দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

বিজ্ঞাপন ও আধুনিক জীবন প্রবন্ধ রচনা [PDF]

বিজ্ঞাপন ও আধুনিক জীবন বর্তমান যুগে পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আধুনিক যুগে মানুষের জীবন বহু ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আবর্তিত হয় বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে। মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ বিজ্ঞাপন পৌঁছে গিয়েছে কোন না কোনভাবে। তাছাড়া সময়ের সাথে সাথে আমূল বদলে গিয়েছে বিজ্ঞাপনের প্রাথমিক চরিত্রও। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে বিজ্ঞাপন সর্বব্যাপী বিস্তৃত। বিজ্ঞাপনের এই সর্বব্যাপী বিস্তার কিভাবে আধুনিক মানব জীবনকে প্রভাবিত করছে সে সম্পর্কে আলোকপাতের উদ্দেশ্যেই আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনটির উপস্থাপনা।

বিজ্ঞাপন ও আধুনিক জীবন বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

বর্তমান যুগে আধুনিক মানব জীবনের একটি অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল বিজ্ঞাপন। শুনতে অবাক লাগলেও একথা সত্য যে বিজ্ঞাপন ছাড়া বর্তমান যুগে আধুনিক মানব জীবন প্রায় অচল। বর্তমান যুগের প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক মানুষ তার জীবনের অসংখ্য সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো না কোনো বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করে। তবে মানুষের জীবনে বিজ্ঞাপনের এই ব্যাপক আনাগোনা তথা প্রভাব একদিনে আসেনি। এর পেছনে রয়েছে সুদীর্ঘ কালের ইতিহাস এবং সময় অনুযায়ী বিজ্ঞাপনের বিবর্তন।

বিজ্ঞাপন বর্তমান যুগে নিজের পরিধিকে বিস্তার করতে করতে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছে যেখানে বর্তমান বাজার অর্থনীতি কেন্দ্রিক বিশ্বের এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে স্পর্শ পৌঁছায়নি। এই ব্যাপক বিস্তার বা প্রসারের মাধ্যমে আজকের এই বিশ্বায়িত পৃথিবীতে বিজ্ঞাপন রীতিমত একটি ইন্ডাস্ট্রির পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই আধুনিক বিশ্বের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনকে ব্যবহার করে বাজারে প্রভাব সৃষ্টির মাধ্যমে আদপে মানুষকেই প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আধুনিক বিশ্বে বিজ্ঞাপনের এই বহুমুখী চরিত্র এবং মানব জীবনে তার প্রভাব সম্পর্কে আলোচনার উদ্দেশ্য নিয়েই এই প্রবন্ধের উপস্থাপনা।

বিজ্ঞাপন কি?

উত্তরাধুনিক এই যুগে বিজ্ঞাপনের সর্বমুখী চরিত্র সম্পর্কে বোঝার প্রয়োজনে বিজ্ঞাপনের মূল ভিত্তি আসলে কি সে সম্পর্কে অবগত হওয়া প্রয়োজন। আধুনিক এই বিশ্বায়নের যুগে বিজ্ঞাপনকে বহুমুখী ভাবে সংজ্ঞায়িত করা গেলেও বিজ্ঞাপনের প্রকৃত সংজ্ঞা লুকিয়ে আছে তার উদ্দেশ্যের অন্তরালে। বিজ্ঞাপনের প্রকৃত ও প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো প্রচার। পৃথিবীর যেকোনো বিষয়কে প্রয়োজন অনুসারে পূর্বনির্ধারিত জনগণ বা টার্গেট অডিয়েন্স-এর মধ্যে প্রচার করার উদ্দেশ্যে প্রাথমিকভাবে যে মাধ্যমটিকে বেছে নেওয়া হয় তাইই হল বিজ্ঞাপন।

উদ্দিষ্ট জনগণকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রতি আগ্রহী বা উৎসাহিত করে তোলাই বিজ্ঞাপনের কাজ। জন মনে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আগ্রহ বা উৎসাহ জাগিয়ে তুলে বিজ্ঞাপন সেই বিষয়টির সঙ্গে জনগণকে স্বতঃস্ফূর্ত সংযোগ স্থাপনের প্রেরণা দেয়। সেই প্রেরণা কখনো মানুষকে কোন বস্তু কিনতে উদ্বুদ্ধ করে, কখনো কোন একটি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ দেয়, আবার কখনো বা সচেতনতামূলক প্রচারে সাহায্য করে।

বিজ্ঞাপনের ইতিহাস:

পৃথিবীতে বিজ্ঞাপনের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন। আজ থেকে প্রায় ৫০০০ বছর আগে বিজ্ঞাপনের সূত্রপাত হয়। বলাবাহুল্য সেই সময়কার বিজ্ঞাপনের চরিত্র বর্তমান যুগের মতন ছিল না। মেসোপটেমিয়া, মিশরীয় কিংবা চৈনিক সভ্যতার মতন প্রাচীন সভ্যতা গুলিতে কখনো সিলের ওপর আবার কখনো বা প্যাপিরাসের উপর এই ধরনের বিজ্ঞাপনগুলি লেখা হতো। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই বিজ্ঞাপনগুলি ছিল শাসকগোষ্ঠী অনুমোদিত বিজ্ঞপ্তিনামা। তবে বেশ কিছু জায়গায় বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনের উদাহরণও পাওয়া গিয়েছে।

কিছু পরবর্তীতে প্রাচীন রোমান সভ্যতা কিংবা গ্রিক সভ্যতাতেও বিজ্ঞাপনের নিদর্শন পাওয়া যায়। এই সময়ে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপনের প্রবণতা তুলনামূলকভাবে অনেকখানি বেড়েছিল। প্রাচীন রোমে বিজ্ঞাপন দ্বারা ধনী মানুষকে ক্রীতদাস কেনাবেচাতে উৎসাহিত করার দৃষ্টান্ত পাওয়া গেছে। রোমান সাম্রাজ্যের পম্পেইতে পাওয়া বিজ্ঞাপনগুলি এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। এই সময় বিজ্ঞাপনগুলি লেখা এবং ছবির সংমিশ্রণে তৈরি করা হতো পাথরের গায়ে, বাড়ির দেওয়ালে কিংবা আরো পরবর্তীকালে সাইনবোর্ড হিসেবে। 

আধুনিক পৃথিবী ও বিজ্ঞাপন:

আধুনিক পৃথিবীতে বাণিজ্যিকভাবে বিজ্ঞাপনের সূত্রপাত ঘটে সপ্তদশ শতক নাগাদ। মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কারের পর ধীরে ধীরে যখন বইপত্র এবং বিশেষ করে সংবাদপত্র সহজলভ্য হতে শুরু করল তখন থেকে বিজ্ঞাপন চলতে শুরু করল পুঁজিবাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তার প্রধান সঙ্গী হিসেবে। মানুষ বুঝতে পারল বিজ্ঞাপন দ্বারা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে উদ্দিষ্ট জনগণকে প্রভাবিত করা যেরূপে সম্ভব, তা এককথায় অভিনব। এই সময় ধীরে ধীরে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার প্রবণতা উঠে এলো।

সময়ের সাথে সাথে বিজ্ঞাপনের সঙ্গে মিলন ঘটলো সৃজনশীলতারও। এরপর অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দী নাগাদ বিশ্বজুড়ে যে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ঢল নামে, তার প্রভাবও গিয়ে পড়ল বিজ্ঞাপনের বিবর্তনে। বিদ্যুতের ব্যবহারে বিজ্ঞাপনী সাইনবোর্ডকে আকর্ষণীয় করে তোলা, টেলিভিশন এবং রেডিওর ব্যবহারে বিজ্ঞাপনকে সম্পূর্ণ নতুন ও অভিনব রূপ দেওয়া ইত্যাদি বিজ্ঞাপনকে ব্যবহার করে মানুষের জীবনকে আরো ব্যাপক ও বিস্তৃতভাবে প্রভাবিত করার সুযোগ করে দিল।

মানব জীবনে বিজ্ঞাপনের প্রভাব:

বিজ্ঞাপনের প্রাথমিক উদ্দেশ্যই হলো মানুষকে প্রভাবিত করা। তবে মানুষের উপর বিজ্ঞাপনের এই প্রভাব কবে যে মানব জীবনের সার্বিক নির্ধারক হয়ে উঠেছে তা বোঝা যায় না। বর্তমান যুগে মানুষের অধিকাংশ সিদ্ধান্তই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিজ্ঞাপন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। বর্তমান যুগে মানুষের আধুনিক জীবনের সামগ্রিকতাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় বিজ্ঞাপন। একথা অনস্বীকার্য যে বর্তমান যুগে মানুষের জীবনের প্রধানতম নির্ধারক হলো বাজার অর্থনীতি।

বিজ্ঞাপন এই বাজার অর্থনীতির বিকল্পহীন সঙ্গী স্বরূপ। ফলে বিজ্ঞাপনের পরিধি বর্তমান যুগে এতোখানি বিস্তৃত হয়েছে যে যেকোনো বিষয় সম্পর্কে প্রচার, প্রসার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দ্রব্য, সংস্কৃতি, সর্বক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনকে ব্যবহার করে মানুষকে প্রভাবিত করবার চেষ্টা চলছে। তাই আজ মানুষের জীবনধারণ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তকেই বিজ্ঞাপন কোনো না কোনোভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে।

বিজ্ঞাপনের সুফল ও কুফল:

পৃথিবীর অন্য সকল বিষয়ের মতন বিজ্ঞাপনেরও নির্দিষ্ট কিছু সুফল ও কুফল রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় বিজ্ঞাপনকে ব্যবহার করে যেভাবে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসা যায় তা এক কথায় অতুলনীয়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোন একটি বিষয়ের সংযোগ স্থাপন করতে বিজ্ঞাপনের জুড়ি মেলা ভার। সে কারণে বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচার-প্রসারে বিজ্ঞাপন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে বিজ্ঞাপন একটি সার্বিক ইন্ডাস্ট্রির পর্যায়ে উন্নীত হয়ে যাবার দরুন অসংখ্য মানুষ শুধুমাত্র এই বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করেই নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

তাছাড়া আধুনিক যুগে বিজ্ঞাপন নতুন প্রকার সৃজনশীলতারও সুযোগ করে দেয়। তবে এসব সুফলের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনের বেশকিছু কুফলও বর্তমান। বর্তমান যুগে মানুষের জীবন অত্যন্ত বেশি মাত্রায় বিজ্ঞাপনকেন্দ্রিক হয়ে ওঠার কারণে বিভিন্ন অসাধু উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপনকে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। বিজ্ঞাপনের আকর্ষণীয় উপস্থাপনা দ্বারা মানুষকে বিভিন্ন সময়ে ক্ষতিকর জিনিস কিনতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন ধর্ম বৈষম্য, শ্রেণী বৈষম্য, বর্ণ বৈষম্য ইত্যাদির মতো নানা বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলির উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। ফলে শুধুমাত্র নিজেদের অভীষ্ট লাভের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সংস্থা বিজ্ঞাপন দ্বারা সমগ্র সমাজকে হীনপথে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে থাকে।

বিজ্ঞাপন, তথ্যপ্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ:

উত্তরাধুনিক এই যুগে বিজ্ঞাপনের সাথে তথ্যপ্রযুক্তির যে মেলবন্ধন ঘটেছে, এ সম্পর্কে কিছু কথা না বললে আধুনিক জীবনে বিজ্ঞাপন বিষয়ক আলোচনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বর্তমান যুগে মানুষের সামাজিক মননে যে আমুল বিবর্তন ঘটে গিয়েছে বিজ্ঞাপনও সেই বিবর্তনের বাইরে নেই। বিজ্ঞাপনের চরিত্র আজ তাই ইন্টারনেটের ব্যবহারে বিশেষভাবে বিবর্তিত হয়েছে।

এই বিবর্তন ধারায় বিজ্ঞাপন ঠিক করে দিচ্ছে মানুষ কি খাবে, কী দেখবে, কি পড়বে এমনকি কিভাবে ভাববে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষত ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে বিবর্তিত হওয়া এই বিজ্ঞাপনী মাধ্যমের একটি স্তম্ভ যদি হয় গুগল কিংবা বিং এর মতন সার্চ ইঞ্জিনগুলি, অপর স্তম্ভটি তাহলে অবশ্যই ভার্চুয়াল সামাজিক মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া। এই দুই স্তম্ভের উপর ভর করেই বিকশিত হচ্ছে ভবিষ্যতের বিজ্ঞাপনী মাধ্যম। 

উপসংহার:

বর্তমান যুগে বিজ্ঞাপনকে আর মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকে পৃথক করে দেখা যাবে না। বিজ্ঞাপন এর প্রয়োজনীয়তা এবং উপযোগিতা সম্পর্কে আধুনিক যুগে সত্যিই আর কোন প্রশ্ন থাকতে পারে না। তবে বিজ্ঞাপনের এই সর্বব্যাপী প্রসার মানুষের স্বাভাবিক জীবনকেন্দ্রিকতা সম্পর্কে সন্দেহ জাগিয়ে তোলে। নিজের জীবনকে আপন পরিণত মনন দ্বারা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা লাভই হল মানব জীবনের বাঞ্ছনীয় অভীষ্ট।

সেই জীবনকে যদি শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে তাহলে চিন্তার ক্ষমতা হারিয়ে বাজার অর্থনীতির দাসানুদাস হয়ে বেঁচে থাকা ছাড়া মানুষের গতি থাকবে না। বিজ্ঞাপনের সকল উপযোগিতার কথা মাথায় রেখেও এই গুরুত্বপূর্ণ দিকটির কথা চিন্তা করে সময় আধুনিক জীবন ও বিজ্ঞাপনের মধ্যে উপযুক্ত ভারসাম্য বজায় রেখে চলার চেষ্টা করা উচিত।


বিজ্ঞাপন ও আধুনিক জীবন সম্পর্কে আলোচ্য উপরিউক্ত এই প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট বিষয় সবকটি দিক নিয়ে আমরা যথোপযুক্ত আলোচনার চেষ্টা করেছি। তবে পরীক্ষার প্রয়োজনে আলোচনার ক্ষেত্রে আমাদের নির্দিষ্ট একটি শব্দসীমা বজায় রাখার চেষ্টা করতে হয়েছে। আশাকরি আমাদের এই প্রয়াস আপনাদের ভাল লেগেছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা যথাযথভাবে আপনাদের সহায়তা করতে পারবে।

উপরিউক্ত প্রতিবেদনটি সম্পর্কে আপনাদের মতামত কমেন্টের মাধ্যমে বিশদে আমাদের জানান। আপনাদের মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করব আপনাদের মতামত অনুযায়ী আমাদের লেখনীকে আরও উন্নত করে তোলার। তাছাড়া যদি এমনই অন্য কোন রচনা পড়তে চান সে বিষয়েও আমাদের অবগত করুন। আমরা অতি সত্বর সেই রচনাটি আপনার কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট