দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

কম্পিউটার রচনা (Computer Essay in Bengali) [PDF]

আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার গুলির মধ্যে এক অন্যতম আবিষ্কার কম্পিউটার।কম্পিউটারের আবিষ্কার মানব সভ্যতায় এক আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এ যেন এক যন্ত্র মস্তিষ্ক; মানুষের জটিল জটিল সমস্যা গুলি নিমিষে সমাধান করে দিতে পারে।

কিন্তু সব ভালো জিনিসেরই কিছু খারাপ দিক থাকে।কম্পিউটারও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়।কম্পিউটারের ভালো,খারাপ,আবিষ্কারের ইতিহাস সব কিছু তুলে ধরে আজকের প্রবন্ধ রচনা কম্পিউটার বা কম্পিউটার ও আধুনিক জীবন।

কম্পিউটার রচনা বৈশিষ্ট্য চিত্র

ভূমিকা:

শিল্প বিপ্লবের পর থেকে যন্ত্র বিজ্ঞানের জয়যাত্রা অব্যাহত রয়েছে।আশ্চর্য সব আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে মানুষ দুর্বার শক্তির অধিকারী হয়েছে যন্ত্র শক্তিতে।বিজ্ঞানের যুগান্তকারী বিস্ময় ও এক আধুনিকতম আবিষ্কার হলো কম্পিউটার। কম্পিউটার-এর কোনো বাংলা প্রতিশব্দ নেই।কম্পিউটার নামেই এর পরিচয়।

টেবিলের উপর রাখা যায় এমন যন্ত্রটিকে আগে ইলেকট্রনিক যন্ত্র গণক বলা হত।কিন্তু বর্তমানে এই যন্ত্রটির কাজ শুধু গণনাতে সীমাবদ্ধ নয়।এই যন্ত্রের সাহায্যে কত রকমের কাজ হয়ে থাকে তা বলে শেষ করা যায়না।এ এক এমন যন্ত্র যা মানুষের কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অবলীলায় অক্ষরে অক্ষরে প্রতিটি হুকুম পালন করে।

কম্পিউটারের সংজ্ঞা:

কম্পিউটার কি আমরা সবাই প্রায় জানি। কম্পিউটার হল অনেকগুলো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের সমাহার। যা বৈদ্যুতিক প্রবাহের মাধ্যমে যৌক্তিক কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে। কম্পিউটার বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে নিজের সংকেতে রূপান্তর করে ব্যবহারকারী কর্তৃক কমান্ডের দ্বারা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান করে থাকে।

কম্পিউটার শব্দটি একটি ল্যাটিন শব্দ কম্পিউট থেকে এসেছে। কম্পিউট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো গণনা করা। তাই আভিধানিকভাবে কম্পিউটার হলো একটি গণনা করার যন্ত্র। কিন্তু আজকাল এই কম্পিউটার এখন শুধু গণনা করার কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর যন্ত্রটি এখন আরো নানা কাজে বহুল্ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

কম্পিউটার তৈরির ইতিহাস:

কে তৈরি করল কম্পিউটার নামক জাদুর বাক্সটা? এ প্রশ্নের উত্তরে সবার আগে যার নাম আসে তিনি হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ গণিতজ্ঞ চালর্স ব্যাবেজ। তিনি হলেন আধুনিক কম্পিউটারের জনক। কিন্তু কম্পিউটার তৈরির ইতিহাস প্রায় আজ থেকে পাঁচ হাজার বছরের পুরোনো! প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে গ্রিক সভ্যতায় “অ্যাবাক্যাস” নামে এক ধরনের গণনা যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল।

পরবর্তীকালে চীনসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই ‘অ্যাবাক্যাস” ব্যবহৃত হতো। এর পর ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সী ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেইজ প্যাসকেল সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যন্ত্র গণক আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে চার্লস ব্যাবেজ গবেষণা করেছিলেন এই যন্ত্র গণক কে আরও জটিলতর কোনো কাজে লাগানো যায় কিনা।

কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্র ও মূলধনের অভাবে তিনি কাজ সফল করতে পারেননি। কম্পিউটার বিজ্ঞানের সত্যিকারের সূচনা হয় আল্যান টুরিং এর প্রথমে তাত্ত্বিক ও পরে ব্যবহারিক গবেষণার মধ্য দিয়ে। ১৮৩৩ সালে আধুনিক কম্পিউটারের সূত্রপাত হয়। 

কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকারভেদ:

কম্পিউটারের গঠন ও প্রচলন নীতির ভিত্তি করে একে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা –

  • অ্যানালগ কম্পিউটার
  • ডিজিটাল কম্পিউটার
  • হাইব্রিড কম্পিউটার

আকার, দাম ও ব্যবহারের গুরুত্বের উপর ভিত্তি করে ডিজিটাল কম্পিউটারকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

  • সুপার কম্পিউটার
  • মিনি কম্পিউটার
  • মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  • মাইক্রোকম্পিউটার

মাইক্রো কম্পিউটার দু ধরনের হয়ে থাকে, যথাঃ 

১)ডেস্কটপ ও ২)ল্যাপটপ

কম্পিউটার মগজ ও তার কার্যকারিতা :

কম্পিউটার ঠিক যেন যন্ত্র মস্তিষ্ক। আমাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে তার মাথায় ধরে রাখা স্মৃতি অর্থাৎ তথ্যের প্রয়োগ ঘটিয়ে।তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত কম্পিউটারের এই মগজ।এই তিনটি অংশ হলো –

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (সিপিইউ)- সিপিইউকে কম্পিউটারের মগজ বলা হয়। কারণ এই কম্পিউটারের এই অংশ যেকোনো সমস্যা সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কাজ করে।

ইনপুট – ইনপুটের কাজ হলো তথ্য অনুযায়ী নির্দেশ গ্রহণ করে। কী-বোর্ড, মাউস, ডিস্ক, স্ক্যানার, কার্ড রিডার, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি হলো ইনপুট যন্ত্রপাতি। 

আউটপুট – ইনপুটে পাওয়া নির্দেশকে ফলাফল হিসেবে প্রকাশ করে কম্পিউটারের আউটপুট অংশ। মনিটর, প্রিন্টার, ডিস্ক, স্পিকার, প্রোজেক্টর, হেড ফোন ইত্যাদি কম্পিউটারের আউটপুট যন্ত্রপাতি। 

কম্পিউটারে নির্দেশ ও তথ্য প্রদানের জন্য যে নির্দিষ্ট ভাষার প্রয়োগ করা হয়ে থাকে তাকে বলে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।আর যে সমস্ত তথ্য নিয়ে কম্পিউটার কাজ করে তাকে বলে ডেটা বা উপাত্ত। কম্পিউটারের সব থেকে বড় উপযোগিতা হচ্ছে এটি একসাথে অনেক তথ্য ও প্রোগ্রামের রদবদল করার মাধ্যমে নানারকম কাজ করতে পারে।

সেই সাথে আধুনিক কম্পিউটারের রয়েছে অত্যন্ত দ্রুত সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, বিপুল পরিমাণ উপাত্তকে সুন্দরকরে সাজিয়ে মস্তিষ্কে ধরে রাখার ক্ষমতা ও তথ্য বিশ্লেষণের নির্ভুল ক্ষমতা। ফলে দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার তার বিচিত্র রকমের কাজ সম্পন্ন করার ক্ষমতার মাধ্যমে অনেক ভূমিকা পালন করছে। 

কম্পিউটারের ব্যাবহার:

কম্পিউটারের ব্যাবহার আমাদের দেশে সমস্ত ক্ষেত্রে, ব্যাক্তিগত ও সামাজিক জীবনে নিয়ে এসেছে এক বিরাট পরিবর্তন। কম্পিউটার কর্ম জীবনে ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে খুলে দিয়েছে একের পর এক নতুন দিগন্ত।

অনেক জন মানুষের কাজ একমুহূর্তে নির্ভুল ভাবে করতে পারে কম্পিউটার। দৈনন্দিন জীবনে সবকাজেই রয়েছে কম্পিউটারের ব্যাবহার।ব্যাংকের কাজ নির্ভুল ও তাড়াতাড়ি করে দেয়। শেয়ার বাজারকে নির্ভুল প্রদর্শন করে।

স্কুল,কলেজ অফিস আদালত সমস্ত ক্ষেত্রে তথ্য জমার কাজ করে।চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও কম্পিউটারের ব্যাবহার উল্লেখযোগ্য।মুদ্রণ শিল্পে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে কম্পিউটার। কম্পিউটারে উপলব্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা গোটা পৃথিবীকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়।

শুধু কাজের ক্ষেত্রেই কম্পিউটারের ব্যাবহার সীমাবদ্ধ নয়।কম্পিউটারের প্রমোদ মূল্যও যথেষ্ট। অনলাইনে গেম খেলা,গান শোনা, সিনেমা দেখা প্রভৃতি কাজে কম্পিউটার ব্যাবহার করে থাকি আমরা। টিকিট বুকিং, পরীক্ষার ফল প্রকাশ থেকে পাত্র পাত্রী নির্বাচন, অপরাধী খোঁজা সবকিছুতেই কম্পিউটার -তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় আধুনিক সভ্যতা কম্পিউটার ছাড়া অচল।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ভূমিকাঃ

আমাদের নিত্যদিনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটার অনেক অবদান রাখছে। কম্পিউটার আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে করেছে আরো বেশি সহজ ও দ্রুত। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, যোগাযোগসহ আরো অনেক ক্ষেত্রে কম্পিউটার তার অবদান রেখে চলছে। 

ক। শিক্ষাক্ষেত্রে কম্পিউটারঃ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটার অবদান বর্ণনা করতে হলে শুরুতেই শিক্ষক্ষেত্রে কম্পিউটারের ভূমিকা নিয়ে বলতে হবে। আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির অনন্য বাহন কম্পিউটার। কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশ্বের অনেক দেশে শিক্ষাদান করা হচ্ছে।

কম্পিউটারের অনলাইন ক্লাসরুম, ডিজিটাল ক্লাসরুম ব্যবস্থা শিক্ষাক্ষেত্রে এনেছে নতুন এক অধ্যয়। বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়ে নানারকম চিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনির মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে, ফলে ছাত্র ছাত্রীরা নানাভাবে উপকৃত হচ্ছে। পরীক্ষার ফলাফল তৈরি, উচ্চশিক্ষায়, বিভিন্ন গবেষণায় এমনকি শিক্ষার বাহন পুস্তক প্রকাশনাতেও কম্পিউটার অবদান রেখে চলছে প্রতিদিন। 

খ। চিকিৎসাক্ষেত্রে কম্পিউটারঃ  কম্পিউটার চিকিৎসাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখছে।  সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতিতে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার পেছনে রয়েছে কম্পিউটার। এর মাধ্যমে ওষুধ প্রদান, অনলাইন ডাক্তার দেখানে থেকে শুরু করে চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন নতুন গবেষণা হচ্ছে।

এছাড়াও বিভিন্ন মহামারির নিয়ন্ত্রণ যেমন সহজ হয়েছে তেমনি বড় বড় কঠিন অস্ত্রপাচারও আজকাল কম্পিউটারের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে রোগ প্রতিরোধ যেমন আগে থেকে সহজ হয়েছে তেমনি প্রতিকারেও কম্পিউটার রাখছে অবদান।

গ। যোগাযোগ ক্ষেত্রে কম্পিউটারঃ কম্পিউটারকে আরো প্রাণ দিয়েছে বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে ঘরে বসেই আমরা পৃথিবীর অন্যপ্রান্তে থাকা কাছের মানুষের সাথে যেমন কথা বলতে পারছি, তেমনি তাদেরকে দেখতেও পাচ্ছি। শুধু কি তাই? কম্পিউটারের মাধ্যমে আমরা চিঠি লিখতে পারছি খুব সহজেই, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া যায় প্রাপকের কাছে। 

কম্পিউটার ও বেকার সমস্যা:

কম্পিউটার নামক যন্ত্র দানবের ক্ষমতা অপরসীম। অনেকজন মানুষের কাজ একাই কম সময়ে কম খরচে নির্ভুল ভাবে করতে পারে কম্পিউটার তাই দিন দিন বাড়ছে বেকারত্ব। কল্প বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা মানুষের দ্বারা আবিষ্কৃত এই যন্ত্র দানবকে দিয়ে কাজ করাতে করাতে একদিন এমন সময় আসবে,যখন কাজের ক্ষুধায় উন্মত্ত দানব তার সৃষ্টিকর্তা মানুষকেই করবে ক্রীতদাস।

মানুষের কাজ করতে করতে কম্পিউটার বিশাল সংখ্যক মানুষকে করবে বেকার। তবে এই মন্দদিকের বাইরেও কম্পিউটারের সাহায্যে অনেক বেকার যুবক ঘরে বসে তাদের বেকার সমস্যা দূর করতে পারছে। ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং করে তারা ঘরে বসেই আয় করতে পারছে।

পৃথিবীতে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর বাজার দিন দিন বেড়েই চলছে। ফলে নিজেদের সময়, দক্ষতা ও কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়ে বেকার সমস্যাও দূরীভূত হচ্ছে। 

কম্পিউটারের অপব্যবহারঃ

কম্পিউটার নিঃসন্দেহে বিজ্ঞানের একটি বিশাল বড় আবিষ্কার। সকল জিনিসের যেমন ভালো দিক আছে, তেমনি তাদের কিছু মন্দ দিকও থাকে। যেকোনো কিছুর অপব্যবহার নিঃসন্দেহে সেই আবিষ্কারকে করে ফেলতে পারে মানুষের জন্য অভিশাপ।

কম্পিউটারের অপব্যবহারের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ, হ্যাকিং ইত্যাদি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারছে বেশ কিছু অসাধু মানুষ। এছাড়াও একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকার ফলে মানুষের পিঠে ব্যাথা, চোখে সমস্যাসহ আরো অন্যান্য শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

ছাত্র ছাত্রীদের জন্য কম্পিউটার যেমন তাদের শিক্ষাগ্রহণের পদ্ধতিকে আরো সহজ করেছে তেমনি কম্পিউটারের নেশা ছাত্রছাত্রীদেরকে তাদের পড়ালেখা থেকে দূরেও ঠেলে দিচ্ছে। অধিক সময়ে কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকায় তারা বেশ কিছু মানসিক সমস্যাতেও ভুগছে। এছাড়া কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসি, চাঁদাবাজি, ব্লেকমেলসহ আরো অনেক ধরণের অপরাধ বেড়ে চলছে। 

উপসংহার:

কম্পিউটার আশির্বাদ না অভিশাপ এই নিয়ে যে দ্বন্দ্ব তার অবসান হয়তো কোনোদিনও ঘটবেনা।এ ক সরকারি সমীক্ষায় দেখা গেছে কম্পিউটার ব্যাবহারের ফলে সরকারি ক্ষেত্রে চাকরি সংখ্যা ক্রমশই হ্রাস পেয়েছে যা প্রায় ৩০ শতাংশ।

কিন্তু পাশাপাশি অন্য ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ কিছু বেড়েছে।কম্পিউটারের মতো এক অন্যতম প্রযুক্তি বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে আধুনিক সভ্যতা একবারেই অচল।

ব্যাবহারের পার্থক্যের কারণে কখনও কখনও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ালেও সব মিলিয়ে কম্পিউটার আধুনিক জীবনে এক শুভ পরিবর্তন এনেছে তা স্বীকার করতেই হবে।


কম্পিউটার/ কম্পিউটার ও আধুনিক জীবন প্রবন্ধ রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো আপনার ব্যাক্তিগত মতামত কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান।আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার।

এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম কমেন্ট করে জানান।দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো।সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন:

টেলিভিশন বা দূরদর্শন রচনা
ইন্টারনেট রচনা
মোবাইল ফোন রচনা
Print Friendly, PDF & Email
English Essay, Autobiography, Grammar, and More...

Rakesh Routh

আমি রাকেশ রাউত, পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলায় থাকি। মেকানিকাল বিভাগে ডিপ্লোমা করেছি, বাংলায় কন্টেন্ট লেখার কাজ করতে ভালোবাসি।তাই বর্তমানে লেখালেখির সাথে যুক্ত।

One thought on “কম্পিউটার রচনা (Computer Essay in Bengali) [PDF]

  1. আপনাকে ধন্যবাদ। আমি বাংলাদেশী। ইলেকট্রনিক্স-এ ডিপ্লোম করে এখন ইইই-তে বিএসসি করছি। আপনার বাংলা কন্টেটি আমার স্টুন্ডেটদের বেশ কাজে লেগেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

 

Recent Content