দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা বা বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চা রচনা [PDF]

 

বাংলা রচনা নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ই-বুক। একান্ত নির্ভরযোগ্য প্রবন্ধ রচনার উত্তরসহ সাজেশন। অতি সামান্য মূল্যে এই বইটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

আমরা সকলেই আমাদের মাতৃভাষাকে ভালোবাসি।মাতৃভাষায় দক্ষতা থাকার জন্য মাতৃভাষায় পড়াশোনা করতে যেমন ভালো লাগে তেমন সহজও হয়। আজের প্রবন্ধ রচনা মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা বা বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চা।

বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চা রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

“জননীর স্তনদুগ্ধ যদ্রুপ অন্য সকল দুগ্ধ অপেক্ষা বল বৃদ্ধি করে; তদ্রূপ জন্মভূমির ভাষা অন্য সকল ভাষা অপেক্ষা মনের বীর্য প্রকাশ করে।”

রাজনারায়ণ বসু

ভূমিকা:

মাতৃভাষা হল মানুষের আবেগ-অনুভূতির প্রকৃত প্রকাশ মাধ্যম। তার জিয়নকাঠির স্পর্শেই নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ হয়, বোধের গভীরে চিন্তার বুদবুদ কারার দ্বার ভেঙে বাইরে এসে বাক‌্মূর্তি ধারণ করে। তাই যেকোনো ধরনের শিক্ষার বাহন হিসেবে মাতৃভাষার গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু সাহিত্য কেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার ভাষাও মাতৃভাষা হওয়া উচিত। তাহলেই প্রকৃত শিক্ষার আলোকে কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের কুয়াশা অপসৃত হবে ধীরে ধীরে।

বিজ্ঞান চর্চার প্রয়োজনীয়তা:

বিজ্ঞান শব্দের অর্থ হলো বিশেষ জ্ঞান। জ্ঞান‌ই মানুষের বড় অস্ত্র, যার সাহায্যে সে জীবন যুদ্ধে জয়ী হতে পারে। মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোয় এনেছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান‌ই মানুষকে বিচার শক্তি দিয়েছে, যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই করতে শিখিয়েছে বাস্তব আর অবাস্তবকে। শুধু কুসংস্কার দূরীকরণ নয়, বিজ্ঞান প্রকৃত জ্ঞানের আলোকে মানুষকে অভিযোজন ক্ষমতা দান করে।

বিজ্ঞান চর্চার ফলে মানুষ আজ অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে সভ্যতার আলো সুস্থ ও সুন্দরভাবে বিচরণ করছে। পৃথিবীতে যোগ্যতমের জয় হয়। বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে মানুষ এই পৃথিবীতে যোগ্যতম হয়ে উঠতে পারে, এবং তা প্রস্তর যুগ থেকেই প্রমাণিত হয়েছে ধাপে ধাপে। আর‌ও সুন্দর পৃথিবী, আরো স্বচ্ছ ভাবনার বিকাশে বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসার আবশ্যক।

মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার গুরুত্ব:

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “জ্ঞানের কথাকে প্রমাণ করিতে হয়।” বিজ্ঞান হলো জ্ঞানের কথা। তার ভাষায় যতি মাতৃ ভাষায় রচিত না হয় তবে বহু খুঁটি-নাটি তথ্য বোধের অগোচরে থেকে যায়। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলিতে মাতৃভাষাতেই বিজ্ঞান চর্চার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাতে বিষয়ের জটিলতা দূর হয় এবং নিরস তথ্য ও মনোগ্রাহী হয়ে ওঠে।

 

বাংলা রচনা নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ই-বুক। একান্ত নির্ভরযোগ্য প্রবন্ধ রচনার উত্তরসহ সাজেশন। অতি সামান্য মূল্যে এই বইটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

পিছিয়ে পড়া জাতিকে বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে হলে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। তথ্য এবং তত্তও সরল পথে মনের মধ্যে প্রবেশ করলেই অতিদ্রুত তার সফলতা আসবে। না হলে বিজ্ঞান শিক্ষা যান্ত্রিক জ্ঞান চর্চায় পরিণত হয়ে তার উদ্দেশ্য বিনষ্ট হবে।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা:

আমাদের বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাস গৌরবময়। আচার্য রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, জগদীশচন্দ্র বসু, প্রফুল্ল রায়, জগদানন্দ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য প্রমুখ মনীষীগণ বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের মূল্যবান গ্রন্থগুলি রচনা করেছেন। রমেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর ‘জিজ্ঞাসা’, জগদীশচন্দ্র বসুর ‘অব্যক্ত’, জগদানন্দের ‘বৈজ্ঞানিকী’, রবীন্দ্রনাথের ‘বিশ্বপরিচয়’, চারুচন্দ্রের ‘নব্যবিজ্ঞান’ প্রভৃতি গ্রন্থ গুলি মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চাকে বহুদূর প্রসারিত করেছে।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার সম্ভাবনা

নানান দেশের নানান ভাষা
বিনে স্বদেশি ভাষা, মিটে কি আশা?’

– রামনিধি গুপ্ত

মানুষ তার মাতৃভাষার প্রতি চরম শ্রদ্ধাশীল। মাতৃভাষা মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই আয়ত্ত্ব করে বলে সেই ভাষায় অর্জন করা সবকিছুই তার কাছে অনেক আপন মনে হয়। শিক্ষার জন্য প্রয়োজন মনের স্বাভাবিক বিকাশের উপযুক্ত মাধ্যম। এক্ষেত্রে মাতৃভাষার চেয়ে উত্তম কোনো মাধ্যম হতে পারে না। জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে মাতৃভাষা সবচেয়ে উপযোগী ভূমিকা পালন করে।

একমাত্র মাতৃভাষাই পারে প্রাণের সাথে ভাবের মিলন ঘটাতে। বিদেশি ভাষায় কখনো একজন শিক্ষার্থীর মনের ভাব যথাযথভাবে ফুটে উঠে না। মাতৃভাষার আকুলতা এবং ভাবদ্যোতনা কোনো ভাষার পক্ষে পূরণ করা সম্ভব না। তাই বিজ্ঞান চর্চায় মাতৃভাষা প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

অতি প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশ জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে এসেছে। বর্তমান যুগ আরো সমৃদ্ধ। এখন বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রটিও ব্যাপক। তাই এখানে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ইতিমধ্যেই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান এর পাঠ্যপুস্তক রচনা আর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যদিও বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের ভালো বই এখনোও দুর্লভ, তথাপি আমাদের প্রচেষ্টা সদর্থক হলে তা অচিরেই ফলপ্রসূ হবে।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার সমস্যা:

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার প্রয়োজনীয়তা যেমন রয়েছে, তার পাশাপাশি বর্তমান রয়েছে বেশকিছু গুরুতর সমস্যাও। তার মূল কারণ অবশ্য বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে ভিত্তিগত উৎসাহের অভাব। সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলতে গেলে, যেহেতু বাংলা ভাষায় আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার কোন ঐতিহ্যগত নিদর্শন নেই সেজন্য বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন পরিভাষার যথেষ্ট অভাব রয়েছে।

আধুনিক বিজ্ঞানে ইংরেজির এমন বহু শব্দ রয়েছে যার ব্যুৎপত্তিগত বাংলা অনুবাদ যথেষ্ট কঠিন এবং কোনভাবে সম্ভব হলেও বহুল প্রচলিত ইংরেজি ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার সঙ্গে অভ্যস্ত আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই তা বুঝতে অক্ষম। তবে এ প্রসঙ্গে হাল ছেড়ে দেওয়া কোন কাজের কথা নয়। শুধুমাত্র পরিভাষার অভাবে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা কে গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা নিজের মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করারই শামিল।

সেজন্য সমষ্টিগতভাবে বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক পরিভাষা তৈরি এবং অনুবাদের উদ্দেশ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। আশার কথা এই যে বর্তমানকালে বিদ্বজ্জনরা মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার গুরুত্ব উপলব্ধি করে এই ধরনের পরিভাষা তৈরির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন 

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার প্রয়োজনীয়তা: 

আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় বিজ্ঞান চর্চার অসীম গুরুত্ব এবং বিশেষ প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এখন আর কোন মহলেই সন্দেহের অবকাশ নেই। আমাদের দেশ বিশেষত বাংলার অধিকাংশ মানুষ বিদেশি ভাষার পরিবর্তে নিজের ভাষাতেই জ্ঞানচর্চায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই সেই সকল মানুষের উপর বিদেশি ভাষার কঠিন শব্দ চাপিয়ে দেওয়া হলে তারা জ্ঞান চর্চায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলতে পারে।

তবে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হলে মাতৃভাষায় স্বচ্ছন্দ বোধ করা বাংলা সেই সকল মানুষও বিজ্ঞানের সঙ্গে মনের মাধ্যমে আত্মিক যোগ স্থাপন করতে সক্ষম হবে। এর ফলে একদিকে যেমন সমাজের সকল স্তরে অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর হয়ে বিজ্ঞানের আলো প্রবেশ করবে, অন্যদিকে তেমনি মানুষ বৈজ্ঞানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজের জীবনের এবং পেশায় বিজ্ঞানের সফল প্রয়োগ করতে সমর্থ হবে।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের অভাব এক্ষেত্রে একটি সমস্যা হলেও এর দূরীকরণ অসম্ভব নয়। মনোযোগ সহকারে বিশেষভাবে এই সমস্যা দূর করার জন্য বাংলা ভাষার সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় পরিমার্জনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে সমাজের সকল স্তরে বৈজ্ঞানিক মানসিকতা প্রসারিত হয়ে পেশাগত ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ বৃদ্ধি হলে তা সার্বিকভাবে জাতীয় উন্নতির ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।

বিদেশি ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার কুফল

বিদেশি ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার বেশ কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে। তার কয়েকটি কথা নিম্নে আলোচনা করা হল-

  • বিদেশী ভাষায়, বিশেষত ইংরেজিতে স্বচ্ছন্দ না হলে সেই ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার মত গভীর বিষয়ে অধ্যয়ন এবং আত্মস্থ করা শিক্ষার্থীর পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।
  • বিদেশি ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা করতে গেলে বিজ্ঞান এর তুলনায় সেই ভাষা শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীকে অধিক গুরুত্ব আরোপ করে অনর্থক পরিশ্রম করতে হয়।
  • সংশ্লিষ্ট ভাষাটিতে যথেষ্ট স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলে, মনোযোগ সহকারে অধ্যায়ন করেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না।
  • আশানুরূপ ফল এর অভাব, সংশ্লিষ্ট ভাষায় ব্যুৎপত্তিগত জ্ঞানের অভাব, জটিল উপস্থাপনা ইত্যাদি কারণে শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট বিষয়টির উপরই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, যা তার মনে শিক্ষাবিমুখতার জন্ম দেয়।
  • শিক্ষাক্ষেত্রে বিদেশি ভাষার ব্যাপক আধিপত্য অনেক সময় মাতৃভাষার প্রতি তাচ্ছিল্য এবং বিদেশমুখী মানসিকতার জন্ম দিতে পারে।
  • বিদেশি ভাষার ব্যাপক প্রচার ও প্রসার আপন স্বাজাত্যবোধ তথা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিসৃত করতে পারে।
  • বিদেশি ভাষা সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞানের অভাব হেতু কখনোই কোন একটি বিষয়ে সম্পূর্ণরূপ জ্ঞান লাভ সম্ভব হয়না। 

বিদেশি ভাষার ব্যাপক আধিপত্যজনিত কুফল বর্তমানে সমাজের সর্বস্তরে অনুভূত হচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে একটি ভাষা কোন বিশেষ জ্ঞানের পরিচায়ক নয় বরং কেবল একটি মাধ্যম মাত্র। কোন মানুষ কোন অপরিচিত বিদেশি মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলে তাকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের পবিত্র রত্ন ভান্ডার থেকে বঞ্চিত করা কোনভাবেই বাঞ্ছনীয় হতে পারে না। বিদেশী ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে, তবে তা যাতে সমাজের ভিত্তিগত শিক্ষায় আধিপত্য বিস্তার না করে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

উপসংহার:

গর্বের বিষয় হলো মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রটি পশ্চিমবঙ্গ তথা বাংলাদেশে বিশেষভাবে প্রসারিত। এক্ষেত্রে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এবং বাংলাদেশে সাহিত্য সংসদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। এইসকল সংস্থাগুলি বিভিন্ন বিদেশী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের পুস্তকগুলি রচনার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছে। তবে এই অনুবাদিত গ্রন্থসমূহের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়।

এ কথা সত্য যে মানের দিক থেকে বিজ্ঞানের সর্বোৎকৃষ্ট বইগুলি বিদেশি ভাষাতেই রচিত।  তাই যথেষ্ট গুরুত্ব  সহকারে সেই সকল গ্রন্থ গুলি থেকে সহজ ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমেই সমাজের সর্বস্তরে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার প্রসার ঘটানো সম্ভব। আশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে শিক্ষিত করতে পারলে তা অচিরেই জাতীয় উন্নতিকে ত্বরান্বিত করবে।


মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা/ বাংলাভাষায় বিজ্ঞানচর্চা রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।আপনার একটি কমেন্ট আমাদের অনেক উৎসাহিত করে আরও ভালো ভালো লেখা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় জন্য।বানান ভুল থাকলে কমেন্ট করে জানিয়ে ঠিক করে দেওয়ার সুযোগ করে দিন।সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন:

একজন শ্রেষ্ঠ বাঙালি বিজ্ঞানী রচনা
বিজ্ঞান সাধনায় বাঙালি রচনা

Print Friendly, PDF & Email

 

বাংলা রচনা নিয়ে এসেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ই-বুক। একান্ত নির্ভরযোগ্য প্রবন্ধ রচনার উত্তরসহ সাজেশন। অতি সামান্য মূল্যে এই বইটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট