দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা [সঙ্গে PDF]

বাঙালি যেমন ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়, তেমনি কোন ভ্রমণপিপাসু বাঙালির মন সবসময়ই ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বাঁধন ভেঙ্গে মুখোমুখি হতে চায় নতুন কোন সাংস্কৃতিক জগতের। আর পৃথিবীতে সংস্কৃতি কিংবা ঐতিহ্য উভয়েরই শিকড় প্রোথিত থাকে অতীত ইতিহাসের অন্তঃস্থলে। তাই ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের আগ্রহ বাঙালির সর্বকালের। এই নিয়েই আমাদের আজকের উপস্থাপন একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা।

একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা

ভূমিকা:

রোজকার পরিচিত গণ্ডির বাইরে গিয়ে কোন অপরিচিত পরিবেশ থেকে ভ্রমণ করে আসার অভিজ্ঞতা জীবনের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে অন্যতম। আর বাঙালি মাত্রেই ভ্রমণপিপাসু। কথায় বলে বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে। সেই কারণে কোন বাঙালি রোজকার একঘেয়ে জীবনে বেশিদিন বাঁধা পড়ে থাকতে পারে না।

সকল বাঙ্গালীর মতন আমিও প্রায়শই প্রতিদিনকার চেনা ছকে বাঁধা রোজনামচাকে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে পড়ি নতুন নতুন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। বাঙালি মাত্রেই যেমন ভ্রমণপিপাসু, তেমনই বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পূজারী। সেই কারণেই তো ভারতবর্ষে বাংলার প্রাণ কেন্দ্র কলকাতাকে এই দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়ে থাকে।

আপন প্রাণকেন্দ্রে বাঙালি যেমন ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়, তেমনি কোন ভ্রমণপিপাসু বাঙালির মন সবসময়ই পরিচিত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বাঁধন ভেঙ্গে মুখোমুখি হতে চায় নতুন কোন সাংস্কৃতিক জগতের। আর পৃথিবীতে সংস্কৃতি কিংবা ঐতিহ্য উভয়েরই শিকড় প্রোথিত থাকে অতীত ইতিহাসের অন্তঃস্থলে।

সেই কারণেই ঐতিহাসিক ভ্রমন যেকোনো বাঙালিকে সবচেয়ে বেশি আনন্দের অনুভূতি এনে দেয়। অতিসম্প্রতি আমার এমনই একটি ঐতিহাসিক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা হয়েছিল। 

ঐতিহাসিক ভ্রমণের তাৎপর্য:

মনে আনন্দময় অনুভূতির সঞ্চার করা ছাড়াও জীবনে ঐতিহাসিক ভ্রমণের সমূহ তাৎপর্য আছে। যে কোন ঐতিহাসিক ভ্রমণের দ্বারা মানুষ মুখোমুখি হয় অতীত ইতিহাসের ফেলে যাওয়া নিদর্শনগুলির। এই নিদর্শনগুলি ইতিহাসের সাথে মানুষের পরিচয় ঘটানোর মাধ্যমে অতীতের সাথে বর্তমানের যোগসুত্র রচনা করে। ঐতিহাসিক ভ্রমণ মানুষ ইতিহাসকে হাতে ছুঁয়ে দেখে।

অতীতের গৌরবগাথার কথা যেগুলি এতদিন তারা বই পড়ে জেনেছিল, ঐতিহাসিক ভ্রমণের সময় সেইগুলি আসে হাতের নাগালে, চোখের সামনে। অতীতকালের শিল্প সংস্কৃতি তথা চারুকলার সঙ্গে পরিচিতি ঘটে বর্তমান যুগের মানুষের।

আমি যখনই কোন ঐতিহাসিক ভ্রমণে যাই, সে সময় নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে আপন কল্পনার স্রোতে ভেসে আমি পৌঁছে যাই অতীতের সেই দিনগুলিতে। বর্তমানের বুকে দাঁড়িয়ে কল্পনার সেতুতে ভর করে অতীতের সেই জীবনে কয়েক মুহূর্ত বেঁচে দেখার মধ্যে যে কি সুখানুভূতি রয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না।

ভ্রমণ পরিকল্পনা:

