বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য বা বাংলার ষড়ঋতু রচনা [With PDF]

লিখেছেন: Rakesh Routh

BanglaRachana.Com এ আপনাকে স্বাগত জানাই। আপনাদের প্রয়োজনের রচনা আমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় আমাদের লক্ষ্য।তাই আপনার প্রয়োজনের রচনার নাম আমাদের কমেন্ট করে জানান।BanglaRachana.Com এর পক্ষ থেকে আজকের নতুন উপস্থাপন - "বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য"/"বাংলার ষড়ঋতু" রচনা।

বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য বা বাংলার ষড়ঋতু

ভূমিকা:

মানবসভ্যতা যতই আধুনিকতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষের জীবনে ততোই প্রকট হচ্ছে অশান্তির কালো মেঘ। জীবনের অশান্তির এই নিকষ কালো অন্ধকারে সুখের চেয়ে মানুষ আজ স্বস্তির ব্যাকুল অনুসন্ধানী। আমাদের প্রিয় প্রকৃতিতেই রয়েছে সেই আকাঙ্ক্ষিত অনাবিল শান্তি ও স্বস্তির উপকরণ।

সেজন্য এই আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে মানুষ মুক্ত প্রকৃতির রূপ ও বৈচিত্র্য আস্বাদের জন্য ব্যাকুল। প্রকৃতির বৈচিত্র্য জীবনকে করে তোলে বর্ণময়, আর রূপ জীবনের একঘেয়েমি দূর করে নতুন রঙে রাঙিয়ে দেয়। বাঙালির সৌভাগ্য যে, আমাদের স্বদেশ বঙ্গভূমিতে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের কোনো অভাব নেই।

বছরের বারো মাসে ছয় ঋতুতে প্রকৃতির নতুন রূপে নতুন লীলা বাংলার মানুষের জীবনকে অনাবিল স্নিগ্ধ আনন্দে ভরিয়ে তোলে। বঙ্গভূমির প্রকৃতি প্রত্যেকটি ঋতুতে বাঙালির জীবনে এনে দেয় নব নব রূপ ও রসের অপরূপ ছন্দ। বাংলার এই অপরূপ রূপে মোহিত হয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কলম থেকে নিঃসৃত হয়েছিল-

"জগতের মাঝে কত বিচিত্র তুমি হে – তুমি বিচিত্ররূপিনী।।"

বাংলার ঋতু বৈচিত্র্য:

বাংলায় প্রকৃতি সমগ্র বছরজুড়ে নানা ঋতুর সমাহারে বৈচিত্রের মধ্যে এক সার্বিক ঐক্য স্থাপন করে। প্রকৃতি বিশেষজ্ঞগণ প্রতিটি বছরকে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে মোট ছয়টি ঋতুতে ভাগ করেছেন। প্রত্যেক ঋতু নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে স্বতন্ত্র ও সমুজ্জ্বল। বছরের বারো মাসে প্রত্যেক দু মাস অন্তর এক একটি নতুন ঋতু জীর্ণ পুরাতনের অবসানে তার নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে বাঙালির জীবনকে নানা বর্ণের ছটায় রাঙিয়ে দিয়ে যায়।

সেই ছটায় প্রত্যেক বাঙালির জীবনে দুঃখ, কষ্ট, মন খারাপ, একঘেয়েমি দূর হয়ে আসে অনাবিল আনন্দের স্রোত। যদিও বর্তমানে প্রাকৃতিক দূষণ, গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর মত বিভিন্ন কারণে আর বাংলায় ছয়টি ঋতুর আবির্ভাব স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয় না। বদলে আমরা কেবলমাত্র গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ এবং শীত এই চারটি ঋতু অবস্থিতিকেই অনুভব করতে পারি। তবে বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামের ঋতু বৈচিত্রের উপর সভ্যতার এই আগ্রাসন এখনো সেভাবে থাবা বসাতে পারেনি।

 কাল বিভাগ এবং ঋতুচক্র:

ঋতুদের সবার মধ্যে অগ্রজ হল গ্রীষ্ম। ’নববর্ষের পুণ্যবাসরে’ তার শুভারম্ভ, জৈষ্ঠ্যের শেষ অবধি এর ব্যাপ্তি। জৈষ্ঠের শেষে, আষাঢ় এর প্রথম দিনে আকাশ কালো করে আগল ভেঙেচুরে আসে 'উন্মাদ বরষা’; জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে তপ্ত ধরিত্রীর বুকে তৃষ্ণার অঞ্জলী হয়ে। শ্রাবণে তার ‘ধারা ঝরে ঝরঝর’; ভাদ্রের আঙিনায় শরৎ দেয় উকিঝুকি, আশ্বিন মাসের শেষ দিকে হিমেল অঙ্কে রচিত হয় তার বিদায় শয্যা। এবার দীপালীর আলো হাতে হেমন্ত আসে কার্তিকে, অঘ্রানে শীতের ডাক দিয়ে উত্তরা হিমেল বাতাসে তার বিদায়। 

কুয়াশার ঘোমটা মাথায় নিয়ে শীত হাজিরা দেয় পৌষে, মাঘেও সে তার হিমেল চাদর বিছিয়ে রাখে বাংলার বুকে। এ হলো সোনার বাংলার পাতাঝরার মরশুম। বৃক্ষরাজি তাদের শরীর থেকে সকল শুকনো পাতা ঝরিয়ে ফেলে নতুন রূপে সেজে ওঠবার নিমিত্ত প্রস্তুত হয়। এ যেনো পুরাতন জীর্ণ বস্ত্র ত্যাগ করে নতুনের আহ্বান করার মরশুম।

এইভাবে শীতের অবসানে প্রকৃতি নিজেকে রিক্ত করে ঋতুর সিংহাসন সাজিয়ে সাড়ম্বরে বরণ করে নেয় ঋতুরাজ বসন্তকে। ফাল্গুন এবং চৈত্র এই দুই মাস ধরে বসন্ত আবার তার পরম মায়ায় সমগ্র প্রকৃতিকে নবরূপে নতুন বছর হেতু সুসজ্জিত করে দেয়। অবশেষে চৈত্রের সাথে সাথে বাংলার বুকে একটি বছরের অবসান ঘটে।  আবার ফিরে আসে অগ্রজ গ্রীষ্ম- সোনার বাংলার বুকে ঋতুচক্র এমন ভাবেই চলতে থাকে।

 অর্থনীতি:

  • খাদ্যশস্যের ফলনে ঋতুচক্রের প্রভাব

বাংলার মতোন নানা ঋতুর এমন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য পৃথিবীর খুব কম দেশেই রয়েছে। প্রতি দুই মাস অন্তর নতুন নতুন ঋতুর আগমন বাঙালির জীবনকে যেমন আনন্দে ভরিয়ে তোলে, তেমনি বাঙালির আর্থসামাজিক জীবনেও এই ঋতু বৈচিত্র্যের সীমাহীন প্রভাব রয়েছে।

বিশেষ করে বাঙালির অর্থনৈতিক জীবনের সঙ্গে এই ঋতুচক্রের এক সুগভীর সম্পর্ক বর্তমান। কিংবা বলা ভালো বাংলার গ্রাম্য কৃষি অর্থনীতির বেশিরভাগটাই গড়ে উঠেছে এই ঋতু বৈচিত্রকে কেন্দ্র করে। বিভিন্ন বিভিন্ন ঋতুকে কেন্দ্র করে বাংলার কৃষকেরা নানা মরশুমী ফসল ফলায়। গ্রীষ্মে বপন করা ফসলের রূপ একরকম; আবার শীতে তার রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

অন্যদিকে কোন কোন ফসল ফলানোর জন্য সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত বর্ষার অকৃপণ বৃষ্টিধারা। বর্ষার অশ্রান্ত ধারাতে কচি ধানের জমিতে জল জমে, শরতের তাজা রোদ ও মাঝে মাঝে বৃষ্টি গাছ গুলিকে পুর্নতা দান করে। হেমন্তের শিশির অন্নের শস্যদানার ক্ষিরকে পুষ্ট করে তোলে। অগ্রহায়ণ মাসে গ্রাম বাংলা মেতে ওঠে নবান্ন উৎসবে। বসন্তে রবি শস্যে পাক ধরে।  

  • মরশুমী ফুল ও ফলচাষে ঋতুচক্র

গ্রীষ্মের রোদ্দুরে সুমিষ্ট আম, লিচু, জাম, কাঁঠাল, তরমুজের ফলন ভুলিয়ে দেয় খরতপ্ত সূর্যের প্রখর দাবদাহকে। বর্ষায় চাষ হয় পানিফল, আনারস ইত্যাদির। আবার প্রতিটি ঋতুতে রংবেরঙের নানা ফুল বাংলাকে নতুন নতুন রঙে রাঙিয়ে তোলে।  এই ফুল ও ফল চাষের উপর ভিত্তি করেই গ্রামবাংলার বুকে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করে।

তাই বাংলার কৃষককুলের জন্য প্রতিটি ঋতুর আগমন অত্যন্ত জরুরি। বাংলার বুকে প্রকৃতির এই ঋতু বৈচিত্রের ক্ষেত্রে সামান্যতম উত্থান-পতন গ্রামবাংলা তথা সমগ্র বাংলার অর্থনীতির ওপর এক সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।

ষড়ঋতুর বৈশিষ্ট্য:

গ্রীষ্মকাল

ঋতু-পরিক্রমার প্রথম ঋতু গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্ম হল রুদ্র তাপস। রুক্ষ তার তনু।’ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল।’ তৃতীয় নেত্রে অগ্নিস্রাবি দৃষ্টি। তার ‘ লোলুপ চিতাগ্নি শিখায়’ আকাশ বাতাস মাটি হয় দগ্ধ।

সূর্যের প্রখর তাপে প্রচণ্ড দাবদাহে বাংলার মাটি, খাল, বিল, নদী-নালা শুষ্ক হয়ে পরম তৃষ্ণায় সামান্য বর্ষার প্রতীক্ষা করতে থাকে। তবে এমন রুদ্র রূপ এর মধ্যেও প্রকৃতি গ্রীষ্মের ডালি ভরে দেয় চম্পক, রজনীগন্ধা সহ আম, জাম, কাঁঠালের মতো নানা সরেস ফল ফুল দিয়ে। অবশেষে প্রখর রুদ্র মূর্তিতে বর্ষার আবাহন করে জ্যৈষ্ঠের শেষে এর অবসান ঘটে। 

বর্ষাকাল

গ্রীষ্মের অবসানে হাজির হয় ‘ ঘন গৌরবে নবযৌবন বরষা।’বর্ষা হল ঋতু-পরিক্রমার দ্বিতীয় ঋতু। রুদ্র তাপস গ্রীষ্মের রুক্ষ অগ্নিস্রাবি দৃষ্টি আর প্রখর দাবদাহে শুষ্ক প্রকৃতি যখন পরম তৃষ্ণায় কাতর, তখনই মেঘের দামামা বাজিয়ে আকাশ কালো করে ধরিত্রীর বুকে নেমে আসে অঝোর বর্ষণ। এই অঝোর বৃষ্টি ধারায় ভরে যায় খাল বিল ,নদী, নালা।

এই সময়ে প্রকৃতি আবার নব কলেবরে সজ্জিত হয়ে ওঠে। ফুটিফাটা মাটি, খাল-বিল, নদী-নালা, পশুপাখি সকলে প্রশান্তিময় শীতলতায় স্বস্তি ফিরে পায়। গ্রাম বাংলার বুকে কৃষকের মন নেচে ওঠে আনন্দে। জমিতে বীজ তোলা ও রোপণের ধুম পড়ে।

শরৎকাল

দুইমাস ব্যাপী বর্ষার অবসানে জল থৈ থৈ স্নিগ্ধ শীতল প্রকৃতির বুকে তৃতীয় ঋতু শরতের একটা আলাদা মাধুর্য ও বৈচিত্র্য রয়েছে। ঘনকালো মেঘে জমে থাকা বর্ষণের বাষ্প পৃথিবীর বুকে অঝোর ধারায় ঢেলে দিয়ে এসময় আকাশ হয়ে ওঠে ঘননীল। পেঁজা পেঁজা তুলোর মতো মেঘ আকাশের বুকে ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত ভেসে বেড়ায়।

তারা অতি স্নিগ্ধ, প্রশান্ত; যেন আর তাদের কোন তাড়া নেই। মাঠে মাঠে প্রস্ফুটিত কাশগুচ্ছ প্রকৃতির সাজসজ্জায় এক অনন্য মাত্রা এনে দেয়। এমন স্নিগ্ধ, শীতল প্রকৃতির বুকে জীবনের একঘেয়েমি দূর করে বাঙালি মেতে ওঠে পুজা পার্বনে। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবগুলি এসময় পালিত হয়ে থাকে, যার মধ্যে অন্যতম হলো দুর্গোৎসব। 

হেমন্ত

কুয়াশার  ঘোমটা টেনে বিষাদখিন্ন হৃদয়ে বৈরাগ্যের তপস্যায় বাংলার চতুর্থ ঋতু হেমন্ত থাকে নীরব। হেমন্ত যেন বাংলার একান্ত নিজস্ব সম্পদ। কারণ অন্য কোথাও এর উপস্থিতি তেমন লক্ষ্য করা যায় না। এই হেমন্তেরই অগ্রহায়ণ মাসে আসে বাঙালির চির আকাঙ্খিত নবান্ন উৎসব।

এসময় ধান কাটা শেষ হয়ে শুরু হয়; হয় চৈতালি ফসলের আয়োজন। শুকনো বাতাসে থাকে এক মন্থরতা। কার্তিক এবং অগ্রহায়ণ এই দুই মাস ধরে হেমন্ত ঋতুর ব্যাপ্তি। এই দুই মাসে প্রকৃতি ধীরে ধীরে স্নিগ্ধ শীতল থেকে আরো শীতলতর হতে থাকে। অবশেষে প্রকৃতিকে ঘাসের ওপর হীরের মতন চিকচিকে শিশির উপহার দিয়ে হেমন্ত বিদায় নেয়।

শীতকাল

শিশির শয্যায় হেমন্তের অবসানে আসে শীত। শীতকালে পদে পদে জড়িয়ে থাকে শীতাতুর জড়তা। তবুও শীত বাঙালির উৎসবের; অত্যন্ত কাছের প্রিয় এক ঋতু। এই সময়ে বাঙালি মেতে ওঠে নানা ধরনের মিলন মেলায়। বাজারে আসে নতুন নতুন ফল ও সবজি। প্রকৃতির গাছপালা নিজের জীর্ণ পুরাতনকে ঝরিয়ে ফেলে নতুন রূপে সেজে ওঠার জন্য প্রস্তুত হয়।

ঋতুরাজ বসন্ত

সকল ঋতুর অবসানে বছরের অন্তিম লগ্নে আগমন ঘটে বসন্তের। এর উজ্জ্বল আলোর ধারায় চারিদিক হয় উদ্ভাসিত। শীতে ঝরে যাওয়া জীর্ণ প্রকৃতি নবকলেবর সেজে ওঠে। গাছপালাতে লাগে নতুন সবুজের ছোঁয়া। প্রস্ফুটিত শিমুল পলাশের অর্ঘ্যে আগমন ঘটে বাগদেবী সরস্বতীর। বাঙ্গালী গৃহবাসী দ্বার খুলে মেতে ওঠে নতুন রঙের খেলায়। আর কোকিলের কুহুতান এই অনাবিল আনন্দে এক নতুন মাত্রা যোগ করে দেয়।

উপসংহার:

বাংলার ঋতু পরিক্রমা কেবল প্রকৃতির রূপ পরিবর্তনের ধরাবাঁধা পটচিত্র মাত্র নয়। বাংলার ঋতুচক্র বাঙালির চেতনাকে মায়াময় কবিত্বে ভরে দিয়ে যায়। প্রকৃতির এই ঋতুচক্রে বাঙালির জীবন সুখ দুঃখে মিলেমিশে আবর্তিত হয়।

ঋতুচক্রের কারণে যেমন প্রকৃতি নতুন নতুন সাজে সজ্জিত হয় তেমন কখনও অনাবৃষ্টির কারণ খরা বা কখনো অতিবর্ষনে বন্যাও হয়ে থাকে। বছরজুড়ে বৈচিত্র্যময় আবর্তনে এই ঋতুচক্র আমাদের যেন দুঃখকে জয় করে সুখের প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্রই শিখিয়ে দিয়ে যায়।


আজকের রচনা "বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য"/"বাংলার ষড়ঋতু" আপনার কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।বানান বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকলে কমেন্ট করে সংশোধনের সুযোগ করে দিন।আমাদের সাথে যুক্ত থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।।

আর পড়ুন

Paribesh Dushan o Tar Protikar
বাংলার উৎসব
গাছ আমাদের বন্ধু
বিজ্ঞান ও কুসংস্কার
স্বামী বিবেকানন্দ রচনা

উল্লেখ: ঋতু - উইকিপিডিয়া

Print Friendly, PDF & Email
লেখক পরিচিতি
Rakesh Routh
রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

পরবর্তী পড়ুন

একটি রাজপথের আত্মকথা রচনা [সঙ্গে PDF]

আমাদের প্রতিদিনের যাওয়া আসার ব্যাস্ত পথ তার অন্তরে ইতিহাসের কত স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে তা শুধু সে একাই জানে। মাটির […]

স্বেচ্ছায় রক্তদান রচনা [সঙ্গে PDF]

কোনো মানুষের বিপদে তার পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া একজন আদর্শ মানুষের পরিচয়। প্রতি মুহূর্তে একবিন্দু রক্তের জন্য […]

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা [সঙ্গে PDF]

যে কোনো জাতির শিক্ষা ও সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হল সেই জাতির কবি ও সাহিত্যিক। বাঙালি কবি, লেখক, বা সাহিত্যিক বললেই […]

বিশ্ব পরিবেশ দিবস রচনা [সঙ্গে PDF]

দিন দিন দূষণ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমাদের পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। সমস্ত প্রাণী জগৎ বিভিন্ন মারণ রোগের শিকার […]

পিতামাতার প্রতি কর্তব্য রচনা [সঙ্গে PDF]

যারা আমাদের এই পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে, যথাযথ লালন পালনের মধ্য দিয়ে বড়ো করেছেন, যাদের স্নেহ, ভালোবাসা, শাসন আমাদের জীবনকে সঠিক […]

আমার প্রিয় শিক্ষক রচনা [সঙ্গে PDF]

আমাদের প্রত্যেকের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষক থাকেন, তাঁরা প্রত্যেকেই আমাদের শিক্ষাদানের মধ্য দিয়ে জীবনের সঠিক পথ প্রদর্শনে সহয়তা করেন। তাঁরা প্রত্যেকেই […]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Proudly Owned and Operated by Let Us Help You Grow Online ©️