দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

পরিবেশ উন্নয়নে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা রচনা [সঙ্গে PDF]

বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতায় মাত্রাহীন দূষণের আক্রমণে আমাদের পরিবেশ দিন দিন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পরিবেশের ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা যথেষ্ট চিন্তিত।আমাদের সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আমাদের পরিবেশকে সুস্থ রাখা একান্ত প্রয়োজন। আমাদের নিজেদের স্বার্থে ও সমস্ত প্রাণী জগতের স্বার্থে পরিবেশকে দূষণমুক্ত করে তোলা আমাদের সকলের কর্তব্য। এ নিয়ে আজকের উপস্থাপন পরিবেশ উন্নয়নে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা রচনা।

পরিবেশ উন্নয়নে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা প্রবন্ধ রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

এই পৃথিবীতে মানুষ জীবনযাপন করে মূলত দুটি মৌলিক উপাদানের উপর ভিত্তি করে। তার একটি হল সহায় এবং অন্যটি সম্ভাবনা। সহায় এবং সম্ভাবনা এই দুয়ের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার উপর ভিত্তি করেই মানব সভ্যতার উন্নতি সাধিত হয়। সহায় এবং সম্ভাবনা সভ্যতাকে যথাক্রমে ধারণ ও বহন করে নিয়ে চলে। কিন্তু জীবনধারণের এই দুইটি মৌলিক উপাদান একা পৃথকভাবে বিকাশ লাভ করতে পারে না।

একদিকে যেমন সহায় সম্ভাবনাকে বিকশিত করে, অন্যদিকে তেমনি বিকশিত সম্ভাবনা সহায়কে সংরক্ষণ করে। ওতপ্রোতভাবে জড়িত পারস্পারিক এই সম্পর্কের মধ্যেই লুকিয়ে আছে মানব সভ্যতার উন্নতির রহস্য।

সামাজিক সভ্যতার প্রকৃত ধারক অর্থাৎ সহায়ক হিসেবে কাজ করে আমাদের পরিবেশ, এবং বাহক অর্থাৎ সম্ভাবনা হিসেবে কাজ করে আমাদের শিক্ষার্থী বা ছাত্রছাত্রীরা। এই দুইয়ের সার্থক পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে এ পৃথিবীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। 

আমাদের পরিবেশ:

আমাদের পরিবেশ হলো আমাদের সকলের অস্তিত্বের আধার, সভ্যতার আদি এবং অনন্ত।পরিবেশের উপর ভিত্তি করেই মানুষ তথা এ পৃথিবীর অন্যান্য প্রাণীকুল জীবন ধারণ করে থাকে। মানুষ তার সভ্যতাকে যতই উন্নত করে তুলুক না কেন, এই পৃথিবীর মানুষকে তার পরিবেশের সাথে এমনই এক অলঙ্ঘ্য শৃংখলে আবদ্ধ করে রেখেছে যে সেই বন্ধন থেকে মুক্তির অর্থ হল মানব অস্তিত্বের বিনাশ।

সে কারণেই বলা হয় আমাদের পরিবেশ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এই সম্পদ সৃষ্টির ঐন্দ্রজালিক মহিমায় অনন্তকাল বিকশিত হয় এবং সেই সম্পদের ভাগ আহরণ করে সভ্যতা বিকাশ লাভ করে। তাই পরিবেশকে যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা করা আমাদের একান্ত কর্তব্য। কারণ মানবজাতির প্রতিদিনকার জীবনে যে অবদান এই পরিবেশ রেখে চলেছে তার প্রকৃত মূল্য দেবার মত সামর্থ্য মানুষের নেই। 

পরিবেশ উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা:

পরিবেশ উন্নয়নের আলোচনা প্রসঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে যে আমাদের পরিবেশের রূপ যদি এতই ব্যাপক এবং শাশ্বত হয়, তাহলে তার উন্নয়নের প্রয়োজনে মানবজাতির অবদানের কোন ভূমিকা আদৌ থাকতে পারে কি! এক্ষেত্রে উল্লেখ্য হল পরিবেশের এই উন্নয়ন বলতে প্রকৃতপক্ষে পরিবেশ সংরক্ষণকে বোঝানো হয়ে থাকে।

সৃষ্টির আদি লগ্ন থেকে পরিবেশ থেকে বেঁচে থাকার উপাদান আহরণ করে করে মানুষ জীবন ধারণ করতে করতে কখন যে সেই আহরণ নির্বিচার শোষণে পরিণত হয়েছে মানুষ তা অনুধাবন করতে পারেনি। যুগ যুগ ধরে এই শোষণের ফলে আমাদের চারপাশের পরিবেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এবং তার নির্মল রূপ বহুগুণে বিনষ্ট হয়েছে। পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে নানান প্রাণীকুল তথা উদ্ভিদরা।

পরিবেশের ওপর নির্বিচার শোষণ এবং তার ফলস্বরূপ উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের এই অবলুপ্তি জন্ম দিয়েছে আধুনিক প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতার। এই ভারসাম্যহীনতা দূর করার উদ্দেশ্যে পরিবেশের সংরক্ষণ করার নামই হলো পরিবেশ উন্নয়ন। এই উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষ যদি পরিবেশে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে না পারে তাহলে মানুষের অস্তিত্ব সংকট আটকানোর আর কোন রাস্তা থাকবে না।

পরিবেশ এবং শিক্ষার্থী: এক সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত:

এই প্রতিবেদনের সূচনালগ্নেই উল্লেখ করা হয়েছিল যে পরিবেশ যেমন আমাদের সভ্যতার প্রধান সহায়, তেমনি ছাত্র-ছাত্রী বা শিক্ষার্থীরা হল সমাজের প্রধান সম্ভাবনা। ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অনন্ত সম্ভাবনার ওপর নির্ভর করেই বর্তমানকালের এই উন্নত উদ্ধত সভ্যতার বিকাশ লাভ করেছে।

এই দানবীয় সম্ভাবনাকে যদি পরিবেশের উন্নয়ন কার্যে ব্যবহার করা যায় তাহলে পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত কর্মসূচির বাস্তবায়নের পথে সকল বাধা দূরীভূত হতে পারে। সকল ছাত্র-ছাত্রী তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সাধারণত থাকে আবেগপ্রবণ, তরুণ শরীরে থাকে কার্যসম্পাদনের অনন্ত উদ্দীপনা।

এই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশের গুরুত্ব এবং তার সংরক্ষণের বিষয়ে যথাযথ প্রেরণা জাগিয়ে তুলে তাদের অনন্ত উদ্দীপনাকে পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারলে আমাদের চারপাশের পরিবেশের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হতে পারে। সৃষ্টির অমোঘ নিয়ম অনুযায়ী সম্ভাবনা যেমন সহায়ের সংরক্ষণের জন্য কার্যকরী হতে পারে, তেমনি ছাত্রছাত্রীরাও তাদের অন্তঃস্থলে লুকিয়ে থাকা অনন্ত সম্ভাবনা দ্বারা সভ্যতার সহায় এই পরিবেশের উন্নয়নে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে।

উপমহাদেশীয় ইতিহাসে পরিবেশ ও ছাত্র-ছাত্রীর বন্ধন:

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বারবার পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর পারস্পারিক সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। ভারতবর্ষে প্রাচীনকালে যখন শিক্ষার্থীগণ ব্রহ্মচর্য পালনের জন্য গুরুগৃহে দিন যাপন করত, তখন সেখানে সেই সব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি পরিবেশের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্কও গড়ে উঠত।

প্রাচীন ভারতীয় গুরুকুলমূলক শিক্ষা কাঠামোর মূল চরিত্রগত বৈশিষ্ট্যই এভাবে গড়ে উঠেছিল। শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি তারা পরিবেশকে সম্মান করতে শিখত, মানব জীবনে পরিবেশের অন্তহীন গুরুত্বকে অনুধাবন করতে শিখত। এই শিখনের মধ্য দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে করে উঠত পরিবেশ সম্বন্ধে এক গভীর মূল্যবোধ, যা পরবর্তীতে সমাজকে ধারণমূলক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করত।

বর্তমানকালে ছাত্র-ছাত্রী ও পরিবেশের সম্পর্ক:

বর্তমান যুগে দ্রুতগতির জীবনযাত্রায় প্রাচীন যুগের সেই পরিবেশমূলক শিখনের রূপ বহুমাত্রায় বদলে গিয়েছে। আধুনিক যুগে বহুকাল পর্যন্ত শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবেশ শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে জ্ঞান এবং সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। এই ফল হিসেবে বর্তমান সমাজের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট মূল্যবোধের অভাব লক্ষ্য করা যায়।

বর্তমান এই ভোগমূলক সভ্যতার ঢক্কানিনাদের যুগে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীই পরিবেশকে একটি সাধারণ ভোগ্য বস্তু বলে মনে করে তার গুরুত্ব সম্পর্কে উদাসীন থেকে যায়। এই উদাসীনতাই সেই শিক্ষার্থীর মনে মূল্যবোধহীনতার জন্ম দেয়। যদি পরবর্তীকালে কখনো সেই শিক্ষার্থী পরিবেশের গুরুত্ব অনুধাবন করতেও পারে, তবুও তার মধ্যে আর পরিবেশ সংক্রান্ত মূল্যবোধ গড়ে ওঠার অবকাশ থাকে না।

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পরিবেশ উন্নয়নমূলক কর্মসূচি:

ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অনন্ত সম্ভাবনাকে পরিবেশের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কাজে লাগাতে গেলে সর্বপ্রথম তাদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতার বীজ রোপণ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা কালে শিক্ষার্থীদের মনের অন্তঃস্থলে এই বীজ রোপিত হলে ধীরে ধীরে তা পরিবেশ সম্পর্কে মূল্যবোধের মহীরুহ হয়ে উঠবে।

তখন আপনা থেকেই তাদের মধ্যে পরিবেশের উন্নয়নমূলক বিষয়ে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহ জন্মাবে। ছাত্র-ছাত্রীদের মনে পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা কাল থেকেই শিক্ষার্থীদেরকে একটু একটু করে পরিবেশের উন্নয়নমূলক নানা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করানো যেতে পারে।

এই কর্মসূচিগুলির মধ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ভ্রমণ, পৃথিবীর প্রাণী বৈচিত্রের সাথে পরিচিতি, পরিবেশ সচেতনতার প্রসারমূলক প্রচারকার্যে অংশগ্রহণ ইত্যাদিকেও পরিবেশ উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে বাধা:

ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পরিবেশ উন্নয়নমূলক কর্মসূচিগুলি বাস্তবায়নের পথে বেশকিছু বাধারও সম্মুখীন হতে হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা বয়সে ছোট হওয়ায় তাদের শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজনের তুলনায় কম হতে পারে। তাছাড়া পরিবেশ উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে কোন জীবাণু কিংবা ব্যাধি যাতে ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বাসা বাঁধতে না পারে সে ব্যাপারেও যথেষ্ট সচেতন থাকতে হয়।

এছাড়া তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রক্ষোভহীন কর্মমূলক উদ্দীপনা অধিক থাকায় তাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য যথাযথ পরিচালকের প্রয়োজন হয়। এই সকল প্রাথমিক সমস্যাগুলি ছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের একত্রিত করে পরিবেশ উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রেও যথাযথ উদ্যোগের অভাব লক্ষ্য করা যায়।

তবে মনে রাখা দরকার যেকোনো অসাধ্য সাধনের প্রাথমিক পথই সাধারনত কণ্টকাকীর্ণ হয়ে থাকে। পথের সেই কন্টক দূর করে সেই অসাধ্য অর্জনের মধ্যেই প্রকৃত উদ্যমের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে।

গৃহীত উদ্যোগসমূহ:

বিশ্বজুড়ে যথেষ্ট উদ্যোগের অভাব সত্ত্বেও পরিবেশ উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচি আয়োজনের বিভিন্ন ছোট বড় সাধু উদ্যোগকে অবশ্যই স্বাগত জানাতে হয়। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যার কথা মাথায় আসে, তিনি হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবিগুরু তার প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণের জন্য চালু করেছিলেন বনমহোৎসব।

পরিবেশের উন্নয়নকে কিভাবে একটি উৎসবের রূপ দেওয়া যায় সে ক্ষেত্রে এই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। এখনো এই উৎসব শান্তিনিকেতনে প্রতি বছর মহাসমারোহে পালিত হয়। তাছাড়া আধুনিক যুগে প্রথম বিশ্ব বিশেষ করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠক্রম এর পরিবেশ সংক্রান্ত শিক্ষার অন্তর্ভুক্তি এবং তাদের নিয়ে উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যে অংশগ্রহণ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

ভারতীয় উপমহাদেশেও বর্তমানে একটু একটু করে শিক্ষার্থীদের পাঠক্রমে পরিবেশ শিক্ষা এবং পরিবেশ সচেতনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিবছর আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনেস্কোর তরফ থেকেও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পরিবেশের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

উপসংহার:

যে চারাগাছটি আজ পদতলে দলিত হয়, ভবিষ্যতে সেই চারাগাছই মহীরুহ হয়ে ছায়া দান করবে জীবকুলকে; একইভাবে যে ব্যক্তি আজ ছাত্র কিংবা ছাত্রী, সে ই অদূর ভবিষ্যতে সমাজের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত বিধান করবে। তাই ছাত্র-ছাত্রী এবং পরিবেশ এই দুইয়ের মিলিত মিথস্ক্রিয়ার দ্বারাই একটি সুস্থ পৃথিবীর পট রচনা হতে পারে।

এই অনন্ত গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সমগ্র বিশ্বকে অনতিবিলম্বে সভ্যতার সম্ভাবনা ও সহায়ের মধ্যে সেতু রচনায় ব্রতী হতে হবে। এই সেতুর ওপর ভর করেই ধারণ মূলক উন্নয়নের পথে অগ্রগামী হবে মানব সভ্যতা।


পরিবেশ উন্নয়নে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা প্রবন্ধ রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।আপনার একটি কমেন্ট আমাদের অনেক উৎসাহিত করে আরও ভালো ভালো লেখা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় জন্য।বানান ভুল থাকলে কমেন্ট করে জানিয়ে ঠিক করে দেওয়ার সুযোগ করে দিন। সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট