দেখে নিন ইংরেজিতেও রচনা

অব্যয় পদ কাকে বলে? অব্যয় পদ কয় প্রকার ও কি কি? প্রত্যেক প্রকারের সংজ্ঞা ও উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা। [PDF]

আজ আমাদের আলোচনার বিষয় হল অব্যয় পদ। অব্যয় পদ কাকে বলে? অব্যয় পদের শ্রেণীবিভাগ, প্রত্যেক প্রকার অব্যয় পদের যথাযথ সংজ্ঞা ও একাধিক উদাহরণসহ সহজ ভাষায় নীচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

অব্যয় পদ বৈশিষ্ট্য ছবি

অব্যয় পদ কাকে বলে?

যে সকল শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত না হলেও লিঙ্গ, বচন, বিভক্তিভেদে রূপান্তরিত হয় না, অর্থাৎ যাদের মূল রূপের পরিবর্তন হয় না, তাদের বলা হয় অব্যয় পদ। যেমন- ও, বরং, হ্যাঁ, না, তবে, নতুবা, তথাপি, আর, নচেৎ ইত্যাদি।

যেমন:

  • বাংলা এবং সংস্কৃত সাহিত্য থেকে বিভিন্ন শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
  • ছেলেটি গরিব কিন্তু সৎ।
  • ওমা! আমার কী ভাগ্য।

উপরিউক্ত উদাহরণগুলিতে এবং, কিন্তু, ওমা পদগুলির লিঙ্গ, বচন কিংবা বিভক্তিভেদে রূপের কোনরকম পরিবর্তন হয়নি। বলা যায় ওদের মূল রূপের পরিবর্তন বা ব্যয় হয়নি। সেজন্য ওই পদগুলিকে অব্যয় বলা হয়।

দ্রষ্টব্য: বাংলায় অব্যয়-এর সংখ্যা অনেক। বাংলার নিজস্ব অব্যয় পদ আছে; তাছাড়া সংস্কৃত থেকে বেশকিছু অব্যয় পদ বাংলায় এসেছে। 

বাংলা ভাষার নিজস্ব কিছু অব্যয় পদের উদাহরণ হল: না, বা, কি-বা, নাইবা, বুঝি, ওহে, তবু, আহারে ইত্যাদি। এছাড়া সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত কিছু অব্যয় পদের উদাহরণ হল: এবং, অতএব, বরং, সর্বদা, চমৎকার, বরঞ্চ, নচেৎ, নিতান্ত, ইদানিং, পুনশ্চ ইত্যাদি। এগুলো ছাড়াও বিদেশী ভাষা থেকে কিছু অব্যয় পদ বাংলায় আগত হয়েছে। যেমন- মারফত, নাগাদ, সাবাস ইত্যাদি।

অব্যয় পদের প্রকারভেদ:

একই অব্যয় সব ক্ষেত্রে একই অর্থে ব্যবহৃত হয় না, কখনো বাক্যে সংযোজন আর কখনো বা বাক্যে অনন্বয়ের ভূমিকা গ্রহণ করে। যেমন- তুমি কাজটি করবে, না আমি করব। তাছাড়া বাস্তব ধোনির অনুকরণে সৃষ্ট অনুকারবাচক শব্দও অব্যয় রূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন কলকল, ঝমঝম ইত্যাদি।

যাইহোক, অব্যয় একাধিক পদ বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ কে যুক্ত করে, বাক্য পদের মধ্যে সম্বন্ধ সম্পর্ক স্থাপন করে, মনের বিস্ময়, ঘৃণা, হর্ষ, ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, কখনো বা বাস্তব ধ্বনির ভাব ফুটিয়ে তোলে। তাই বৈচিত্রের দিকে তাকিয়ে অব্যয়কে প্রধানত চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। সেগুলি হল- পদান্বয়ী অব্যয়, সমুচ্চয়ী অব্যয়, অনন্বয়ী অব্যয় এবং অনুকার অব্যয়। 

১) পদান্বয়ী অব্যয়: 

পদান্বয়ী অব্যয় বাক্য বিভিন্ন পদের মধ্যে অন্বয় বা সম্পর্ক স্থাপন করে। যেমন: সহিত, নিমিত্ত, জন্য, সহ, মত, মতন ইত্যাদি। 

বাক্যে প্রয়োগ:

  • ‘দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?’
  • ‘বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়া আমরা বাঁচিয়া আছি।’

প্রথম বাক্যে ‘বিনা’-র পূর্ববর্তী ‘দুঃখ’ পদে কোন বিভক্তি নেই। আবার দ্বিতীয় বাক্যে ‘ শব্দের সঙ্গে ‘এর’ বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত আছে। অর্থাৎ এই উদাহরণ দ্বারা প্রমাণিত হয় পদান্বয়ী অব্যয়ের প্রয়োগ ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পদে বিভক্তি চিহ্ন থাকতেও পারে আবার না-ও থাকতে পারে।

পদান্বয়ী অব্যয়কে প্রয়োগ অনুযায়ী কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

ক) উপমা বাচক: মত, মতন, যেন, যেমন ইত্যাদি। উদা: ‘ভূতের মতন চেহারা যেমন নির্বোধ অতি ঘোর।’

খ) ব্যতীত অর্থবাচক: বিনা, ব্যতীত, বিহনে, ভিন্ন, ছাড়া ইত্যাদি। উদা: ‘এক সীতা বিহনে সকল অন্ধকার।’

গ) অনুসর্গরূপে প্রযুক্ত: সহিত, সঙ্গে, উপরে, নিচে, সামনে, পাশে, ভিতরে, বাইরে ইত্যাদি। উদা: ‘নূতনের জন্য ইচ্ছা খুবই হইতেছে।’

২) সমুচ্চয়ী অব্যয়: 

যে অব্যয় একাধিক পদ, বাক্যাংশ বা বাক্য সংযোজন ও বিয়োজন করে, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলা হয়। 

বাক্যে প্রয়োগ:

  • ‘অস্ত্র নির্মাণ তথা সৈন্য সমাবেশের প্রচুর ব্যয় হইবে।’
  • সুখ বা দুঃখ কোন কিছু সে গ্রাহ্য করে না।

উপরিউক্ত উদাহরণগুলিতে তথা এবং বা অব্যয় পদ দুটি বাক্যের সংযোজন বা বিয়োজনের কাজ করেছে। 

এই শ্রেণীর অব্যয়কে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

ক) সংযোজক: এবং, ও, আরো, তথা ইত্যাদি।

যেমন:

  • তিনি এবং আমি সান্ধ্য ভ্রমণে যাব।
  • শিক্ষিত মানুষ দেশ তথা সমাজের জন্য উপযোগী।

খ) বৈকল্পিক: অথবা, কিংবা, না, বা ইত্যাদি।

যেমন:

  • অজয় অথবা বিজয় কেউ একজন যাবে।
  • ভালো কিংবা মন্দ কিছু একটা হতে পারে।

গ) সংকোচক: কিন্তু, পরন্তু, অথচ, অধিকন্তু, তবু, তথাপি, বটে ইত্যাদি।

যেমন:

  • “তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।”
  • সে মুখ খুলল কিন্তু বলতে পারল না।

ঘ) ব্যতিরেকাত্মক: নতুবা, না হইলে, যদি না ইত্যাদি।

যেমন:

  • তাড়াতাড়ি যেতে হবে, নইলে গাড়ি ধরতে পারবো না।
  • অদৃষ্ট যদি না খারাপ হবে, তাহলে এমন কেন হবে!

ঙ) প্রশ্নবাচক: কি? না? নাকি? তাই নাকি? বটে? ইত্যাদি।

যেমন:

  • বড্ড দূর, তাই না?
  • মারবে নাকি?

চ) কারনাত্মক: যেহেতু, কারণ, বলিয়া ইত্যাদি।

যেমন:

  • মানুষের শান্তি নাই, কারন মানুষ লোভী। 
  • আমি যেহেতু ক্লান্ত তাই আর হাঁটতে পারব না।

ছ) সংশয়বাচক: যদি, যদি বা, যদি নাকি, যদি না হয় ইত্যাদি।

যেমন:

  • আর যদি এসেই পড়েন তাহলে?

জ) সিদ্ধান্ত বাচক: তবে, তাই, সুতরাং, তার জন্য, কাজেই, সেইজন্য ইত্যাদি।

যেমন:

  • মধু বাড়ি গেলে তবে যদু আসবে। 
  • বৃষ্টি নেমেছে, সুতরাং বিকেলে ঠান্ডা পড়বে।

ঝ) হেতু বাচক: এই জন্য, এই হেতু, এই কারণে, তাহাতে, তাতেই ইত্যাদি।

যেমন:

  • যে ভাত রান্না করেছো, তাতেই হবে।
  • বাঙালি অলস, এই জন্য বাঙালির উন্নতি নাই।

ঞ) বাক্যালংকার: কতকগুলি অব্যয় আছে যাদের কোনো অর্থ নেই। এরা কেবলমাত্র বাক্যে প্রযুক্ত হয়ে বাক্যের শোভাবর্ধন করে এবং অলংকার রূপে বিরাজ করে। এদের বাক্যালংকার অব্যয় বলে।

যেমন:

  • কি ছেলে কি বুড়ো সবাই এসেছে।
  • ‘কত না দিনের দেখা, কত না রূপের মাঝে।’

ট) সমাপ্তিসূচক: শেষে, শেষটায়, যাহাতে ইত্যাদি।

যেমন: শেষটায় সভা পন্ড হবে কে জানত।

ঠ) নিত্য-সম্বন্ধী: কতকগুলি অব্যয় আছে, যেগুলি জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। একটি ভিন্ন অপরটি একা ব্যবহৃত হতে পারে না। এদের মধ্যে নিত্য সম্বন্ধ থাকে। এগুলিকে নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় বলে।

যেমন: তাজমহল এত সুন্দর যে, পৃথিবীর নানা দেশ থেকে লোক দেখতে আসে।

৩) অনন্বয়ী বা ভাববাচক অব্যয়:

বাক্যস্থ পদের সাথে যে সকল অব্যয়-এর সরাসরি সম্পর্ক নেই, মনের বিষয়, হর্ষ, ঘৃণা, ভয়, ইত্যাদি ভাবপ্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়, সেই সকল অব্যয়কে অনন্বয়ী বা ভাববাচক অব্যয় বলা হয়ে থাকে। যেমন- ছি ছি, হায় হায়, আজ্ঞে, আহা, মরি মরি ইত্যাদি।

উদাহরণ:

  • আজ্ঞে, আপনি যা বলেছেন সবই সত্যি।
  • আহা, লোকটা অকালে মরল।

উপরিউক্ত উদাহরণগুলিতে আজ্ঞে, আহা এই অব্যয়গুলির সাথে বাক্যের কোন পদের সরাসরি সম্পর্ক নেই। এরা যথাক্রমে সম্মতিজ্ঞাপক এবং করুণা অর্থ প্রকাশক অব্যয় রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।

অর্থানুসারে অনন্বয়ী বা ভাববাচক অব্যয়কে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।

ক) প্রশংসাসূচক: বলিহারি, বাহবা, সাবাস, সুন্দর, আহা, চমৎকার, বেশ ইত্যাদি। উদা: কি সুন্দর মালা আজ গলায় পড়েছ তুমি।

খ) সম্মতি জ্ঞাপক: হ্যাঁ, আচ্ছা, বটে, আজ্ঞে, যথা আজ্ঞা, যা বলেন, তাই বটে, বেশ তো ইত্যাদি। উদা: আমি বললুম, আজ্ঞে হ্যাঁ।

গ) অসম্মতি জ্ঞাপক: না, আদপে না, আদৌ না, মোটেই না, একদম না, একেবারেই না, না তো, কখনো না ইত্যাদি। উদা: না মোটেই না, সব মিথ্যা।

ঘ) বিরক্তি ব্যঞ্জক: ছি, ছি, ছি, দুরদুর, ধিক ধিক, ওয়াক থু, রামো রামো, কি আপদ, কি মুশকিল, দুত্তর, কি জ্বালা, দূর ছাই, আ মলো ইত্যাদি। উদা: “ধিক ধিক, ওরে শত ধিক্ তোরে নিলাজ কুলটা ভূমি।”

ঙ) ভয়, যন্ত্রণা ও দুঃখ সূচক: ওহ, ইস, বাপরে বাপ, মা রে,  বাবাগো, মাগো, হায় হায়, মরে গেলাম, ওরে বাবা, ওমা ইত্যাদি। উদা: বাপরে বাপ, কত বড় সাপ।

চ) বিস্ময় সূচক: বাহ, ওমা, আহা, কি বা, ওমা কোথা যাব, হরি হরি, করো কি ইত্যাদি। উদা: ওমা; কি সুন্দর সূর্যোদয়।

ছ) করুণা, স্নেহ ও আদর সূচক: বেচারা, আহা, আহা রে, বাছা আমার, বাপ আমার, মানিক আমার, সোনা আমার, গোপাল আমার, মরে যাই ইত্যাদি। উদা: বাছা আমার, হতভাগিনীকে ফেলে চলে গেলি।

জ) সম্বোধন সূচক: এই, ওহে, এইযে, ওগো, ওরে, হ্যাঁগো বাছা, হে ইত্যাদি। উদা: হে ভগবান, তুমি সকলের মঙ্গল কর।

৪)অনুকার অব্যয়:

অনুকার অব্যয় সম্পর্কে মতপার্থক্য আছে। কেউ মনে করেন, বাস্তব ধ্বনির অনুকরণে সৃষ্ট অব্যয় পদ গুলি অনুকার অব্যয় হয়। কেউ ভাবেন, অবস্থা বা ভাবের দ্যোতক কিংবা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় হলো অনুকার অব্যয়। আবার কেউ কেউ অনুকার অব্যয়-এর অস্তিত্বকেই স্বীকার করেন না।

তাদের যুক্তি হলো ধ্বন্যাত্মক অব্যয় ও অনুকার অব্যয় এক হতে পারেনা। তাছাড়া তথাকথিত অনুকার অব্যয়ে বিভক্তির প্রয়োগ হয়ে রূপান্তর ঘটে, সেজন্য অনুকার শব্দ হতে পারলেও অনুকার অব্যয় হতে পারে না। ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় অনুকার বাচক অব্যয় এর অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন।

অনুকার অব্যয়-এর দৃষ্টান্ত স্বরূপ তিনি বলেছেন- “কোকিল কুহু কুহু করিতেছে।” সেই সঙ্গে তিনি মেঘের ডাক, কামানের গর্জন, প্রবাহিত গঙ্গার তরঙ্গের ধ্বনি প্রভৃতির উল্লেখ করেছেন। যাইহোক অনুকার অব্যয়কে বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

১) বাস্তব ধ্বনির অনুকরণে সৃষ্ট ধ্বন্যাত্মক অব্যয় অনুকার অব্যয়-এর অন্তর্ভুক্ত। যেমন- কল কল, ঝমঝম, ঝনঝন, বকবক, টুপ টুপ, গুরুগুরু ইত্যাদি।

যেমন:

  • গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে।”
  • ঝমঝম” শব্দ করে বৃষ্টি পড়ে চলেছে।

২) অনুভূতি গ্রাহ্য বিভিন্ন প্রকার ভাবপ্রকাশ করতেও অনুকার অব্যয়-এর ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন- ক) মাথাটা টন টন করছে। খ) সকাল থেকে চোখটা খচখচ করছে। গ) ভয়ে বুকটা ঢিপ ঢিপ করছিল।

৩) অবস্থা, গতি, শূন্যতা, পূর্ণতা ইত্যাদি অর্থ অনুকার অব্যয় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- ক) কুচকুচে কালো রংয়ের কুকুরটা দেখতে বাঘের মতন। খ) খোলা দরজাটা হা হা করছে। গ) বিলে জল থইথই করছে।

৪) কথার মাত্রা স্বরূপ কিছু বিকৃত ধ্বনিমূলক অব্যয়ও অনুকার অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন- কাপড়চোপড়, রকমসকম ইত্যাদি।

অন্য পদ রূপে অব্যয়-এর ব্যবহার:

অব্যয় পদ অন্য পদ রূপে বাক্যে প্রযুক্ত হতে পারে। নিচে এরকম ব্যবহারের কিছু দৃষ্টান্ত দেখানো হলো:

  • বিশেষ্য পদ রূপে ব্যবহার

সব কথারই একটা করে কিন্তু থাকলে ওই কিন্তুটা বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

  • ক্রিয়া বিশেষণ রূপে ব্যবহার

উত্তর দিতে গিয়ে মা মাথাটা বারবার নাড়লো।

  • ক্রিয়াপদ রূপে ব্যবহার

রাজা নেই, তার ধড়াও নেই, চূড়াও নেই

  • নাম বিশেষণ রূপে ব্যবহার

অতি বুদ্ধি ভালো নয়।

অন্যপদ বা বাক্যাংশের অব্যয় রূপে ব্যবহার:

  • অব্যয় রূপে বিশেষণ পদের ব্যবহার:

বেশ; তোমার কথাই বিশ্বাস করলাম।

  • অব্যয় রূপে বিশেষ্য পদের ব্যবহার:

রাম রাম! ওই কুৎসিত কথা মুখে এনো না।

  • অব্যয়রূপে বাক্যাংশের ব্যবহার:

ভেবে দেখুন, তখন আকাশ জোড়া মেঘ, অশ্রান্ত বর্ষণ, বিরতিহীন অশনিপাত।


অব্যয় পদ নিয়ে এখনও কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান। সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Print Friendly, PDF & Email

রাকেশ রাউত

রাকেশ রাউৎ বাংলা রচনা ব্লগের নির্বাহী সম্পাদক। ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার। ইনি বাংলা রচনার সম্পাদকীয় দলকে লিড করেন। রাকেশ দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ বাংলা কনটেন্ট এডিটিং এর সাথে যুক্ত আছেন। ইনি বাংলা রচনা ছাড়াও নামকরণ এবং বাংলা জীবনীর মতো নামকরা সাইটের সম্পাদকীয় দলের একজন অন্যতম সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট