃদ্ধি করে। ভাষা আমাদের সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়। মাতৃভাষা আমাদের সংস্কৃতি এবং আমাদের শিকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করে। মাতৃভাষায় সাবলীল একজন শিশুর বৌদ্ধিক বিকাশ তুলনামূলক দ্রুত হয়।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যে সকল শিশু তাদের মাতৃভাষায় পারদর্শী, তারা জন্য অন্য ভাষাও রপ্ত করা সহজ হয়। সে খুব সহজেই অন্য ভাষা আয়ত্ত করতে পারে। মাতৃভাষায় শেখা কোনো বিষয় একজন শিক্ষার্থী খুব সহজেই বুঝতে পারে এবং নিজ ভাষায় সেই বিষয় খাতায় উপস্থাপন করাও তার জন্য যথেষ্ট সহজ হয়।

মাতৃভাষার ব্যবহার একজন মানুষের মধ্যে স্বদেশপ্রীতি, নিজ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। অপরদিকে, বিদেশি ভাষার আধিপত্য মানুষের মনে বিদেশের প্রতি আকর্ষণ, পরানুকরণ প্রবৃত্তির জন্ম দেয়। দেশ ও জাতির উন্নয়নে মাতৃভাষার ব্যবহারের বিকল্প কিছু হতে পারেনা। 

বিশ্বায়নের যুগে মাতৃভাষায় শিক্ষার অসুবিধাঃ

মাতৃভাষায় শিক্ষাদান অবশ্যই একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে নানান গুনের জন্ম দেয়। তার মধ্যে নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করার প্রবৃত্তির জন্ম হয়। কিন্তু বর্তমান যুগকে বিশ্বায়নের যুগ বলা হয়।

কারণ বর্তমানে যে কোনো দেশে বসে অন্যদেশের স্কুল-কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষাগ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী বিদেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে উচ্চ-শিক্ষার জন্য। সেসকল দেশে ইংরেজি ভাষার শিক্ষাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ফলে একজন শিক্ষার্থীকে শুধু মাতৃভাষায় শিক্ষিত হলেই হবেনা। উচ্চিশিক্ষার জন্য কোনো শিক্ষার্থী বিদেশে যেতে চাইলে তাকে অবশ্যই সহযোগী ভাষা জানতে হবে। তাই বিশ্বায়নের যুগে মাতৃভাষায় শিক্ষারও কিছু অসুবিধা রয়েছে।

তবে বিশ্বের অনেক দেশ যেমন জাপান, রাশিয়া, জার্মানি ইত্যাদি দেশে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে তার নিজেদের মাতৃভাষাকেই প্রধাণ মাধ্যম হিসেবে রেখেছে। অর্থাৎ মাতৃভাষায় শিক্ষার গুরুত্ব কখনোই কম নয়।  

সহযোগী ভাষা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা:

বিশ্বায়নের প্রভাবে বর্তমানে সহযোগী ভাষা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। সহযোগী ভাষা জানা থাকলে একজন মানুষ অন্য ভাষাভাষীর কারো সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারেন। দ্বিভাষিকদের তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনে বিস্তৃত লোকের সাথে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

যে সকল মানুষ একাধিক ভাষা সম্পর্কে জানেন, তাদের স্মৃতিশক্তি, সমস্যা-সমাধানে দক্ষতা এবং সমালোচনামূলক-চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। একজন শিক্ষার্থীর জন্য সহযোগী ভাষা শেখা খুবই কার্যকর।

বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কোর্স করার সুযোগ হচ্ছে। সহযোগী ভাষা ব্যতিত একজন শিক্ষার্থীর পক্ষে এসকল কোর্স করা দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে অনেকটাই।।

এছাড়া যেসকল শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন থেকে দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা কিংবা শিক্ষাগ্রহনের উদ্দেশ্যে যাওয়ার, তাদের জন্য সহযোগী ভাষা শেখা অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। তাই মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য কোনো সহযোগী ভাষাতেও দক্ষতা থাকা একজন শিক্ষার্থীর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

উপসংহার:

নিজের মাতৃভাষাকে জানা যেকোনো মানুষের জন্য একটি গর্বের বিষয়। এটি একজন মানুষকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। শিক্ষাক্ষেত্রে মাতৃভাষার ব্যবহার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মাতৃভাষায় পাঠদান শিক্ষককে তার শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগকে আরো সহজ করে দেয়। শিক্ষক সহজেই তার শিক্ষার্থীদেরকে পড়ালেখার বিষয়সমূহ বুঝাতে সক্ষম হন। শিক্ষার্থীরাও তাদের পড়াশোনায় অধিক মনোযোগী হয়ে ওঠে, যা তাদের বার্ষিক ফলাফলেও প্রভাব পড়ে।

এছাড়াও জীবন ও শিক্ষার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপণ করা শিক্ষার অন্যতম প্রধাণ উদ্দেশ্য। মাতৃভাষা এই দুটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করতে অনন্য ভূমিকা পালক করে থাকে।

অর্থাৎ ব্যক্তিসত্তার পুর্ণতা সাধনের জন্য মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের বিকল্প কিছু নেই। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যকে পরিপূর্ণভাবে সাধন করতে চাইলে মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তার অপরিহার্য।


মাতৃভাষায় শিক্ষা দান বা মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদান প্রবন্ধ রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো আপনার ব্যাক্তিগত মতামত কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান।আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার।

এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম কমেন্ট করে জানান।দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো।সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email
লেখক পরিচিতি
Rakesh Routh
রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

পরবর্তী পড়ুন

আমার প্রিয় শিক্ষক রচনা [সঙ্গে PDF]

আমাদের প্রত্যেকের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষক থাকেন, তাঁরা প্রত্যেকেই আমাদের শিক্ষাদানের মধ্য দিয়ে জীবনের সঠিক পথ প্রদর্শনে সহয়তা করেন। তাঁরা প্রত্যেকেই […]

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচনা [সঙ্গে PDF]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে দেশের সমস্ত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে যিনি অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি আর কেউ নন,বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু […]

উন্নয়ন বনাম পরিবেশ রচনা [সঙ্গে PDF]

মানুষ যেদিন প্রথম পাথরে পাথর ঘষে আগুন জ্বালাতে শিখেছিল সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল এক পরিবেশ বনাম উন্নয়ন নামের এক মহাযুদ্ধ। […]

ছাত্র সমাজ ও রাজনীতি বা ছাত্রজীবনে রাজনীতি রচনা [সঙ্গে PDF]

ছাত্ররাজনীতি আসলে ভালো নাকি মন্দ তা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। ইতিহাস খুঁজলে দেখা যাবে বিগত এক শতাব্দী ধরে রাজনীতির নামে […]

বাংলার সংস্কৃতি রচনা [সঙ্গে PDF]

সভ্যতা ও সংস্কৃতি, আমাদের জীবনের এই দুটি অংশ পরস্পরের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে রয়েছে যে তা বিশ্লেষণ করা যায় না।সভ্যতার ক্রমবিকাশের […]

ভারতের স্বাধীনতা দিবস রচনা [সঙ্গে PDF]

ভারতমাতার বহু বীর সন্তান অনেক রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ সংগ্রামের পর স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন আমাদের। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৫ ই আগস্ট ইংরেজ […]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Proudly Owned and Operated by Let Us Help You Grow Online ©️