জীবনে আমি বহুবার ঐতিহাসিক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন কোনায় যাত্রা করেছি। কখনো ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাস অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে পৌঁছে গিয়েছি কোনারকের সূর্য মন্দির, কখনো বা প্রাচীন দক্ষিণ ভারতীয় স্বতন্ত্র সংস্কৃতির স্বাদ আস্বাদনের জন্য পৌঁছে গিয়েছি কর্ণাটক কিংবা তামিলনাড়ু। ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাসের পাশাপাশি মধ্যযুগীয় ভারত সম্বন্ধেও আমার সমান উৎসাহ রয়েছে।

কিন্তু সত্যি বলতে এখনো তেমন ভাবে মধ্যযুগীয় ভারতের ফেলে যাওয়া নিদর্শনগুলির মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়নি। সেই কথা চিন্তা করেই আমি অতিসম্প্রতি মধ্যযুগীয় ভারতবর্ষের প্রাণকেন্দ্র আগ্রা ও লখনৌ ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেললাম। এই ভ্রমণের ফলে আমার যে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা লাভ হয়েছিল তা ব্যক্ত করার উদ্দেশ্যেই এই প্রতিবেদনটির উপস্থাপনা।

যাত্রাপথ ও গন্তব্য:

ভ্রমণের উদ্দেশ্যে কোন স্থানে যাওয়ার জন্য বিমানের তুলনায় রেলপথে যাত্রাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি। রেলপথে কোথাও যেতে সময় খানিক বেশি লাগে বটে, কিন্তু রেলযাত্রা তার স্বকীয় মহিমায় ভ্রমণপথের সকল নির্যাস ভ্রমণকারীর অঞ্জলিতে উপুড় করে ঢেলে দেয়। এইবারের ঐতিহাসিক ভ্রমণ পরিকল্পনাও তার ব্যতিক্রম হল না।

নির্ধারিত দিনে সময়মতো হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে একদিনের পথ আমার প্রথম গন্তব্য লখনৌ। রাতের বেলা ট্রেন ছাড়ার কারণে ট্রেনে উঠেই বিছানা করে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকাল বেলা যখন ঘুম ভাঙলো আমার ট্রেন তখন বিহার রাজ্যের শেষ সীমানায় উপস্থিত। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে মাইলের পর মাইল দেখতে পেলাম সবুজ শস্যক্ষেত। আর খানিকক্ষণ বাদে বাদে চোখে পড়ল ছোট ছোট টিলা।

এইভাবে প্রকৃতির রূপে বিভোর হয়ে যখন ট্রেন লখনউয়ের চার্বাক স্টেশনে এসে থামল তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে গেছে। স্টেশন থেকে গাড়ি করে পূর্ব নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে রাতের খাবার খেয়ে পরের দিনের জন্য বুকে একরাশ আশা নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

লখনৌ শহরে প্রথম দিন:

পরের দিন সকালবেলা যখন তৈরি হয়ে বাইরে বেরোলাম, নবাব নগরী লখনউ তার দুই হাত বাড়িয়ে ইতিহাসের এই দর্শনার্থীকে পরম স্বাগত জানালো। এই শহরে ইতিহাসের নিদর্শন প্রচুর সংখ্যায় না থাকলেও একথা সত্য যে এই নগরীটি স্বয়ং একটি জীবন্ত ইতিহাস। মধ্যযুগের নবাবরা পরম ভালোবাসায় ও যত্নে লখনৌ নগরীকে গড়ে তুলেছিল।

এই শহরটিতে প্রথম যে ঐতিহাসিক নিদর্শনটি যেকোনো ভ্রমণকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তা হলো এখানকার বড় ইমামবাড়া। ইমামবাড়ার উঁচু উঁচু পাথরের তৈরি সিঁড়ি আর বিশ্ব বিখ্যাত গোলকধাঁধা পেরিয়ে যখন অবশেষে এখানকার ছাদে পৌঁছানো যায় তখন সেই ছাদ থেকে লখনৌ নগরীকে অপরূপ সুন্দর মনে হয়।

তাছাড়া বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় এখানকার ব্রিটিশ আমলের রেসিডেন্সির কথা। নবাব ওয়াজেদ আলী শাহ-এর সময় এই রেসিডেন্সি নির্মিত হয়েছিল। ইতিহাস যেন এই শহরের প্রতিটি কোনায় তার দর্শককে হাতছানি দিয়ে ডাকে।

আগ্রা এবং ইতিহাস:

লখনৌ ভ্রমণ সেরে তিনদিন পর আমি পৌঁছলাম মধ্যযুগীয় ভারতবর্ষের আরেক প্রাণকেন্দ্র আগ্রা নগরীতে। লখনৌ থেকে আগ্রা পৌঁছতে রেলপথে সময় লাগে মাত্র ঘন্টা চারেক। ভ্রমণের পথে ছত্রে ছত্রে উত্তরপ্রদেশের স্বতন্ত্র সংস্কৃতি স্বাগত জানায়। আগ্রা পৌঁছে বুঝতে পারলাম ইতিহাস এবং আগ্রা একে অন্যের সমার্থক ভিন্ন কিছু নয়। এই শহরের প্রতিটি পদে-পদে সদর্পে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস।

এখানকার মানুষ তাদের জীবনচর্যার প্রতিটি দিন সেই দিন আজকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকে। আধুনিকতা এবং সাবেকিয়ানার অদ্ভুত মিশেল এই শহরে। আগ্রা শহরের রাস্তায় চলতে চলতে একদিকে পড়বে আগ্রা দুর্গ, আবার কখনো মধ্যযুগের তৈরি করা ঐতিহাসিক’ ফটক পেরিয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠবে কোন মধ্যযুগীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সমাধিস্থল।

আগ্রা দুর্গ এখানকার সকল ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির মধ্যে আমার বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এছাড়া সম্রাট আকবরের সমাধিস্থলটিও অদ্ভুত সুন্দর। সেই সমাধিস্থল এর চারপাশ জুড়ে বিশাল উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ; একে ছোটখাটো অরণ্য বলা চলে। সেই অরণ্যে চরে বেড়ানো কৃষ্ণসার মৃগ ও পেখম মেলা ময়ূর এখানকার শোভাকে বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে।

অপরূপ তাজমহল:

আগ্রা তথা সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় যে ঐতিহাসিক স্থান নিঃসন্দেহে তা হল তাজমহল। সমগ্র বিশ্বে তুল্যমূল্য বিচারে তাজমহল বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আশ্চর্যগুলির তালিকায় সপ্তম স্থান অধিকার করে রয়েছে। প্রতি বছর পৃথিবীর নানান প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ দর্শক পৃথিবীর এই সপ্তম আশ্চর্যটিকে দেখতে আসেন। আগ্রা বেড়াতে এসে তাজমহল না দেখলে ভ্রমণ একেবারে অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

আগ্রা পৌঁছানোর পর দ্বিতীয় দিন তাই আমি হাজির হলাম তাজমহল দর্শনের উদ্দেশ্যে। বহু মানুষের ভিড় আর কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে যখন মধ্যযুগের এই আশ্চর্য স্থাপত্যটির সামনে এসে উপস্থিত হলাম তখন এক লহমায় আমার চোখ জুড়িয়ে গেল। ছবিতে দেখা তাজমহলের থেকে চোখে দেখা তাজমহল হাজার হাজার গুনে সুন্দর।

এখানকার প্রতিটি পাথরের গায়ে রয়েছে অদ্ভুত শিল্পশৈলীর কারুকাজ। আর স্থাপত্যরীতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখার মত দুঃসাহস আমার নেই। তাজমহল দর্শনের পর যে মুগ্ধতা আমাকে আচ্ছন্ন করেছিল আজও সেই অদ্ভুত অনুভূতি থেকে আমি বেরিয়ে আসতে পারিনি।

ফতেপুর সিক্রিতে একটি দিন:

ফতেপুর সিক্রি প্রথম থেকেই আমার এই ভ্রমণের একটি অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল। এর আগে বিভিন্ন জায়গায় ফতেপুর সিক্রি সম্বন্ধে বিস্তর পড়াশোনা করেছিলাম, তবে চোখে দেখার সুযোগ হলো এই প্রথম। ফতেপুর সিক্রি আগ্রার অনতিদূরে বেশ কিছুটা উঁচুতে অবস্থিত একটি ছোট্ট শহর বা মফস্বল বলা চলে। সম্রাট আকবর এই শহরটির স্থাপনা করে এখানে বেশকিছু অদ্ভুত সুন্দর ঐতিহাসিক নিদর্শন রেখে গিয়েছেন।

আগ্রা থেকে ঘন্টাখানেক গাড়িতে করে ফতেপুর সিক্রির প্রান্তে পৌঁছে চড়াই উৎরাই রাস্তা দিয়ে কিছুদূর উঠে প্রথমেই পড়বে খাজা মইনুদ্দিন চিশতির দরগা। সেই দরগায় খানিকক্ষণ ভ্রমণ করে বিখ্যাত বুলান্দ দরওয়াজা দেখে পৌঁছলাম ফতেপুর সিক্রি দুর্গে। আকবরের তৈরি এই দুর্গ অদ্ভুত সুন্দর।

এই দুর্গে একদিকে রয়েছে যোধাবাঈ-এর প্রাসাদ ও রসুইখানা, আরেকদিকে গেলে দেখা যাবে সম্রাটের প্রশাসনিক কেন্দ্র দেওয়ান-ই-আম ও দেওয়ান-ই-খাস। এই দুর্গের অন্য প্রান্তে রয়েছে সম্রাট আকবরের অন্যতম বন্ধু তথা পরামর্শদাতা বীরবলের প্রাসাদ। 

রসনাপূর্তি:

বাঙালি যেমন ভ্রমণপিপাসু, তেমনি খাদ্য রসিক। কোন স্থানে ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার খাবারের স্বাদ গ্রহণ না করলে বাঙালির ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই দিক থেকে লখনউ এবং আগ্রা দুইটি শহরই আমার মন ভরিয়ে দিয়েছিল। লখনৌ শহরের বিখ্যাত গলোটি কাবাব আর শিরমল পরোটার স্বাদ কোনদিন ভুলতে পারবোনা।

আর চিরকাল মনে থেকে যাবে লখনউয়ের বিখ্যাত বাস্কেট চাটের কথা। অন্যদিকে আগ্রা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি পরিচিত খাবার পরিবেশন করে থাকে। এখানকার মানুষ টক দই দিয়ে বিশেষ স্বাদের আলু পরোটা জল খাবার হিসেবে গ্রহণ করে। এই পরোটার স্বাদ সম্পূর্ণ অন্যরকম।

উপসংহার:

দীর্ঘ নয় দিনব্যাপী ভারতবর্ষের ঐতিহ্যশালী এই দুটি শহরে ঐতিহাসিক ভ্রমণ সেরে পুনরায় রেলপথে আমি ফিরে এসেছিলাম আমার শহর কলকাতার চিরাচরিত জীবনযাত্রায়। ফিরে এসেছিলাম বটে, কিন্তু আমার মন পড়েছিল লখনৌতে দেখা সেই ইমামবাড়ার ছাদে, কিংবা তাজমহলের ওপর যেখান থেকে যমুনা নদী দেখা যায় তার এক প্রান্তে।

এই ঐতিহাসিক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমার মনে যে অনুভূতির সঞ্চার করেছিল তার রেশ আজও কাটেনি। এই রেশ নিয়েই হয়তো আমি অপেক্ষা করে থাকব আমার পরবর্তী ভ্রমণের জন্য। আবার হয়তো ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখার প্রবল আকাঙ্ক্ষায় ছুটে যাব দেশের অন্য কোন কোনায়।


একটি ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনাটি পড়ে আপনার কেমন লাগলো কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানান। আমরা সব সময় সচেষ্ট থাকি সবার থেকে সুন্দর ও আপনার মনের মতো করে একটি রচনা তুলে ধরার। এখানে নেই এমন রচনা পাওয়ার জন্য রচনাটির নাম আমাদের কমেন্ট করে জানান। দ্রুততার সঙ্গে আমরা উক্ত রচনাটি যুক্ত করার চেষ্টা করবো। সম্পূর্ণ রচনাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট