গ্রন্থাগার প্রবন্ধ রচনা [PDF]

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট পরিষেবার মাধ্যমে এক মুহূর্তেই আমরা আমাদের প্রয়োজনের সমস্ত বই খুব সহজেই পেয়ে যায়। তাই আগামী দিনে গ্রন্থাগার গুলির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।সেই নিয়ে আজকের বিষয় গ্রন্থাগার প্রবন্ধ রচনা

গ্রন্থাগার প্রবন্ধ রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

জন্মের পর থেকেই এই পৃথিবীর বিভিন্ন উপাদান একটি মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব রেখে যায়। সেই সকল প্রভাব মিলিয়েই একজন মানুষের মনুষ্যত্ব গড়ে ওঠে। মানুষ তার জীবনে খুঁজে পায় যথাযথ দিকনির্দেশনা। পৃথিবীতে সেই সকল প্রভাব সৃষ্টিকারী উপাদান গুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি হলো গ্রন্থাগার। গ্রন্থাগার শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে দাঁড়ায় গ্রন্থ+আগার। অর্থাৎ গ্রন্থ যেখানে নিজের আশ্রয় খুজে নেয় তাইই হল গ্রন্থাগার।

একটি গ্রন্থাগার মানুষের অন্তরাত্মাকে সমৃদ্ধ করে জ্ঞান দ্বারা, তাকে সুযোগ করে দেয় পূর্ণরূপে বিকশিত হবার। একটি গ্রন্থাগারের মানুষ সুযোগ পায় জ্ঞানের অকূল সমুদ্রে সাঁতার কাটার। আর সুযোগ পায় সেই সমুদ্র থেকে মন্থিত জ্ঞানের বিপুল রত্নভান্ডারের মাধ্যমে নিজের জীবনকে অলংকৃত করবার। মানুষের জীবনের অন্যতম এই অবিচ্ছেদ্য উপাদানটি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার ক্ষুদ্র প্রয়াস এই উপস্থাপনা।

গ্রন্থাগার কি:

গ্রন্থাগার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনায় প্রবেশ করবার পূর্বে বোঝা প্রয়োজন গ্রন্থাগারের স্বরূপ আসলে কি! এক কথায় গ্রন্থের আশ্রয়কেই গ্রন্থাগার বলা হয়। তবে বুঝিয়ে বলতে গেলে মানুষের জীবন গঠনকারী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো জ্ঞান। সেই জ্ঞানের আকর হল গ্রন্থ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য জ্ঞান একমুখী নয়, বরং বহুমুখী। তাই কোন একটি গ্রন্থ সার্বিক জ্ঞানের বাহক হতে পারে না।

সেজন্য যে স্থানে অসংখ্য গ্রন্থ একত্রে মিলিত হয়ে তথ্যসমৃদ্ধ জ্ঞানভান্ডার তৈরি করে, তাকেই গ্রন্থাগার বলা হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরে শৃংখলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। এক কথায় গ্রন্থাগার হলো মহামানবের পবিত্র মিলনতীর্থ, যেখানে জ্ঞান, তথ্য ও মানুষের অন্তরাত্মার অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটে।

গ্রন্থাগারের প্রকারভেদ:

পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থাগার দেখা যায়। প্রতিটি গ্রন্থাগারের মূল চরিত্র গ্রন্থের আশ্রয় হলেও, গ্রন্থের চরিত্র এবং পরিচালনাগত পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে গ্রন্থাগার গুলিকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। সেগুলি হল: 

  • গণগ্রন্থাগার

গণ গ্রন্থাগার হল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত গ্রন্থাগার যা সাধারণভাবে পাবলিক লাইব্রেরী হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলি অন্যান্য গ্রন্থাকারে তুলনায় বৃহদাকার হয়ে থাকে। এইসব গ্রন্থাগারে পুস্তকের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে অধিক হয়। 

  • শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানিক গ্রন্থাগার

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলিতে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জ্ঞানপিপাসা মেটাবার জন্য গ্রন্থাগার থাকে। সেইগুলি শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানিক গ্রন্থাগার নামে পরিচিত। এইসকল গ্রন্থাগারগুলি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষত বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক বইপত্র সরবরাহ করার দিকে নজর দেয়। মহাবিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার গুলি তুলনামূলকভাবে উচ্চমান সম্পন্ন এবং বিস্তারিত তথ্য সমৃদ্ধ গ্রন্থাদি সংরক্ষণ করে থাকে।

  • গবেষণা গ্রন্থাগার

পৃথিবীজুড়ে কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা একাধিক বিষয় সম্পর্কে গবেষণার উদ্দেশ্যে পৃথকভাবে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে স্থাপন করা হয়ে থাকে গবেষণা গ্রন্থাগার। বিভিন্ন জায়গায় স্বতন্ত্র চরিত্রে গড়ে উঠলেও এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলি মূলত গবেষণাগার সংলগ্নভাবেই গড়ে ওঠে। এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলিতে কেবলমাত্র গবেষণার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের পূর্ব গবেষণামূলক তথ্যাদি, এবং গ্রন্থসমূহ সংরক্ষিত হয়।

  • বিশেষ গ্রন্থাগার

এই ধরনের গ্রন্থাগারের রূপ সবচেয়ে বিস্তৃত এবং প্রচলিত ধরনের। মূলত বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান, জাদুঘর, হাসপাতাল, ধর্মীয় সংগঠন, সংশোধনাগার ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্যোগে যেসকল স্বতন্ত্র ধরনের গ্রন্থাগার গড়ে ওঠে সেগুলিকে বিশেষ গ্রন্থাগার বলা হয়।

এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলি তাদের প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র অনুসারে বইয়ের সংরক্ষণ করে থাকে। বিভিন্ন ধরনের বহুমুখী চরিত্র সম্পন্ন বই এইসকল গ্রন্থাগারগুলিতে পাওয়া যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলির অধিগম্যতা প্রাতিষ্ঠানিক সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

  • সরকারি গ্রন্থাগার

পৃথিবীর সকল দেশেই সরকারি উদ্যোগে নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক গ্রন্থাগার গড়ে ওঠে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলেও, অনেক ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা বশত কেবলমাত্র সরকারি কর্মী এবং অধিকর্তাদের মধ্যেই এই ধরনের গ্রন্থাগারগুলির অধিগম্যতা নিয়ন্ত্রিত থাকে। 

  • ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার

বহু জায়গায় দেখা যায় বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে গাড়ির সাহায্য নিয়েই মানুষের কাছে বই পৌঁছে দেওয়া হয়। যেসকল গাড়িতে এই প্রকার ব্যবস্থাদি থাকে সেগুলিকেই ভ্রাম্যমান গ্রন্থাগার বলা হয়। এই সকল ভ্রাম্যমান গ্রন্থাগারগুলি পৃথিবীর কোনায় কোনায় সকল মানুষের কাছে জ্ঞানের ভান্ডারকে উন্মোচিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে।

ইতিহাসের গ্রন্থাগার সমূহ:

মানুষ যবে থেকে জীবনে গ্রন্থ এবং জ্ঞানের তাৎপর্য অনুধাবন করতে শুরু করলো, তবে থেকেই গ্রন্থাগারের প্রতি মানুষের ঝোঁক বাড়তে থাকল। তাই সেই প্রাচীনকাল থেকেই মূলত ব্যক্তিগত উদ্যোগে পৃথিবীতে বিভিন্ন গ্রন্থ সংগ্রহশালা গড়ে উঠতে থাকে।  ইতিহাসে গ্রন্থাগারের প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায় ২৬০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ঐতিহাসিক এবং প্রাগৈতিহাসিক যুগের সন্ধিক্ষণে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম গ্রন্থাগারটি ব্যাবিলনে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। প্রাচীন রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার গ্রন্থাগার স্থাপনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তারি পৃষ্ঠপোষকতায় তৎকালীন রোমে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থাগার গড়ে উঠেছিল। খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ বছর আগের মিসরে আলেকজান্দ্রিয়ায় গড়ে উঠেছিল তৎকালীন পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রন্থাগার। এছাড়া ভারতবর্ষে নালন্দা এবং তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশ তথা পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। 

গ্রন্থাগারের প্রয়োজনীয়তা:

গ্রন্থাগার মানুষ তথা সভ্যতার কাছে এক অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান। গ্রন্থাগার হল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দলিল। এইখানে মানুষের চিন্তা, দর্শন, গবেষণা, ইতিহাস একত্রে স্থান পায়। প্রতিটি গ্রন্থাগার ফিরে আসা যুগের মানুষের জীবন দর্শনের সাক্ষ্য বহন করে। সেই সকল দর্শন, ইতিহাস তথা গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই মানুষ এক সুন্দর বর্তমানকে নির্মাণের পথে অগ্রসর হয়।

অতীতকে বিস্তৃত হলে বর্তমান সুন্দরভাবে গড়ে উঠতে পারে না। গ্রন্থাগার সেই অতীতের সাথে বর্তমানের একটি সুষম সেতু রচনা করে। ফলে রক্ষিত হয় মানুষের ঐতিহ্য, সভ্যতার ইতিহাস, ঐতিহাসিক চিন্তাসমূহ এবং গড়ে ওঠে বর্তমান ও ভবিষ্যতের নতুন মুক্ত ভাবনা। 

গ্রন্থাগারের গুরুত্ব:

পৃথিবী, রাষ্ট্র, সমাজ তথা ব্যক্তিমানুষের জীবনে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব অপরিসীম। গ্রন্থাগার থেকেই মানুষ লাভ করে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা। পৃথিবীর যেকোন গবেষণায় প্রয়োজন হয় বহুমুখী বিভিন্ন তথ্যের। সেই সকল তথ্যের একত্র আকর ভান্ডার হলো গ্রন্থাগার। কোন মানুষ যদি সার্বিকভাবে তার অতীতকে চিনতে চায় তার জন্যেও সাহায্য নিতে হবে গ্রন্থাগারের। কোন মানুষের চিন্তার পথে কোন প্রতিকূল স্রোত যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, সেই বাধা অতিক্রম করতেও সাহায্য করে গ্রন্থাগারই। 

আধুনিক পৃথিবীতে গ্রন্থাগার:

আধুনিক পৃথিবীতে গ্রন্থাগারের মূল চরিত্র একই থাকলেও তার আবেদন এবং ধরন বিশেষ মাত্রায় বদলে যাচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেট বিপ্লবের যুগে গ্রন্থাগারের প্রতি মানুষের আকর্ষণ পূর্বের তুলনায় কিছুটা কমে আসছে। তদুপরি বিশ্বব্যাপী তথ্যের ডিজিটালাইজেশনের ফলে মানুষের হাতের কাছে অতি সহজে বিভিন্ন গ্রন্থ ই-বুক হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

কিন্তু গ্রন্থাগার তাঁর আত্মার অন্তস্থলে যে বিশেষ জ্ঞানচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করে তার বিকল্প এখনো খুঁজে পাওয়া যায় নি। সেই সঙ্গে পৃথিবীর বদলে যাওয়া পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেবার উদ্দেশ্যে গ্রন্থাগার বহু ক্ষেত্রে নিজের চরিত্রকে বদলে ফেলেছে। বর্তমানে জ্ঞানচর্চার বিশেষ পরিবেশের সাথে তথ্যপ্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আধুনিক গান একটি স্বতন্ত্র ই-রিডিং বিভাগ।

এই বিভাগে গ্রন্থাকারে সদস্যরা বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যে ডিজিটালাইজড নানা মূল্যবান তথ্যসামগ্রীর সান্নিধ্যে আসতে পারে। তাছাড়া আধুনিক গ্রন্থাগারের কথা বলতে গিয়ে বর্তমান যুগের বিভিন্ন অনলাইন লাইব্রেরীর কথাও উল্লেখ করতে হয়। এইসকল গ্রন্থাগারগুলি কখনো বিনামূল্যে বা কখনো নামমাত্র মূল্যে মানুষের কাছে গ্রন্থের সুবিশাল ভান্ডারকে উন্মোচিত করে থাকে।

সুপ্রসিদ্ধ কিছু গ্রন্থাগার:

সেই প্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীতে অসংখ্য বিখ্যাত গ্রন্থাগার গড়ে উঠেছে, যে গুলি যুগে যুগে মানুষের কাছে অমূল্য জ্ঞানভান্ডারের প্রবেশপথ উন্মোচিত করেছে। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম উল্লেখ করতে হয় মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থিত গ্রন্থাগারটির কথা। এক সময় পর্যন্ত এটি ছিল পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রন্থাগার। এছাড়া মধ্যযুগে কর্দোভা, দামেস্ক ও বাগদাদেও একাধিক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাগার ছিল

তাছাড়া প্রাচীন ভারতবর্ষের তক্ষশীলা এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমৃদ্ধ গ্রন্থাগাররের কথা তো পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো ছাড়াও আধুনিক ভারতে এশিয়াটিক সোসাইটি, আলিপুর জাতীয় গ্রন্থাগার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বিশ্বজুড়ে আমেরিকার লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস, ফ্রান্সের বিবলিওথিক ন্যাশনাল লাইব্রেরী, মস্কোর লেনিন লাইব্রেরী ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উপসংহার:

পৃথিবীতে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার ক্রমবর্ধমানতার যুগে মানুষের কাছে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল বিপ্লবের কালেও গ্রন্থাগারের প্রাসঙ্গিকতাকে তাই কোনভাবেই অস্বীকার করা যায় না। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রন্থাগারের বাহ্যিক চরিত্র কিছুটা বদলালেও তার মূল সত্তা সর্বদা একই থেকে যায়।

সেজন্য বর্তমান যুগে প্রযুক্তি এবং জ্ঞান চর্চার ঐতিহ্যের মধ্যে সেতুবন্ধন ঘটানোর ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের তাৎপর্য অপরিসীম। তাই আমরা আশা করি, জ্ঞানচর্চার আকর পীঠস্থান হিসেবে ভবিষ্যতেও গ্রন্থাগারের প্রাসঙ্গিকতা এবং গুরুত্ব অক্ষুন্ন থাকবে এবং সেই জ্ঞান মানুষের সভ্যতাকে সত্য এবং সুন্দরের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


গ্রন্থাগার প্রবন্ধ রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।আপনার একটি কমেন্ট আমাদের অনেক উৎসাহিত করে আরও ভালো ভালো লেখা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় জন্য।বানান ভুল থাকলে কমেন্ট করে জানিয়ে ঠিক করে দেওয়ার সুযোগ করে দিন।সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন:

বইমেলা রচনা
Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট