দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও তার প্রতিকার রচনা [সঙ্গে PDF]

আদিম যুগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কাছে মানুষ ছিল বড়োই অসহায়। কিন্তু মানুষ তার বুদ্ধির বলে প্রকৃতির উপকরণকে কাজে লাগিয়ে প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে লড়াই করে এ পরিবেশকে নিজের বাসযোগ্য করে তুলেছে। সভ্যতার উপর প্রকৃতির খেয়ালে ঘটে যাওয়া নানান বিপর্যয় এবং এই বিপর্যয় থেকে বাঁচার জন্য সম্ভাব্য প্রতিকারের খোঁজেই আজকের উপস্থাপনা প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও তার প্রতিকার রচনা।

প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও তার প্রতিকার রচনা

ভূমিকা:

পৃথিবীতে সৃষ্টি তথা স্থিতির পাশাপাশি প্রলয়ও একইভাবে বিরাজমান। পৃথিবীর উপর সভ্যতার বোঝা যখন স্থানুর মতন চেপে বসে, হয়তো তখনই বিশ্বের মাথার উপর নেমে আসে বিপর্যয়ের খাঁড়া। আর তেমনই এক একটি বিপর্যয় আপন বিধ্বংসী মহিমায় একটি সভ্যতাকে করে দিতে পারে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত।

এই পৃথিবীতে বিপর্যয়কে মোটামুটি দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হলো মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়, আর অন্যটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়। প্রকৃতির রোষানলের কাছে মানুষ যে কত অসহায় এই সকল প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হলে মানুষ অনুধাবন করতে পারে।

সভ্যতার আস্ফালন যতই তীব্র হোক না কেন প্রকৃতির অনন্ত শক্তির কাছে তা অতি তুচ্ছ। সভ্যতার উপর প্রকৃতির খেয়ালে ঘটে যাওয়া এই সকল বিপর্যয় এবং এই বিপর্যয় থেকে বাঁচার জন্য সম্ভাব্য প্রতিকারের খোঁজেই এই প্রতিবেদনের উপস্থাপনা। 

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সংজ্ঞা:

প্রাকৃতিক বিপর্যয় সম্পর্কে বিশদ আলোচনার পূর্বে এর সংজ্ঞা নিরূপণ করা একান্ত প্রয়োজন। নচেৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য অনুধাবন করা সহজ হবে না। প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলো মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রকৃতির নিজস্ব খেয়াল অনুসারে পরিচালিত এমন এক বিধ্বংসী প্রক্রিয়া যা বিপুল পরিমাণ পার্থিব সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং মানুষ তথা অন্যান্য প্রাণীর জীবনহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই ধরনের বিপর্যয় বলতে প্রকৃতির সেই রুদ্ররোষকে বোঝানো হয় যার প্রলয়ংকারী গ্রাসে তলিয়ে গিয়ে মানব সভ্যতা তথা জীবজগতের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সাময়িকভাবে বা দীর্ঘ সময়ের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায়। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত সংজ্ঞা অনুসারে সম্পদহানি কিংবা জীবনহানি না ঘটলে কোন প্রাকৃতিক গঠনমূলক প্রক্রিয়াকে বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না। 

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রকারভেদ:

প্রকৃতির খেয়াল বোঝা অত্যন্ত কঠিন। তাই এই খেয়ালের রুদ্ররোষের প্রকার নির্ধারণ করাও খানিক দুঃসহ। প্রাচীন বৈদিক ধারণা অনুসারে এই পৃথিবী মোট পাঁচটি মৌলিক উপাদান বা পঞ্চভূত দ্বারা গঠিত। এই উপাদান গুলি হল ক্ষিতি বা ভূমি, অপ বা জল, তেজ অর্থাৎ অগ্নি, মরুৎ বা বায়ু এবং ব্যোম অর্থাৎ আকাশ।

পৃথিবীর গঠনগত এইসব কয়টি উপাদান পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং এই গঠনগত উপাদানগুলিই হল সকল বিপর্যয়ের মূল উৎস। তাই এই উৎসগুলির উপর ভিত্তি করেই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কয়েকটি প্রকার চিহ্নিত করা যায়। সেই প্রকারগুলি সম্বন্ধে নিম্নে আলোচনা করা হল।

বিপর্যয় রূপে ঝড়:

পৃথিবীর একটি অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলো বিধ্বংসী ঝড়। এই ঝড়ের মূলগত উৎস হল সৃষ্টির অন্যতম মৌলিক উপাদান মরুৎ বা বায়ু। প্রকৃতির নিজস্ব খেয়াল অনুসারে বায়ু যখন কোন নির্দিষ্ট ভঙ্গিমায় কিংবা এলোমেলোভাবে ভীষণ গতিতে বইতে থাকে তখন তাকে আমরা ঝড় বলে চিনি। প্রাকৃতিক বিপর্যয় রূপে এই ঝড় বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

স্থানগত বৈশিষ্ট্য অনুসারে বিজ্ঞানীরা কোথাও এই ধরনের ঝড়কে টর্নেডো, কোথাও হারিকেন, কোথাও বা টাইফুন, আবার কোথাও সাইক্লোন বলে অভিহিত করে থাকেন। আমাদের মতন সমুদ্র উপকূলবর্তী ভূখণ্ডের মানুষেরা ঝড়ের প্রকোপের সঙ্গে সুপরিচিত। প্রতিবছরই একের অধিক ঘূর্ণিঝড় এখানে দেখা যায়।

বঙ্গোপসাগরে উপকূলবর্তী অঞ্চলে এই ধরনের ঝড় সাইক্লোন নামে পরিচিত। প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা অসংখ্য ঝড়ের প্রকোপে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং জীবনহানি হয়ে থাকে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এমন একটি ঝড়ের মধ্যে আমফান সুপার সাইক্লোন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

করাল বন্যা:

বন্যা হলো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তালিকায় অন্যতম প্রধান একটি প্রকার। বন্যার কারণ বিভিন্ন হতে পারে। কখনো অতিবৃষ্টির ফলে নদী কুল ছাপিয়ে গিয়ে উপকূলবর্তী অঞ্চল জলে ভেসে গিয়ে বন্যা দেখা দিতে পারে। আবার কখনো বাঁধ থেকে অতিমাত্রায় জল ছাড়ার ফলেও বন্যা দেখা দিতে পারে।

এছাড়া বন্যার আধুনিকতম কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে প্রাকৃতিক নদী পথের ওপর মানুষের নির্বিচার শোষণ। বন্যার ফলে জনজীবন বেশ কিছুদিনের জন্য সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়। সকল ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এছাড়া মানুষ গৃহহারা হয়, কৃষক ক্ষেতহারা হয়; ফলে সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, অসংখ্য মানুষ করাল বন্যার ছোবলে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

সর্বনাশা খরা:

এই পৃথিবীতে সাদা-কালো, ভালো-মন্দ ইত্যাদি পরস্পরবিরোধী সত্তা সমান্তরালভাবে বর্তমান। তেমনি পৃথিবীতে বর্তমান প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তালিকাতেও একদিকে যেমন অতিবৃষ্টির ফলে বন্যার নিদর্শন রয়েছে, অন্যদিকে আবার অনাবৃষ্টির কারণে ঘটা খরার উদাহরণ রয়েছে। পৃথিবীর কোন স্থান যখন একদিকে বন্যায় ভেসে যায়, অপরদিকে আবার সেই পৃথিবীর অন্য কোন প্রান্ত খরার প্রকোপে প্রখর সূর্যতাপে ফুটিফাটা হয়।

এ বিশ্বে খরা অসংখ্য মানুষের জন্য অভিশাপ বয়ে নিয়ে আসে। খরা হল দীর্ঘকালীন অনাবৃষ্টির ফলে পৃথিবীর বুকে নেমে আসা বিপর্যয়। পৃথিবীতে এ বিপর্যয়ের প্রকোপ বিশেষভাবে অনুভব করতে পারেন কৃষকেরা। পৃথিবীর মাটি এসময় ফুটিফাটা হয়ে যায়, ফসল শুকিয়ে যায়, উদ্ভিদ সহ সমস্ত প্রাণীকুল একটুখানি জল পাবার তেষ্টায় ধুঁকতে থাকে। বিশ্ব গঠনের অপর এক মৌলিক উপাদান ‘তেজ’ দ্বারা উদ্ভূত এই খরার রূপ সর্বনাশা।

বিধ্বংসী ভূমিকম্প:

এই পৃথিবীর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তালিকা যত দীর্ঘ হবে, আমরা  ততোই খোঁজ পাব আরো বিধ্বংসী সব বিপর্যয়ের। এমনই এক অতি পরিচিত বিধ্বংসী বিপর্যয় হলো ভূমিকম্প। ভূমিকম্প হল ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে ঘটে চলা নানাবিধ ভূ-অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট পৃষ্ঠ কম্পন যা ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে গড়ে ওঠা সভ্যতাকে ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত করে।

ভূমিকম্পের ফলে ভূপৃষ্ঠ কোথাও কোথাও চির খেয়ে ফেটে যায়। অতিরিক্ত ভূকম্পনের ফলে বড় বড় ইমারত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। প্রতিবছর ভূমিকম্পের কারণে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সম্পদহানি ঘটে, পাশাপাশি ঘটে যায় অসংখ্য জীবনহানি। পৃথিবীর এই নির্মম পরিহাসকে রুখে দেওয়ার কোন রাস্তা এখনো অবধি বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করতে পারেননি। 

প্রলয়ঙ্করী সুনামি:

বিশ্বের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের তালিকায় সম্ভবত সবচেয়ে প্রলয়ংকরী যে বিপর্যয় সম্ভবত তা হলো সুনামি। এই সুনামি কেবলমাত্র একটি বিপর্যয় দ্বারা সভ্যতাকে বিধ্বস্ত করে না, বরং বিবিধ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সমাহারে সুনামির ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কোন প্রকার ভূ অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকলাপের কারণে সমুদ্রের জল স্তরে যে ব্যাপক উচ্ছাস সৃষ্টি হয় এক কথায় তাকেই সুনামি বলে।

পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া এমন বিধ্বংসী সুনামির মোট সংখ্যা খুব একটা বেশি না হলেও কোন একটি সমুদ্র সংলগ্ন জনপদকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য একটি সুনামিই যথেষ্ট। পৃথিবীর এশিয়া মহাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব অংশ ২০০৪ সালে এমনই এক বিধ্বংসী সুনামির সম্মুখীন হয়েছিল। সেই সুনামিতে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল তা সম্পূর্ণরূপে পূরণ করে ওঠা এখনো পৃথিবীর পক্ষে সম্ভব হয়নি। 

প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রতিকারের উপায়:

সত্যি কথা বলতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্পূর্ণ প্রতিকারের কোন উপায় এখনো অবধি বিজ্ঞানের নাগালের বাইরে। কেবলমাত্র অগ্রিম সচেতন বার্তার মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে ঘটে যাওয়া ধ্বংসের প্রকোপ কিছুটা এড়ানো সম্ভব। তবে একথাও ঠিক যে মানুষের সভ্যতাগত নানা ক্রিয়া-কলাপের প্রভাবও এই প্রকৃতির ওপর পড়ে।

সেই সকল স্বনিধনমূলক কাজ কর্মের উপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে কিছু কিছু প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে হয়তো আটকানো সম্ভব। এই প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাপী বেড়ে চলা অনাবৃষ্টির প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। পৃথিবীতে জলাভূমি বোজানো এবং বৃক্ষ ছেদনের মতন প্রক্রিয়া যত বাড়বে, ততোই বাড়বে অনাবৃষ্টির প্রবণতা।

আবার অন্যদিকে বাঁধ দিয়ে নদীর স্বাভাবিক গতিতে কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রবণতাও ব্যাপকভাবে বাড়বে। তাই পরিবেশের কথা মাথায় রেখে মানুষকে তার সভ্যতার তথাকথিত উন্নয়নমূলক কাজকর্মে অবিলম্বে নাগাল টানতে হবে। 

প্রতিকারের উদ্যোগ:

প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রতিকারের উদ্দেশ্যে এবং এই সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পৃথিবীর জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। কোথাও ভূমিকম্প, সুনামি কিংবা বিধ্বংসী ঝড় সম্পর্কে অগ্রিম সচেতনতা দেবার জন্য গঠিত হয়েছে নানা মহাদেশীয় সংস্থা, আবার কোথাও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিশ্বজুড়ে কাজ করে চলেছে অসংখ্য সরকারি বেসরকারি সংস্থা।

বর্তমানে বিশ্বের সুধীজনেরা উপলব্ধি করতে পেরেছেন পরিবেশ রক্ষা পেলে তবেই মানুষ বিভিন্ন দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে। সে কারণে বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে চলছে ব্যাপক প্রচার। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব এই প্রচারে প্রতিনিয়ত এগিয়ে আসছেন। তাছাড়া প্রতিটি দেশে বর্তমানে জাতীয় স্তরে গঠিত হয়েছে বিশেষ বিপর্যয় মোকাবিলা দল। তারা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সঙ্গে লড়াই করে বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে মানুষকে রক্ষা করার কাজ করে থাকে।

উপসংহার:

মানুষ তার সভ্যতার অগ্রগতির পথে যতই উন্নতিসাধন করুক না কেন, এই সৃষ্টির ব্যাপকতায় তার সবটুকুই অতি তুচ্ছ হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত পৃথিবীর বুকে ঘটে চলা অসংখ্য প্রাকৃতিক বিপর্যয় এই সত্যটিকেই আমাদের সামনে তুলে ধরে। তাই আমাদের সকলের পরম কর্তব্য এই সৃষ্টির মহানতাকে সম্মান করা।

মানুষ স্বয়ং কখনো সৃষ্টির থেকে বড় হতে পারে না, সে কেবল সৃষ্টির ফল হিসেবে একটি তুচ্ছ জীব মাত্র। তবু জীবন মানুষের অতি প্রিয়; সেই যে কোনো মূল্যে চায় বেঁচে থাকতে। সে কারণেই মানুষ প্রতিকার খোঁজে প্রাকৃতিক বিপর্যয়েরও। সেই প্রতিকারের পথ কণ্টকাকীর্ণ, অলঙ্ঘনীয়।

তবু যত প্রতিকূলতাই থাকুক না কেন, তাকে অতিক্রম করে হয়তো মানুষ একদিন জীবনের চরম মূল্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হবে; মানব স্বভাবোচিত এই স্বপ্নময় অলীক কল্পনা নিয়ে প্রতিবেদন শেষ করতে কোন বাধা নেই।


প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও তার প্রতিকার রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান। আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার। এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম আমাদের কমেন্ট করে জানান। দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো। সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট